google-site-verification=x4m2NR7H57mcVqk3JYLp9X1S3iOkdTQ8Jwf6J5lLbL4 খিচুনি রোগের হোমিও চিকিৎসা | Homeopathic Medical Treatment Idea And Homeopathic Medicin details In Bangla
Email: abdurrashid9892@gmail.com
Email: abdurrashid9892@gmail.com
WELCOME TO BDHOMEOPATHIC

খিচুনি রোগের হোমিও চিকিৎসা

 

খিচুনি রোগের হোমিও চিকিৎসা

মৃগী রােগ বা খিচুনি হলাে মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক গােলযােগ গােলযােগ গােলযােগ হতে লােড শেডিং কিংবা ভল্টেজের উঠানামা উঠানামা যাতে যাতে আক্রান্ত কিছু সময়ের জন্য তার চেতনা হারিয়ে ফেলে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ অঙ্গ প্রত্যঙ্গে খিচুনি / আক্ষেপ (convulsion) দেখা দেয়. যাতে সারা শরীর ধনুকের ন্যায় বাঁকা হয়ে যায় যায় গােঙানি বা অনিচ্ছাকৃত চীৎকার করতে থাকে থাকে হাত পা পা আঙ্গুল ক্রমাগত বাঁকা এবং সােজা হতে হতে থাকে দাঁত দাঁত দিয়ে কামড়ে কামড়ে ধরে মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে থাকে থাকে অনিচ্ছাকৃতভাবে মল মুত্র বের যাওয়া এবং শ্বাস শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় I


মৃগীর আক্রমণ শেষ হওয়ার সাধারণত রােগী দুর্বল হয়ে পড়ে এবং গভীর ঘুমে ডুবে যায়. রােগের আক্রমণের সময় সে যা করেছে করেছে তার তার মনে করতে পারে না. মৃগীরােগের আরাে যে সব সব প্রকাশ পায় তা তা হলাে চোখে উল্টাপাল্টা দেখা কানে উল্টাপাল্টা কিছু শােনা শােনা অল্প সময়ের আচার আচার আচরণ আচরণ পরিবর্তন. হওয়া, নির্দিষ্ট একটি অঙ্গে ঝাকুনি দেওয়া দেওয়া হঠাৎ করে ঘামতে ঘামতে থাকা এক মুহূর্তের জন্য জ্ঞান হারিয়ে হারিয়ে ফেলা বমিবমি বমিবমি লাগা অকারণে ভয় ভয় লাগা লাগা উপরের দিকে আড়চোখে তাকানাে তাকানাে মুখের পেশীর সঙ্কোচন্ত ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি (Petit_mal Seizure). কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাথায় আঘাত পাওয়া, মসি-স্কে ইনফেকশান, ব্রেন টিউমার, রক্তনালীর রােগ, মাদকাসক্তি, শরীরে খনিজ লবণের ভারসাম্যহীনতা সীসার সীসার বিষক্রিয়া কারণে মৃগী রােগ হতে দেখা যায়. তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃগী রোগের পেছনে কোন খুঁজে পাওয়া যায় না. মৃগীর আক্রমণ দুয়েকদিন পরপর হতে আবার আবার অনেক বছর পরপরও হতে পারে; তবে বিষয়টি চলতে থাকে সারা জীবন ধরে। এমনকি ঘুমের মধ্যেও ইহার আক্রমণ হতে পারে। সাধারণত শারীরিক উত্তেজনা, উজ্জ্বল আলাের ঝলকানি, হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দ শােনা, আবেগ-উত্তেজনা ইত্যাদির ফলে মৃগীর আক্রমণ শুরু হয়.


কোন কোন রােগী কিছু সতর্কীকরণ লক্ষণের (aura) মাধ্যমে বুঝতে পারে যে, এখনই মৃগীর আক্রমণ শুরু হতে যাচ্ছে যাচ্ছে: আবার অনেক রােগীই লক্ষণ না পাওয়ায় আগেভাগে বুঝতে পারে না. সতর্কীকরণ লক্ষণের মধ্যে আছে ভয় লাগা, পেটের মধ্যে অস্বস্তি লাগা, চোখে সর্ষে ফুল দেখা, মাথাঘুরানি, অদ্ভুত গন্ধ পাওয়া. . অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের খিচুনি থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে পারে কিছু সময়ের জন্য ঝিমানি আসে অথবা মাথা এলােমেলাে হতবুদ্ধি হয়ে যায়. বিভিন্ন ধরণের লক্ষণের ভিত্তি করে মৃগী রােগকে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়ে থাকে. মৃগীর আক্রমণ হলে তাতে হস্তক্ষেপ করা যাবে না; তবে রােগী যাতে আগুনে পুড়ে পানিতে পানিতে অথবা ধারালাে কোন অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে খেয়াল হবে. পাশাপাশি রােগীর শ্বাস নিতে অসুবিধা হলে মুখের ফেনা পরিষ্কার করে জিহ্বা জিহ্বা করে করে রােগীর বালিশ দিয়ে দিয়ে


এই রােগীদের আগুনের কাছে বা পানিবদ্ধ স্থানে একাকী অবস্থান বিপজ্জনক. সর্বদা সাথে একটি ডাক্তারী সার্টিফিকেট বা মৃগী রােগী 'লেখা একটি লকেট গলায় ঝুলিয়ে রাখা উচিত. মৃগীর আক্রমণ যদি পাঁচ মিনিটের বেশী স্থায়ী হয় অথবা জ্ঞান ফিরার পূর্বেই আবার খিচুনি খিচুনি হয় কিংবা খিচুনি খিচুনি শেষ হওয়ার রােগী বেহুশ হয়ে পড়ে পড়ে থাকে তবে তবে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে হবে. নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রচুর প্রচুর নেওয়া এবং মানসিক চাপমুক্ত থাকা মৃগীর উৎপাত কমাতে সাহায্য সাহায্য করে. রােগের অন্তর্নিহিত কারণটি সনাক্ত করতে পারলে এবং সে অনুযায়ী হােমিও ঔষধ প্রয়ােগ করা গেলে মৃগী মৃগী সম্পূর্ণ স্থায়ীভাবে নিরাময় করা সম্ভব. অন্যথায় ঔষধ প্রয়োগে কেবল রােগের কমিয়ে কমিয়ে রাখা যাবে. (বিঃ দ্রঃ মৃগী রােগ অন্য যেকোন কারণেই খিচুনি হােক কেন তাতে এই অধ্যায়ে বণিত ঔষধগুলাের কোন একটি লক্ষণ মিলিয়ে থাকুন. একই ঔষধ দীর্ঘদিন না খেয়ে বরং অনুযায়ী কয়েকটি কয়েকটি সিলেক্ট করে একটির পর আরেকটি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খান খান.

শিশুদের খিচুনি রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

BUFO RANA: ব্যাঙের বিষ থেকে তৈরী করা ঔষধটি মৃগী রােগের একটি শ্রেষ্ট ঔষধ ঔষধ. মৃগী রােগের খিচুনি যারা দেখেছেন তারা নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন যে যে রােগীর তখনকার এবং লাফালাফির লাফালাফির ব্যাঙের ব্যাঙের আকৃতি লন্থজফের একটা অদ্ভুত মিল মিল আছে. যে-সব যুবক-যুবতী অতিরিক্ত যৌনকর্ম অথবা হস্তমৈথুনের কারণে মৃগী রােগে আক্রান্ত হয়েছেন হয়েছেন তাদের তাদের বিউফো এক ঔষধ. বিউফোর লক্ষণ হলাে মৃগীর আক্রমণের শুরুতে চীৎকার দেওয়া মুখমন্ডল লাল হওয়া এবং মৃগীর আক্রমণ চলে যাওয়ার পরে ঘুমিয়ে যাওয়া. মাঝরাতে, মাসিকের সময়, অমাবশ্যা এবং যৌন উত্তেজনার সময় মূগীর আক্রমণ বেশী. রাতে ঘুমের মধ্যে মৃগীর আক্রমণ বেশী হয় এবং ঘুম ভাঙতেও ভাঙতেও আবার নাও ভাঙতে পারে পারে. তবে ঘুম থেকে ওঠার পরে তার প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুররপুরর রােগী ঠান্ডা বাতাস অপছন্দ কিন্তু গরম রুমে আবার রােগের উৎপাত বৃদ্ধি পায়.


Cuprum Metallicum ইহার প্রধান লক্ষণগুলাে হলাে চক্ষুগােলক উপরের দিকে উল্টে উল্টে যায় যায় হাতের বৃদ্ধাঞ্জলির আক্ষেপ মাথা এবং এবং পায়ের সমস্ত সমস্ত শরীর পেছনের দিকে বেকে যায় খিচনি খিচনি প্রথম হয় হয় আঙুল অথবা পায়ের আঙুলে এবং পরে সারা সারা ছড়িয়ে পড়ে পড়ে দুটি অক্রমণের মধ্যবর্তী সময়ে রােগী অস্থির অস্থির থাকে. ভয় পেলে এবং পানিতে ভিজলে মৃগীর আক্রমণ হয়। ক্রোধ, বদমেজাজ, অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা এই ঔষধের ঔষধের লক্ষণ.


Oenanthe Crocata: ওইন্যান্থ ক্রোকেটা মৃগীর শ্রেষ্ট ঔষধগুলির একটি. ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলাে হঠাৎ সম্পূর্ণ অচেতন হওয়া হওয়া মুখ দিয়ে ফেনা ওঠা ওঠা মুখমণ্ডল লাল এবং ফোলা ফোলা ফোলা দাঁত কপাটি লাগা এবং হাত পা ঠান্ডা যাওয়া যাওয়া. মৃগীর আক্রমণের সময় যাদের বমি হয় অথবা কানের পর্দায় সমস্যা হয় অথবা পুরুষাঙ্গ শক্ত হয়ে থাকে থাকে তাদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযােজ্য.


Hydrocyanic ACID: হিউজের মতে, হাইড্রোসায়নিক এসিড মৃগীর একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং স্প্যাসিফিক ঔষধ নতুন রােগের ক্ষেত্রে সর্বোত্তম সর্বোত্তম ঔষধ. এতে অজ্ঞান হওয়া, মুষ্টিবদ্ধ হাত, কিছু গিলার সময় ভেতরে গরগর শব্দ হওয়া হওয়া শরীর পাথরের মতাে ঠান্ডা হওয়া হওয়া, দাঁত কপাটি লাগা মুখ মুখ ফেনা নির্গত হওয়া হওয়া ঢােক গিলতে না পারা সব লক্ষণই আছে. মৃগীর আক্রমণের পরে ঘুমঘুম ভাব ভীষণ ভীষণ দুর্বলতা অবসন্নতা ক্লান্তি আছে.


Artemisia Vulgaris: ভয় পেয়ে, মনের আবেগ উত্তেজনা থেকে, মাথায় আঘাত পাওয়া, মাসিকের গন্ডগােল, শিশুদের দাঁত ওঠার সময় প্রভৃতি কারণে মৃগীর আক্রমণ আর্টিমিসিয়া ভালগেরিস প্রযোজ্য. ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলাে হলাে ঘনঘন মৃগীর আক্রমণ আক্রমণ হওয়া এমনকি দিনে দিনে কয়েকবার আক্রমণ শেষে গভীর ঘুম পাওয়া এবং এবং দুর্গন্ধযুক্ত দুর্গন্ধযুক্ত রসুনের প্রচুর ঘাম ঘাম হওয়া হালকা মাত্রার মৃগীতেও এটি ফলদায়ক (Petit Mal Seizure). এটি শিশু এবং অসন্ন তরুণীদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কার্যকর.


cicuta virosa ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলাে খিচুনির সময় মাথা পেছন পেছন দিকে বাঁকা হওয়া হওয়া অদ্ভুত ধরণের খাওয়া ইচ্ছা ইচ্ছা হওয়া হওয়া (যেমনকয়লা), এক দৃষ্টিতে কোন দিকে তাকিয়ে থাকা থাকা মাথা এক দিকে কাত হওয়া বা মােচড় দেওয়া সারাদিন বাম হাতে ঝাকুনিদেওয়া ইত্যাদি.


Kali Bromatum; পুরুষদের বেলায় অতিরিক্ত যৌনকর্ম বা হস্তমৈথুন থেকে মৃগী রােগ হলে এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় অথবা মাসিকের কিছু পূর্বে মৃগীর আক্রমণ হলে তাতে ক্যালি ব্রোম প্রযােজ্য প্রযােজ্য. এদের শরীরের ব্রণ থাকে প্রচুর, স্মরণশক্তি দুর্বল, হাত দুটি সর্বদা কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকতে যায়.


Indigo: সাধারণত কৃমির উৎপাতের কারণে মৃগীর খিচুনি হলে ইন্ডিগাে কাজ কাজ করে. ঘনঘন মৃগীর আক্রমণ হলে ব্যবহার করে তার মাত্রা অনেক কমিয়ে আনা যায়. ইন্ডিগাের রােগীদের মৃগীর আক্রমণের পূর্বে মেজাজ থাকে ভীষণ খারাপ আবার মনের দুঃখে তারা রাতের পর রাত একা একা কাদে কিন্তু আক্রমণে পরে তারা ভীতু হয়ে যায় যায়. এদের আক্রমণ শুরু হয় ঠান্ডা থেকে অথবা ভয় পেলে। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে মাথার দিকে গরম ভাপ উঠতে থাকে এবং মাথার ভেতরে খেলানাের মতাে অনুভব হয় হয়. কখনও কখনও চোখে ঝাপসা দেখে। যে-কোন কৃমির ঔষধই গর্ভবতীদের খাওয়ানাে নিষিদ্ধ, তেমনি এটিও. 


Calcarea Carbonica: ক্যালকেরিয়া কার্বের রােগীদের পা দুটি থাকে ঠান্ডা ঠান্ডা মাথা অর্থাৎ কপাল ঘামে বেশী বেশী হাত দুটি থাকে নরম তুলতুলে তুলতুলে এদের ঘাম পায়খানা প্রস্রাব সবকিছু থেকে টক টক আসে এবং এদের স্বাস্থ্য থাকে থাকে. থলখলে মােটা। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে উপরের দিকে ছড়াতে থাকে অথবা তলপেটের দিকে ছড়াতে থাকে ইহার ইহার পরই শুরু হয়. কখনও কখনও মনে হয় হাতের ওপর একটি ইদুর দৌড়াচ্छ১


Causticum: মাসিক অনিয়মিত হওয়ার কারণে মৃগী রােগ হলে অথবা মেয়েদের প্রথম মাসিক শুরু হওয়ার বয়সে রােগ রােগ কষ্টিকাম প্রযােজ্য প্রযােজ্য. তাছাড়া খোলা বাতাসে হাঁটার পড়ে যায় আবার সাথে সাথেই ঠিক হয়ে যায়. অমাবশ্যার সময় যদি মৃগীর আক্রমণ তবে তবে কষ্টিকাম উপকারী. ঘুমের ভেতরে মৃগীর আক্রমণ এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রস্রাব বেরিয়ে যায়. ইহার মানসিক লক্ষণ হলাে অন্যের দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে পারে না.


Camphora: ক্যাম্ফা মৃগী পুরােপুরি নির্মূল করতে না পারলেও মৃগীর আক্রমণ ঠেকিয়ে রাখতে পারে এবং সময়কাল সময়কাল কমিয়ে পারে পারে. এতে সারা শরীরের সাথে সাথে জিহ্বা জিহ্বা চোখ এবং মুখের পেশীতেও খিচুনি হওয়ার লক্ষণ আছে. আক্রমণের পরে বেহুশের মতাে ঘুমাতে থাকে এবং হাত পা পা মাথা বরফের মতাে ঠান্ডা হয়ে যায়.


Silicea: সিলিসিয়া ঔষধটি যাদের হাড়ের বৃদ্ধিজনিত সমস্যা আছে অর্থাৎ রিকেটগ্রস্থ ক্ষেত্রে ভালাে ভালাে করে. ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে থাকে এবং শরীরের বাম পাশে শীত শীত বােধ হওয়া বা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া এই ঔষধের একটি উল্লেখযােগ্য লক্ষণ লক্ষণ. মানসিক চাপ আবেগ আবেগ উত্তেজনার কারণে আক্রমণের সূচনা হয় এবং অমাবশ্যা পূর্ণিমায় আক্রমণের আক্রমণের বেড়ে বেড়ে যায়. এই ঔষধের মেরুদন্ডের সাথে কোন কোন রােগ লক্ষণ থাকবেই.


NUX VOMICA: যারা অধিকাংশ সময়ে বদহজমে ভােগে, বদমেজাজী এবং অল্প শীতেই কাতর হয়ে পড়ে এটি এটি ক্ষেত্রে ভালাে কাজ করে. ইহ র সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে থাকে এবং মুখের ওপর পােকা হাঁটতেছে মনে হয় হয়.


Plumbum Metallicum: প্লামবামের মৃগীর আক্রমণের সূচনা হয় হাই তােলা অথবা মাথাঘুরানির মাধ্যমে এবং আক্রমণের শেষে মনের অবস্থা হয় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অর্থাৎ রােগীর আক্কল বুদ্ধি বুদ্ধি ফিরে পেতে অনেক লাগে. আক্রমণের পরে মাথা ডান দিকে কাত হয়ে থাকে। মাথার রক্তনালীর রােগ এবং ব্রেন টিউমারের কারণে মৃগী হলে প্রযােজ্য. সাথে যদি পুরনাে কোষ্টকাঠিন্য এবং ব্যথার সমস্যা সমস্যা থাকে তবে অবশ্যই প্রয়ােগ প্রয়ােগ করতে


Sulphur: কোন চর্মরােগ (যা থেকে পুঁজ বের হতাে হতাে কড়া ঔষধ ব্যবহার করে চাপা দেওয়ার ফলে মৃগী রােগ সালফার প্রযােজ্য. সালফার সেই চর্মরােগ ফেরত আনবে এবং ভেতর থেকে তুলবে এবং এবং সাথে মৃগীকেও বিদেয় করবে করবে. কাজেই দেখা দেখা দেওয়ার পুর্বে যাদের নানা চর্মরােগ হওয়ার ইতিহাস ইতিহাস আছে তাদের প্রথমেই কিছুদিন সালফার খেয়ে উচিত. তাছাড়া সালফারের প্রধান প্রধান লক্ষণগুলাের ऍের ऍের ऍের ऍের ऍের ऍের ऍের ऍের ऍের ऍের ऍের ऍের ऍের সকাল 11 টার দিকে ভীষণ খিদে পাওয়া পাওয়া শরীর গরম গরম লাগা রােগ রাতে বৃদ্ধি পাওয়া পাওয়া রােগ গরমে বৃদ্ধি পাওয়া মাথা গরম গরম কিন্তু ঠান্ডা ঠান্ডা মাথার মাথার পায়ের তালুসহ শরীরে ইত্যাদি ইত্যাদি.


Hyoscyamus Niger: হায়ােসায়েমাসের প্রধান প্রধান লক্ষণগুলাে হলাে মুখের পেশীতে খিচুনি বেশী হওয়া হওয়া অট্টহাসি অট্টহাসি চীৎকার হৈহুল্লোর করতে ইচ্ছে হওয়া, দুঃখবােধ, মানুষকে সন্দেহ করা নগ্ন নগ্ন ইচ্ছা ইত্যাদি ইত্যাদি.


Agaricus Muscarius: এগারিকাসের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলাে মৃগীর আক্রমণের পরে মাথায় নানা রকমের চিন্তার জোয়ার এসে যায় যায় বকবকানি বকবকানি দীর্ঘস্থায়ী মাথা ঘুরানি খোলা খোলা হাটার সময় মৃগীর হওয়া হওয়া.


Belladonna তাপ, লাল রঙ এবং জ্বালাপােড়া হলাে বেলেডােনার তিনটি প্রধান লক্ষণ. যদি সারা শরীর গরম যায় যায় মুখ লাল হয়ে যায় এবং শরীরে জ্বালাপােড়া হয় হয় তবে বেলেডােনা হবে. আলাে, নড়াচড়া, গােলমাল এবং ঝাকুনিতে রােগের তীব্রতা পায়.


Absinthium জিহ্বা, হৃৎপিন্ড প্রভৃতি কাপতে থাকে। মুখ বিকৃত করা, জিহ্বা কামড়ে ধরা, মুখে রক্তযুক্ত ফেনা, পুরােপুরি অজ্ঞান হওয়া হওয়া হঠাৎ করে তীব্র মাথা ঘুরানি আক্রমণের আক্রমণের বুদ্ধিহীনতা এবং স্মরণশক্তি নষ্ট হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ এতে আছে আছে.

Cimicifuga / ACTEA RACEMOSA: সিমিসিফিউগার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) হলাে মাথার ভেতরে ঢেউ অনুভুতি অনুভুতি. অন্যান্য লক্ষণের মধ্যে আছে বিষন্নতা বা মনমরা ভাব ভাব ঘাড়ের পেছনে ব্যথা বিভিন্ন জয়েন্টে বাতের সমস্যা বেশী হওয়া ইত্যাদি.


Armonium Bronatum: এমন ব্রোমের সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) হলাে অজ্ঞান হওয়ার অথবা দম বন্ধ হওয়ার অনুভুতি যা পেটের ওপরের অংশে শুরু হয়ে বুকের পাশে পাশে এবং গলার যেতে থাকে থাকে. .


Argentum Nitricum: ভয় পেয়ে বা মাসিকের সময় মৃগীর আক্রমণ হলে তাতে আর্জেন্টাম প্রযােজ্য প্রযােজ্য. মৃগীর আক্রমণের কয়েক দিন অথবা কয়েক ঘণ্টা পূর্ব থেকেই থেকেই চোখের তারা প্রসারিত হয়ে থাকে থাকে আক্রমণের পরে রােগী খুবই অস্থির থাকে এবং তার হাত কাপতে থাকে থাকে কঙ্কালসার কঙ্কালসার শিশুকে মনে হয় বৃদ্ধের মতাে মতাে জোরে হাঁটার ইচ্ছা মিষ্টি মিষ্টি খাবারের প্রতি ভীষণ লােভ ইত্যাদি.

Asterias Rubens মুখ লাল হয়ে যায় মাথা মাথা হয়ে যায় এবং মনে হয় মাথার চারদিকের বাতাস গরম হয়ে গেছে. পায়খানা শক্ত থাকে এবং মাথার ভিতরে ইলেকট্রিক মতাে মতাে ব্যথা


Cuprum ACeticum: ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) হাটুতে শুরু হয়ে তলপেটের দিকে যায় এবং তখন অচেতন হয়ে পড়ে.

Share This

0 Response to "খিচুনি রোগের হোমিও চিকিৎসা"

Post a Comment

Popular Posts

Subscribe Us