Sunday, September 26, 2021

Apis Mell - হোমিওপ্যাথিক ঔষুধ এর উপকারিতা & ঘন ঘন ফোড়া উঠার কারন



 ১। মূত্রস্বল্পতা ও মুত্রকষ্ট। 


২। জ্বালা ও ফোলা, চোখরে নম্নিপাতা ফোলা। 


৩। র্স্পশকাতরতা ও গরমকাতরতা। 


৪। সূচীবদ্ধিবৎ বদেনা। পপিাসাহীনতা। 


# মূলকথাঃ 


১। মৌমাছি হুল ফুটালে যেরূপ জ¦ালা যন্ত্রণা হয়, সেরূপ জ¦ালা যন্ত্রণা, অত্যন্ত স্পর্শকাতরতা, রোগ লক্ষণ সমূহ তীব্য ও দ্রুতবেগে আসে। 


২। সমস্ত শরীরে বা চোখের নিচের পাতায় শোথ বা ফোলা। 


৩। তৃষ্ণার অভাব, ঘামের অভাব, প্রস্রাবের পরিমাণ কম। 


৪। অত্যন্ত বিমর্ষ ও অতি সহজেই কেঁদে ফেলে, যেন না কেঁদে থাকতে পারে না, খিটখিটে স্বভাব, অত্যন্ত ব্যস্ত ও চঞ্চল। 


৫। কোন কাজ করতে গেলে হাতের জিনিস পরে যায়। 


৬। ডিম্বকোষে থেঁৎলানো বেদনা। 


# উপযোগতিা ঃ 


* গন্ডমালাধাতু বশিষ্টি যাদরে গালগলার গ্লাণ্ড ফোল, গ্রন্থি বা গ্লাণ্ড বৃদ্ধি ও শক্ত হয়। সরিাস ক্যান্সার বা খোলা ক্যান্সার যা শক্ত ফাইব্রাস তন্তু থকেে উৎপন্ন। 


* স্ত্রীলোক বিশেষত বিধবাদের উপর্সগ, শিশু ও বালিকা, যদিও সর্তক তবুও সময়ে আপটু হয়ে পড়-ে জিনিষপত্র নাড়াচাড়ার সময় হাত থকেে অজান্তে পড়ে যায় (বোভষ্টিা)। 


# রোগের উৎপত্তি বা কারণ ঃ 


তরুণ উদ্ভদে সর্ম্পূণভাবে দখো না দলিে বা চাপা পড়ার কুফলে (জঙ্কিাম), হাম, স্কারলটে জ্বর, শীতপত্তি, হিংসা, ভয়, রাগ, বিরক্তি, দুঃসংবাদ হতে উৎপন্ন রোগ। 


# মানসিক লক্ষণ ঃ 


* খিটখিটে, স্নায়ুবিক, চঞ্চল-তাকে সন্তুষ্ট করা কঠিন। কাঁদো ভাব-না কেঁদে থাকতে পারে না। সাহসশুন্য হতাশাভাব (পালস)। 


* জাগা বা ঘুমানো অবস্থায় শিশু হঠাৎ জোরে মর্মভেদী চিৎকার করে উঠে (হেলিবো)। 


# শোথঃ 


* চোখের নীচের পাতায় থলির মত ফুলে থাকে (উপর পাতায় ফোলা-কেলি-কার্ব); হাতে পায়ে ফোলা, শোথ কিন্তু পিপাসাহীন (শোথ কিন্তু পিপাসা থাকে-এসিড এসেটিক, এপোসাই)। 


* সর্বাঙ্গীন শোথ ও উদরী রোগে তৃষ্ণা থাকে না (এসিড এসেটিক-যাতে মুখ মোমের মত ফ্যাকাশে ও অত্যন্ত তৃষ্ণা থাকে)। 


# ব্যাথা বেদনাঃ 


* বেদনা জ¦ালাযুক্ত হুল বেঁধার মত, ক্ষতবৎ-হঠাৎ এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় সরে যায় (কেলি-বাই, ল্যাক-ক্যা, পালস)। 


* অত্যন্ত স্পর্শানুভূতি (বেল, ল্যাকে)। 


# প্রস্রাবঃ 


প্রস্রাব চাপতে পারে না সেই সাথে মূত্রপথে অত্যন্ত প্রদাহ-এক মূহুর্তও অপেক্ষা করতে পারে না। মূত্রত্যাগের সময় মূত্রপথে গরমে ঝলসে যাওয়ার মত জ¦ালা হয়। প্রস্রাব বারেবারে কিন্তু পরিমাণে অল্প, রক্তাক্ত, যন্ত্রণাদায়ক। 


# কোষ্ঠবদ্ধতাঃ 


যেন পেটে কিছু চাপ বেধে আছে, জোরে চাপ দিলে যেন পেট ফেটে যাবে। 


# উদরাময়ঃ 


চর্মরোগ বা উদ্ভেদযুক্ত রোগে বিশেষত উদ্ভেদ চাপা পড়ে থাকে, মাতালদের একটু নড়াচড়ায় অসাড়ে মলত্যাগ-মনে হয় মলদ্বার যেন খোলা রাখা আছে (ফস)। 


# অবিরাম জ্বরঃ 


শীতভাব আসে বেলা ৩টায় সেই সাথে পিপাসায় (ইগ্নে), গরম ঘরে বৃদ্ধি, উত্তাপে বৃদ্ধি (থুজা-বেলা ৩টায় ও রাত ৩টায় বৃদ্ধি) 


# বৃদ্ধিঃ ঘুমের পর (ল্যাকে), বন্ধ ঘর বিশেষকরে গরম ও উত্তপ্ত ঘর রোগী সহ্য করতে পারে না, পানিতে ভিজে বৃদ্ধি (রাসটক্স) কিন্তু পানিতে শরীর ধৌত করলে ও আক্রান্ত স্থান পানিতে মুছলে উপশম হয়। 


# উপশমঃ খোলা বাতাসে, ঠান্ডা পানিতে গোছলে, গায়ের কাপড় খুলে ফেললে, হাঁটাচলায় ও স্থান পরিবর্তনে, সোজা হয়ে বসলে। 


# সম্বন্ধঃ 


* সাদৃশ্য-স্কারলেট ফিভার ও এলবুমেনযুক্ত প্র¯্রাবে ক্যান্থারিস, ডিজিটালিস, হেলিবোরাস ব্যর্থ হলে এপিস মেল দ্বারা রোগ সেরে যায়। 


* অনুপুরক-নেট-মিউর 


* অনিষ্টকারক-রাসটক্সের আগে বা পরে চলে না। 


* পরবর্তী-এপিসের পর আর্সেনিক ও পালসেটিলা ভাল কাজ দেয়। 


শক্তি-৬, ৩০, ২০০ 


সূত্র-এলেন কিনোটস অব মেটিরিয়া মেডিকা

0 Comments: