Sunday, November 7, 2021

Kali bromatum (কেলি ব্রোমেটাম)


Kali bromatum,কেলি ব্রোমেটাম লক্ষণ,কেলি ব্রোমেটাম 30,200,


১। স্মৃতিশক্তিহীনতা, রজনীভীতি, অদম্য রোদনের আবেশ।

২। সহজে ভুলে যায়, কপালে ভারবোধসহ বধিরতা।
৩। যৌবনে অনেকের মুখে একপ্রকার ব্রণ বা স্ফোটক বের হয়।
৪। তোৎলা কথা বলে এবং অতি ধীরে কথা বলে, স্নায়ুপ্রধান এবং অস্থির।

Kali bromatum (কেলি ব্রোমেটাম) লক্ষণ:
১. স্নায়ুবিক অস্থিরতা ও দূর্বলতা, স্মৃতিহীন, ভীতিজনক স্বপ্ন দেখে, একা থাকতে ভয়, বিষন্ন, অত্যন্ত খিটখিটে। বিষয় সম্পত্তি, মান মর্যাদা, ব্যবসা ইত্যাদি নষ্ট হইবার কিংবা দুঃখ নিবন্ধন অস্থিরতা, অনিদ্রা ও ভয়।
২. সর্বদা কামচিন্তা করে এবং রাত্রে কামোদ্দীপক স্বপ্ন দেখিয়া রেত:পাত হয়। অত্যন্ত অস্থিরতা, কিছুতেই একস্থানে থাকিতে পারে না, কোন কাজে সর্বদা নিযুক্ত থাকা চাই। উন্মত্ততা।
৩. সর্বদাই ঘুমাইতে চাহে, দিবাভাগে ও জাগিয়া থাকিতে পারে না। অধিক নিদ্রালুতা। দুশ্চিন্তা, শোক এবং অধিক কাম চরিতার্থ করিবার জন্য নিদ্রাহীনতা। রাতে ভয়। ঘুমালে দাঁত কড়মড় করা। দু:স্বপ্ন। ঘুমের ঘোরে বেড়ান।
৪. দূর্দমনীয় কামভাব ও তজ্জন্য উন্মাদভাব, মৃগী।
৫. ঋতুকালে কামভাব অত্যধিক বৃদ্ধি পায়।
৬. লম্বা, চওড়া চেহারা ও মোটা ব্যক্তি, স্নায়ু প্রধান।
৭. শিশুরা ঘুমাইতে ঘুমাইতে ভূতের ভয় দেখিয়া চিৎকার করিয়া উঠে, দাঁত কড়মড় করে।
৮. নিদ্রাহীনতা, স্নায়ুবিকতার জন্য অনিদ্রা।
৯. আহারের চেষ্টা করিলে পাকস্থলীতে তীব্র চাপবোধ।
১০. সমস্ত শরীরে যেন কিছু ফোটাইতেছে এমন অনুভব।
১১. আহারে অনিচ্ছা, খাওয়া শেষে তীব্র পিপাসা।
১২. গরমকাতর।
১৩. গরম ঘরে শীত করে।
১৪. হাত সর্বদাই নাড়ে।
১৫. সব রকম পটাশ লবনের মত ইহা হৃৎপিন্ডকে দূর্বল করে দেয় এবং গাত্রতাপ কমিয়ে দেয়। এ ঔষধ
খেতে খেতে ব্রোমিনের বিষক্রিয়া দেহে প্রকাশ পায়।
১৬. মনে হয় যেন অন্ত্রগুলি বিবাদমান। শিশুদের কলেরা, সাথে রোগশক্তি স্থানান্তরিত হয়ে মাথার উপদাহ সৃষ্টি করে, সংগে প্রত্যাঙ্গাদির উল্লফন এবং পেশীর স্পন্দন। সবুজ জলবৎ মল, সাথে প্রবল পিপাসা, বমি, চোখের কোটরাগত অবস্থা। অবসন্নতা। তলপেটের ভিতরে শীতলতা বোধ। অত্যধিক রক্তের সাথে উদরাময়। তলপেটের ভিতর দিকে আকর্ষণ।
১৭. মূত্রনালীর অনুভূতি হ্রাস। প্রস্রাব পরিমাণে অধিক, সাথে পিপাসা।
১৮. গরমে, রাত্রে, নিদ্রাকালে, অমাবশ্যায়, টাইফয়েডের পর, গর্ভাবস্থায়, প্রসবের পর, দাঁত উঠিবার
সময়, জলে, বিশ্রামে, রাত্রি ২/৩টার পর হতে প্রাত:কাল পর্যন্ত, সঙ্গম কার্যের পর, গ্রীষ্মকালে, গরমের
দিনে, প্রত্যেক রাত্রি ৫টায় শিশুদের অ¤শূল, শয়নান্তে কাশি ও মস্তক অবনত করিলে মাথাঘোরা- বৃদ্ধি।
১৯. কার্যে অন্যমনষ্ক থাকিলে, শীতল বায়ুতে- উপশম।
২০. হাত ও হাতের আঙ্গুল সর্বদা নাড়তে থাকে, হাত দুটো যেন অস্থির ।
২১. পিতৃপুরুষাগত উপদংশ সম্ভূত টিউবারকুলার পীড়া, ঋতুর ২/১দিন পূর্বে শুক্লপক্ষে মৃগীরোগ। ঋতুকালে কামভাব অত্যধিক বৃদ্ধি পায়।
২২. ভয়, রাগ অথবা অত্যধিক আনন্দ বশত: এবং প্রসবকালীন, দন্তোদগম কালীন ও হুপিং কাশি
ইত্যাদিতে আক্ষেপ।
২৩. তোৎলা কথা, ধীরে ধীরে অতি কষ্টে কথা কহে।
২৪. গর্ভাবস্থায় ভয়ঙ্কর অবিরাম শুষ্ক কাশি, তাহাতে যেন গর্ভস্রাবের উপক্রম হয়।
২৫. ইহা অতি সহজে নষ্ট হয়ে যায়- মনে রাখবে। খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে লবণ না দিলে এ ঔষধ বেশী
কার্যকরী।
২৬. প্রত্যেক কেলিজাতীয় ঔষধে, রাত্রি ২/৩টা হইতে ভোরের দিকে বৃদ্ধি, বিশেষত: রাত্রি
২টায়। গ্রীষ্মকালে ও গরমের দিনে প্রায়ই বৃদ্ধি থাকে। সঙ্গমকার্যের পর বৃদ্ধি – প্রত্যেক কেলিতেই নির্দিষ্ট।
২৭. রোগী কেবল সঙ্গম চিন্তা করিয়া ও শুক্র নানা উপায়ে ক্ষয় করিয়া, শেষে স্নায়ুবিক লক্ষণযুক্ত অর্থাৎ
দূর্বল ও অস্থির হইয়া পড়ে।
২৮. শারীরিক ও মানসিক অবস্থার সংগে সর্বদাই একটি স্নায়ুবিক অস্থিরতা থাকে, হাতের অঙ্গুলিগুলি স্থির রাখিতে পারে না সেগুলি সঞ্চারিত হইতে থাকে, পদগুলিও স্থির থাকে না Ñসর্বদাই সঞ্চারণ না করিয়া রোগী যেন অস্বস্থি অনুভব করে। রোগী যতই বিষন্ন ভাবাপন্ন হউক না কেন, তাহার ঐ স্নায়ুবিক অস্থিরতাটি থাকেই থাকে।
২৯. বাতুলতা (অনিদ্রা), মন্তিষ্কের দূর্বলতা, কলেরা, হাইড্রোকেফালস, মস্তিষ্কের রক্তশূন্যতা, স্বপ্নদোষ ও ধাতু দৌর্বল্য, স্নায়ুদৌর্বল্য, ব্রেন ফ্যাগ, একজিমা ও ব্রন, স্ত্রী-ব্যাধি, নিদ্রায় ভয় পাওয়া, মৃগী, কাশি,
হিক্কা, প্রস্রাবের পীড়া, সীসকদোষ দূর করে।

0 Comments: