১২টি বায়োকেমিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত পরিচয়

Recents in Beach

যে কোন জীব-জন্তু দংশনের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

Random Posts

Technology

"ব্রেকিং নিউজ" চোখ উঠা
Welcome To BD HomeoPathic

ঔষধ কেনার নিয়ম-কানুন?

 


জার্মানী, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সুইজারল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত প্রভৃতি দেশে হােমিওপ্যাথিক ঔষধ তৈরী হয়ে থাকে। বাংলাদেশ প্রায় আটাত্তরটির মতাে হােমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রস্তুতকারী কোম্পানী আছে। হােমিওপ্যাথিক ঔষধ কেনার সময় দোকানদারকে বলবেন জার্মানীর অথবা আমেরিকান ঔষধ দেওয়ার জন্য। কেননা জার্মানীর এবং আমেরিকান ঔষধের কোয়ালিটির ওপর স্বারই আস্থা আছে। হােমিওপ্যাথিক মূল ঔষধটি তৈরী করা হয় তরল আকারে। কিন্তু সেগুলাে রােগীদের দেওয়া হয়ে থাকে পানিতে মিশিয়ে, (চিনির) বড়িতে মিশিয়ে, দুধের পাউডারে মিশিয়ে কিংবা অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি মূল ঔষধটিও দেওয়া হয়। তবে সরাসরি মূল ঔষধটি কেনা বা খাওয়া উচিত নয়। কেননা এতে ঔষধ বেশী খাওয়া হয়ে যায়; ফলে তার সাইড-ইফেক্টও বেশী হতে পারে। তাছাড়া শিশির কর্ক টাইট করে লাগাতে ভুলে গেলে ঔষধ উড়ে যায় এবং মুখ খুলে বা শিশি ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে গেলে সেগুলাে আর উঠানাে যায়। কাজেই ঔষধ চিনির বড়িতে কেনা এবং খাওয়াই বুদ্ধিমানের পরিচায়ক। এক ড্রাম, দুই ড্রাম, হাফ আউন্স, এক আউন্স ইত্যাদি পরিমাণে ঔষধ ক্রয় করবেন।

ঔষধ কেনার সময় এই ভাবে বলতে হবে ডাক্তার সাহেব ! আমাকে অমুক ঔষধটি অমুক শক্তিতে (যেমন Nux vomica 30) বড়িতে এক ড্রাম দেন। (কারণ হােমিওপ্যাথিক ঔষধের যারা ব্যবসা করেন তারা সবাই গভার্নমেন্ট রেজিষ্টার্ড হােমিওপ্যাথিক ডাক্তার।)

Share This

0 Response to "ঔষধ কেনার নিয়ম-কানুন?"

Post a Comment

Popular Posts