Add You Website & Start Your Earning

Sunday, January 23, 2022

অতিরিক্ত উত্তেজনা কমানোর হোমিও ঔষধ

 

 



যৌনশক্তি বৃদ্ধির জন্য Origanum, Acidum picricum, kali Bromatum, Nux Vomica, Calcarea Carbonica, Lycopodium অথবা Diamina (শক্তি Q,৩,৬) প্রতিদিন দশ ফোটা করে দুইবার হিসাবে কয়েক মাস খেতে পারেন (মাঝে মাঝে দুয়েক সপ্তাহ গ্যাপ দিয়ে নিবেন)।


যা যৌনমিলনে কোন আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পর বীর্য নির্গত হয় না, তারা Caladium, calcarea Carbonica অথবা selenium (শক্তি কিউ, ৩,৬,১২,৩০) খান প্রতিদিন তিনবেলা করে এক সপ্তাহ।


পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য Staphisagria (অতীতে যৌন অনাচার), Lycopodium (যাদের পেটে গ্যাস হয়) অথবা Argentum Nitricum (মিষ্টি খাবার বেশী পছন্দ করে) [শক্তি ২০০] সপ্তাহে একমাত্রা করে কয়েক মাস খান।


মহিলাদের মাত্রাতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platina, baryta Muriaticum অথবা Salix Nigra (শক্তি কিউ, ৩,৬,১২,৩০) প্রতিদিন দশ ফোটা করে দুই বেলা করে পনের দিন খান।


পুরুষদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Salix Nigra অথবা baryta Muriaticum (শক্তি ২০০) দুই বেলা করে পনের দিন খান।


অবিবাহিত মেয়েদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platina (শক্তি ৩০, ২০০) দুই বেলা করে কিছুদিন খেয়ে পরে শক্তি বাড়িয়ে খেতে পারেন।


যৌনকর্ম আর ব্যায়াম একই ফল দিয়ে থাকে। যারা বিয়ে করতে পারছেন না অথবা স্বামী-স্ত্রীর কাছ দূরে আছেন, তারা ব্যায়াম করুন। এতে যৌন উত্তেজনার হাত থেকে রেহাই পেয়ে যাবেন। হ্যা, এমনভাবে ব্যায়াম করুন যাতে আধা লিটার ঘাম বের হয়।


• মহিলাদের যৌন মিলনে বিতৃষ্ণা দূর করতে Ignatia করে দুইবেলা করে পনের দিন খান। অথবা Lycopodium (শক্তি কিউ, ৩,৬, ১২,৩০) পাঁচ ফোটা


যে-সব নারীরা পুরুষদের আলিঙ্গন করলেই বীর্যপাত হয়ে যায় (সহবাস ছাড়াই) অর্থাৎ অল্পতেই তাদের তৃপ্তি ঘটে যায় এবং পরে আর সঙ্গমে আগ্রহ থাকে না, তাদের জন্য উৎকৃষ্ট ঔষধ হলো Natrum Carbonicum . এই কারণে যদি তাদের সন্তানাদি না হয় (অর্থাৎ বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়), তবে নেট্রাম কার্বে সেই বন্ধ্যাত্বও সেরে যাবে।


বিয়ের প্রথম কিছুদিনে মেয়েদের প্রস্রাব সম্পর্কিত অথবা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে Staphisagria নামক ঔষধটি খেতে পারেন। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত রোগে এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কার্যকর।

বুকের দুধ বৃদ্ধির হোমিও ঔষধ

 


যে-সব নারী শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান, তাদের বুকে যথেষ্ট দুধ উৎপন্ন না হলে অনেক সময় শিশুদের জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যায়। এজন্য ঔষধের পাশাপাশি দুধ, কলা, মিষ্টি, গুড়া মাছ প্রভৃতি খাবারও যথেষ্ট পরিমাণে খাওয়া উচিত। ঔষধ নিম্নশক্তিতে অর্থাৎ মদিার টিংচার (2) শক্তিতে ২০ ফোটা করে আধা গ্লাস পানিতে মিশিয়ে রােজ দুইবার করে কমপক্ষে তিনদিন খাওয়া উচিত। (সতর্কতা ঔষধ সবচেয়ে নিম্নশক্তিতে অর্থাৎ মাদার টিংচার (৫) শক্তিতে খাবেন। অন্যকোন উচ্চতর শক্তিতে খাবেন অন্যথায় দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি না পেয়ে বরং আরো কমে যাবে।


Urtica Urens : আর্টিকা ইউরেন্স ঔষধটি বুকের দুধ বৃদ্ধির জন্য একটি অসাধারণ ঔষধ। Ricinus communis; স্তনে দুধের উৎপাদন বৃদ্ধিতে রিসিনাস ঔষধটি শ্রেষ্টত্বের দাবীদার। এটি এমনকি কুমারী এবং বিধবাদের স্তনেও দুধ আনতে পারে।


Pulsatilla Pratensis : পালসেটিলা ঔষধটিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে পারে। ঠান্ডা মেজাজী এবং কথায় কথায় চোখ দিয়ে পানি ঝরে এমন মেয়েদের ওপর এটি বেশী কাজ করে।


পক্ষান্তরে স্তনদুগ্ধ হ্রাস করতে বা শুকিয়ে ফেলতে Chionanthus Virginica, Fragaria Vesca, Lac Caninum ঔষধগুলাের যে-কোন একটি (৩০ বা ২০০ শক্তিতে) রােজ তিনবেলা করে কিছুদিন খান।

অন্ডকোষ ঝুলে যাওয়ার হোমিও চিকিৎসা


এই ব্যাপারটা যখন আমি প্রথম জানতে পারি তখন খুবই আশ্চর্য হয়ে যাই স্রষ্টা আমাদেরকে কত যত্ন করে বানিয়েছেন কি সুন্দর তার সৃষ্টি!!


পুরুষাঙ্গ বৃদ্ধির উপায় হোমিও চিকিৎসা

 

Damiana 3x


গাইনিকোলজি (স্ত্রীরোগ বিদ্যা) ও মিডওয়াইফারী (ধাত্রী বিদ্যা): পাঠ্যক্রম ও সহায়কগ্রন্থ

 গাইনিকোলজি বা স্ত্রীরোগ বিদ্যা:-

Wednesday, December 22, 2021

homeopathy medicine for sex

 

Bufo Rana ,বিউফো রানা-homeopathy medicine for sex


পরিচায়ক লক্ষণ:

বুদ্ধিবৃত্তির খর্বতা, সর্বদা নির্জনতা ভালবাসে, হস্তমৈথুনের অদম্য ইচ্ছা।
গরমকাতর এবং ক্রোধী, নির্দিষ্ট সময়ে রোগাক্রমন, পদদ্বয়ে ঘাম।
শীতকাতর হইলেও মাথা ব্যথা এবং মৃগী গরমেই বৃদ্ধি পায়।
মৃগী রাত্রে বৃদ্ধি, নিদ্রায় বৃদ্ধি, গরমে বৃদ্ধি।
জ্বালা, ক্যান্সারের স্রাব অত্যন্ত দূর্গন্ধযুক্ত।
দু-চার গ্রাস খাইলে পেটটি পরিপূর্ণ হয়, চিনির শরবতে অদম্য ইচ্ছা।

চরিত্রগত লক্ষণ:
  • হস্তমৈথুনের অদম্য ইচ্ছা। হস্তমৈথুনের জন্য নিরালা স্থান খোঁজে।
  • বুদ্ধি বৃত্তির খর্বতা। মনটি একেবারে লজ্জাহীন, নীচতায় ও কাপুরুষতায় পরিপূর্ণ।
  • সর্বদা নির্জনতা ভালবাসে কিন্তু একা থাকতে ভয় পায় ও দূর্বল চিত্ত, অতিশয় ক্রোধী কিন্তু ক্রোধান্বিত হইলে মুর্ছা দেখা দেয়।
  • গান বাজনা অসহ্য এবং প্রতিটি সামান্য শব্দেই রোগী যাতনা বোধ করে। অপরিচিত ব্যক্তি এবং জন্তুর প্রতি ভয়।
  • বিষন্নতা।জড়বুদ্ধিভাবই বেশী।মনটি যেমন সর্বসময়ের জন্য কামচিন্তায় নিমগ্ন, হাত দুইটিও তেমন সর্ব সময়ের জন্য লিঙ্গস্থানে লাগিয়াই থাকে।
  • মাদক দ্রব্যের আকাঙ্খা। চিনির সরবৎ ও মিষ্ট পানীয় খাইবার জন্য ইহার অদম্য স্পৃহা।
  • পদদ্বয়ে ঘাম।ঐ ঘামে দূর্গন্ধ না থাকিলেও সামান্য দূর্গন্ধ ইহার প্রায় সকল প্রকার স্বাভাবিক স্রাবেই বর্তমান থাকে।
  • শীতকাতর। আঘাত লাগলে, আক্রান্ত স্থান পেকে উঠে।জ্বালা, প্রদহান্বিত স্থানটিতে অতিশয় জ্বালা।
  • সময়ে সময়ে জননেন্দ্রিয় উত্তেজিত অবস্থায় থাকে কিন্তু রোগীর হীনপ্রবৃত্তি থাকে, সর্বদাই তার জননেন্দ্রিয়ে হাত দেবার ঝোঁক থাকে। অনিচ্ছা সত্বেও শুμস্রাব দ্রুত সংঘটিত হয়,সঙ্গমকালে আক্ষেপ।
  • গরম ঘরে, চুল্লীর কাছে থাকলে, ঘুম ভাঙ্গিলে, সংগীতে, নিদ্রার মধ্যে, অতি সামান্য প্রকারের শব্দে, নির্দিষ্ট সময়ে, প্রতি পূর্ণিমায় ও আমাবশ্যায় বৃদ্ধি।
  • সড়বানে,ঠান্ডা গৃহে, রক্তস্রাবে, শীতল বাতাসে, গরম পানিতে পা ডুবাইয়া রাখিলে উপশম।
  • শীতকাতর হলেও মাথা ব্যথা এবং মৃগী গরমে বৃদ্ধি পায়।
  • দুই এক গ্রাস খাইবার পরই পেট ভরিয়া যায়।
  • হাতের তালুতে পায়ের তলায় ফোস্কার ন্যায় উদ্ভেদ।
  • আক্ষেপকালে সর্বাঙ্গ গরমে সিক্ত হইয়া যায়।
  • দুর্গন্ধ ক্ষত, গ্লান্ডের বিবৃদ্ধি, বাগী।
  • মৃগী রাত্রে বৃদ্ধি, নিদ্রায় বৃদ্ধি, গরমে বৃদ্ধি।
  • স্তনে ক্যান্সারের মত ক্ষত। স্তনদুগ্ধ রক্ত মেশান।
  • ঋতু স্রাব খুব শীঘ্র শীঘ্র হয়, জলের মত তরল প্রদর স্রাব, ঋতুস্রাব কালে ও সঙ্গমের সময় মৃগীর মত ফিট। ঋতুকালে মৃগীরোগ।ঋতু লুপ্ত।ঋতু শির:পীড়ার সাথে অতি সত্বর । জরায়ু ও যোনিপথে জ্বালা। ঋতুর সময় আক্রমণ বৃদ্ধি পায়।ঋতুকালে যকৃতে সঙ্কোচনবৎ বেদনা।
  • স্রাব অত্যন্ত দূর্গন্ধ যুক্ত। রক্তময় দূর্গন্ধ প্রদর স্রাব। হরিদ্রাবর্ণ তরল প্রদর স্রাব।
  • সর্বপ্রকার রোগেই বক্ষের মধ্যে জ্বালা থাকে।
  • এই ধাতুর লোক সম্ভবত বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত বাঁচবে না, সম্ভবত চল্লিশ বৎসর বয়সেই ভেঙ্গে পড়বে।
  • ২০০ শক্তির নিম্নশক্তি মনোস্তরটি স্পর্শ করিতে পারে না।
  • সাইকোটিক দোষের প্রাধান্য হেতু ইহার মনটি যৌনের প্রারম্ভ হইতেই ঐ প্রকার অবস্থা প্রাপ্ত হয় এবং ঐ ভাবটি চলিতে চলিতে যৌবনের শেষে রোগী টিউবারকুলার অবস্থা প্রাপ্ত হইয়া শীর্ণতা ও শুষ্ক জাতীয় ক্ষয় পীড়ায় মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
  • স্ত্রী জননেন্দ্রিয়ে জ্বালাই সর্বপ্রধান লক্ষণ,ডিম্বকোষে ও জরায়ুতে জ্বালা। কোন বাধক রোগিনীর বাধক দেখা দেবার পূর্বেও ঋতুকালে ডিম্বকোষে ও বস্তি প্রদেশে জ্বালা থাকলে চিকিৎসার পক্ষে কষ্ঠসাধ্য লক্ষণ হবে। জননযন্ত্রে, ডিম্বকোষে জ্বালা ও বিদীর্ণকর ,ছিনড়বকর বেদনা -তা উরু দিয়ে নেমে আসে।
  • হস্তমৈথুন, প্রদরস্রাব, স্তনে শক্ত গ্লান্ড, শিরাস্ফীতি, মৃগী, চর্মপীড়া, হাঁপানি, স্ত্রী পীড়া, দুর্গন্ধ ক্ষত, যক্ষা, ভগন্দর, ক্যান্সার, কার্বাংকল, আঙ্গুলহাড়া, কৃমি, খোঁসপাঁচড়া, শোথ, অর্শ, ধজ্বভঙ্গ, স্তনে ক্যান্সার।

কান পাকা রোগের ঔষধের নাম

কান পাকা রোগের ঔষধের নাম-কান পাকা রোগের হোমিও চিকিৎসা

 


বর্ণনা ঠান্ডা, সর্দি, জ্বর, হাম, বসন্তের পর আরো নানাবিধ কারণে কান পাকা রোগ দেখা দেয়। কানের ভিতর ফোড়া হইলেও কান থেকে পুঁজ পড়ে। এই রোগ অধিক দিন স্থায়ী হইলে বধিরতা আনয়ন করে।

১। যেখানে দেখিবেন পুরাতন কান পাকা হলুদ বর্ণের পুঁজ, গন্ধ নাই আছে মাথা বেদনা তথায় 'ক্যাপসিকাম 200 বা 1m শক্তি সকাল বিকাল দুই মাত্রা দিবেন উপকার হইবে। পুরাতন রোগে 10m বা আরো উচ্চ শক্তি।

২। যেখানে শুনিবেন কান হতে রক্ত মিশ্রিত গাঢ়, দূর্গন্ধ যুক্ত পুঁজ পড়ে তথায় ''মার্ক সল' 200 বা 1m শক্তি সকাল বিকাল দুই মাত্রা দিবেন উপকার হইবে। পুরাতন পীড়ায় আরো উচ্চ শক্তি।

 ৩। যেখানে জানিবেন প্রায়ই রোগীর সর্দি, ঠান্ডা লাগে তাদের দূর্গন্ধ যুক্ত কান পাকায় 'টিউবারকুলিনাম' 200 বা 1m শক্তি সকালে খালি পেটে এক মাত্রা দিবেন উপকার হইবে। না হইলে 10m বা আরো উচ্চ শক্তি এক মাত্রা।

৪। যেখানে শুনিবেন কান পাকার পুঁজে ভীষণ দূর্গ, পুঁজ যখন ে ঠ, চুলকায় ইহাতে 'টেলুরিয়াম' 30 বা 200 শক্তি সকাল বিকাল। দিনে দুই বার সেবনে উপকার হইবে।

৫। যেখানে দেখিবেন কান পাকায় কানের ভিতরে ৗেজ, পুঁজে ভয়ানক দুরগন্ধ হলে থুজা ''200 বা 1m শক্তি সকাল, বিকাল দুই মাত্রা সেবন করিতে দিবেন। উপকার হইবে। পুরাতন পীড়ায় আরো উচ্চ শক্তি।

৬। যেখানে শুনিবেন কান পাকায় মাংস ধোয়া জলের মত পুঁজ, পুঁজে ভীষ দুর্গন্ধ তথায় 'সাইলেশিয়া' অব্যর্থ 30 বা 200 শক্তি দিনে দুই বার সেবন করিতে দিবেন। পুরাতন রোগে Im, 10m বা আরো উচ্চ শক্তি দুই এক মাত্রা।

৭। যেখানে জানিবেন নিম্ন গতিতে ভয় শিশুর কান পাকা, সাদা রন্ধ্রের গন্ধবিহীন পুঁজ তথায় ‘বোরাক্স' 6 বা 30 শক্তি দিনে তিন বার সেবন করিতে দিবেন কান পাকা আরোগ্য হইবে। প্রয়োজনে 200 শক্তি দুই এক মাত্রা।

৮। যেখানে শুনিবেন ঠান্ডা, সর্দি লাগিলেই শিশুর কান থেকে পুঁজ নির্গত হইতে থাকে তথায় ‘ওসিমম স্যাঙ্ক' 6 বা 30 শক্তি দিনে তিন বার সেবন করিতে দিবেন কান পাকা আরোগ্য হইবে।

৯। যেখানে দেখিবেন কানের পুঁজে ভীষণ দূর্গন্ধ, লোেক কাছে বসিতে পারে না। সোরিনাম' 200 সকাল বিকাল দুই মাত্রা সেবন করিতে দিবেন উপকার হইবে। পুরাতন কান পাকায় 1m, 10m বা আরো উচ্চ শক্তি। 

১০। যেখানে শুনিবেন কান পাকায় হলদে রঙের পুঁজে সামান্য দূর্গন্ধ তথায় পালসেটিলা 200 শক্তি সকাল বিকাল দুই মাত্রা সেবন করিতে দিবেন উপকার হইবে। পুরাতন কান পাকায় আরো উচ্চ শক্তি।

 ১১। যেখানে জানিবেন নতুন বা পুরাতন কান পাকায় হলুদ বর্ণের পুঁজ, কোন রূপ গন্ধ নাই তথায় 'ক্যালকেরিয়া সালফ' 200 সকাল বিকাল দুই মাত্রা সেবন করিতে দিবেন উপকার হইবে। পুরাতন কান পাকায় 1m, 10m

১২। যেখানে শুনিবেন কানের ভিতর পুঁজ, কানে তীব্র বেদনা থাকিলে 'ভায়োলা অডো' 30 শক্তি দিনে তিন বার সেবন করিতে দিবেন উপকার হইবে।  না হইলে 200 শক্তি দিনে দুই বার।

সাইলেসিয়া হোমিও ঔষধ --এর উপকারিতা

 

সেলেনিয়াম ২০০ এর উপকারিতা [silicea homeopathic medicine]
silicea এর কাজ কি


 দৃঢ়তার অভাব ও শীতার্ততা, কোষ্ঠবদ্ধতা।

 মাথার এবং পায়ের তলায় দুর্গন্ধ ঘাম বা বাধাপ্রাপ্ত ঘামের কুফল।
উত্তাপে উপশম এবং অমাবস্যায় ও পূর্ণিমায় বৃদ্ধি।
 টিকাজনিত কুফল।
মন দুর্বল, ব্যাকুল ও বিষণ্ন, নম্র ও ভীরু স্বভাব, মানসিক পরিশ্রমে কষ্ট অনুভূতি।
লিখতে, পড়তে বা কোন বিষয়ে ভাবতে গেলে রোগী অত্যন্ত ক্লান্তি অনুভূব করে।
নৈতিক ও দৈহিক দৃঢ়তার অভাব।
মলদ্বারে ফিস্টুলা, পায়খানা কষা, প্রচণ্ড কোঁথানি দিতে হয়, কিছুটা পায়খানা বাহিরে এসে আবার ঢুকে যায়।
পায়ের তলায় দুর্গন্ধযুক্ত ঘর্ম, পায়ের ঘর্ম চাপা পড়ে অসুস্থতা।
শিশু বুকের দুধ খেলে মায়ের ভেজাইনা দিয়ে রক্তস্রাব হয়।
গলায় চুল আটকে থাকার অনুভূতি।
উপযোগিতাঃ
১। একটুতেই নার্ভাস হয়ে পড়ে, খিটখিটে, রক্তপ্রধান ও সোরাদোষ দুষ্ট। হালকা গায়ের রঙ, সুন্দর শুষ্ক চামড়া, ফ্যাকাসে ও দূর্বল মুখাকৃতি, পেশীগুলো শিথিক এমন লোকদের ক্ষেত্রে উপযোগী।
২। যারা অপুষ্টিজনিত অসুখে ভোগে, ঐ অপুষ্টি খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণে বা গুণগত মানের কারণ জনিত নয় বরং পোষণক্রিয়ার অসামঞ্জস্য থেকে হয়ে থাকে (অর্থাৎ হজম হয় না), (ব্যারা-কা, ক্যাল্কে-কা)। দৈহিক ও মানসিক দিকে হতে অত্যানুভূতি সম্পণ্ন।
৩। স্ক্রোফুলাদোষ ও রিকেটদোষদুষ্ট শিশু, যাদের মাথা বড়, মাথার ব্রক্ষ্মতালূ ও হাড়ের জোড়গুলো আলগা হয়ে থাকে, মাথায় প্রচুর ঘাম হয় (তবে ক্যাল্কে-কা হতে অপেক্ষাকৃত মক), কোন কিছু দিয়ে ঢাকা দিয়ে মাথা গরম রাখতে হয়, তলপেট ফুলে থাকে, গোড়ালী দূর্বল, শিশু দেরীতে হাঁটতে শেখে।
৪। অত্যন্ত ক্লান্তি ও দূর্বলতায় শুয়ে পড়তে চায়। স্নায়ুদৌবল্য- স্নায়ুবিক উত্তেজনা হতে দূর্বলতা, কঠোর পরিশ্রমে বা বন্ধস্থানে থেকে অবসন্নতা, তবে ইচ্ছা করলেই অবসন্নতা কাটিয়ে উঠতে পারে।
৫। অস্থি, চঞ্চল, সামান্য শব্দেই চমকে উঠে। উদ্বিগ্ন, সহজেই বশীভূত হয, ভীরু প্রকৃতি। মানসিক পরিশ্রম করতে কষ্ট হয়, লেখাপড়া করলে ক্লান্তি আসে, চিন্তা করা অসহ্য।
৬। পায়ের তলায় ঘাম চাপা পড়ে (কুপ্রাম, গ্রাফাই, সোরিন), মাথায় বা পিঠে সামান্য বাতাসের ঝাপটা লেগে, টীকা দেয়ার কুফলে বিশেষতঃ ফোঁড়া ও খিচুনী হলে (থুজা), পাথর কাটা কাজ করে বুকের অসুখ হলে উপযোগী।
৭। জৈব উত্তাপের অভাব, সবসময় শীত শীতভাব, কঠোর পরিশ্রম বা ব্যয়ামে ঐভাব দূর হয় না (লিডাম, সিপিয়া)।শিশুদের আদর করলেও অবাধ্যতা, একগুয়েমিভাব দেখায়, কাঁদতে থাকে (আয়োডি)।হাঁটুর মালাইচাকির বাতে অব্যর্থ ফলপ্রদ-হেরিং।
৮। শরীরের গ্ল্যান্ডগুলো যথা- ঘাড়ের, বগলের, কানের, স্তনের, কুঁচকির, লোগকুপের গ্রন্থি যা থেকে ঘাম হয় এসবের প্রদাহ হয়, ফোলে ও পূঁজ হয়- এর থেকে মারাত্মক পচনশীল ক্ষত হয়। নরম টিস্যু, অস্থিবেষ্টনী বা হাড়ে পুঁজ হলে আশ্চর্যভাবে এ ঔষধ পুঁজ নিবারন করে। প্রয়োজনে এ ঔষধ পাকিয়ে ফেলতে বা অতিরিক্ত পুঁজসঞ্চয় কমাতে পারে (প্রধানতঃ নরম টিস্যুতে পুঁজ হলে- ক্যালেন্ডু, হিপার)।
৯। মাথাঘোরা: মেরুস্নায়ু হতে উদ্ভুত অনুভূতি যা ঘাড় হতে উঠে মাথা অবধি যায়, উপরদিকে তাকালে যেন সামনে উপুড় হয়ে পড়ে যাবে এমনভাবে মাথাঘোরায় (পালস), (নিচের দিকে তাকালে ঐ রকম মাথাঘোরা- ক্যালমি, স্পাইজি)।
১০। মাথাযন্ত্রণা: ক্রনিক বমনসহ মাথাযন্ত্রণা, যৌবনে কোন মারাত্মক অসুখের পর থেকে মাথাযন্ত্রণা (ঘাড়ের থেকে শুরু হয়ে মাথার উপর অবধি বিস্তৃত, মনে হয যেন মেরুদন্ড থেকে উদ্ভুত হয়ে যেন ডান চোখে স্থিত হয়েছে- সোরিন, বাম চোখে-স্পাইজি)। মাথাযন্ত্রণা খোলা অবস্থায় যদি বাতাসের ঝাপটা লাগে তবে বেড়ে যায়, মাথাটিপে দিলে বা মাথায় গরম কাপড় জড়িয়ে রাখলে (ম্যাগ-মি, ষ্ট্রানশিয়া) ও প্রচুর পরিমাণে প্রসাব হলে কমে যায়।
১১। কোষ্ঠবন্ধতা: প্রতিবার ঋতুস্রাবের আগে ও সময়ে কোষ্ঠবদ্ধতা (ঋতুস্রাবের আগে ও সময়ে উদরাময় হলে- এমন-কা, বোভিষ্টা), মলদ্বারের নিস্ক্রিয়তা থেকে মলত্যাগে কষ্ট, অত্যন্ত কোঁথানি হয়, যেন মলদ্বারে পক্ষাঘাত হয়েছে। মল কিছুটা বের হয়ে আবার ভিতরে ঢুকে যায় (থুজা)। মলদ্বারে অনেকক্ষণ যাবৎ মল আটকে থাকে।
১২। ভগন্দর ও বুকের রোগলক্ষণ পর্যায়ক্রমে দেখা যায় (বার্বে, ক্যাল্কে-ফস)। মলদ্বারের নালীঘা (ফিশ্চুলা)- মলত্যাগের পরে অত্যন্ত ব্যতা করে। দাঁতের গোড়ায় ফোঁড়া বা নানীঘায়ের অপূর্ব ঔষধ-কোপার্থওয়েট।
১৩। শিশু যতবার স্তনপান করে ততবারই যোনিপথে রক্তস্রাব হয় (ক্রোটন)। স্তনের বোঁটা ফানেলের মুখের মত ভিতরে ঢুকে যায় (সার্সা)।যথাসময়ে ঠিকভাবে প্রয়োগে স্তনের ফোঁড়া হওয়া নিবারণ করে-কেন্ট।
১৪। ঘুমের মধ্যে হাঁটে, ঘুম থেকে উঠে হাঁটতে থাকে আবার শুয়ে পড়ে (কেলি-ব্রো)। চামড়া অস্বাস্থকর, সামান্য আঘাতেই পেকে উঠে, ঘা হয় (গ্রাফাই, হিপার, মার্ক, পেট্রলি), হাত-পায়ের আঙুল বেঁকে যায় (এন্টি-ক্রু)।
১৫। পায়ের পাতায় ঠান্ডা লেগে সর্দি হয় (কোনি, কুপ্রাম)।হাতে ও পায়ের আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে, পায়ের তলায়, বোগলে দুর্গন্ধ ঘাম হয। প্রতিদিন সন্ধ্যায় অসহ্য টকগন্ধযুক্ত, গোস্তপঁচা গন্ধের মত পায়ের তলা হতে গন্ধ ছাড়ে অথচ পায়ে ঘা হয় না।
১৬। নেত্রনালী, নখকুনি (ম্যাগ, টিউক্রি), আঙুলহাড়া, রক্তফোঁড়া, কার্বাঙ্কল, সমস্ত প্রকারের ঘা, ফিশ্চুলা হয়ে থাকে- এতে অত্যন্ত ব্যথা, দূর্গন্ধ ছাড়ে, ক্ষতের কিনারাগুলো স্পঞ্জেরমত তুলতুলে, গোস্ত ঠিকরে বের হয়।
১৭। রোগী চুম্বকশক্তির দ্বার পৃষ্ট হতে চায়, এতে আরামবোধ করে (ফস)। শরীরের ভেতর থেকে বাহ্যিক কোন কিছু যেমন- মাছের কাটা, ছুঁচ বা হাড়ের টুকরো বের করতে সাহায্য করে।
১৮। অনুপূরক-থুজা, স্যানিকিউলা। তুলনীয়- হিপার, এসি-পিক, কেলি-ফস, হাইপেরি, রুটা, গেটিসবার্গ, ক্যাল্কে-কা, গ্রাফাই, এসি-নাই। ফসফরাসের পর ভাল খাটে। সাইলিসিয়ার পর হিপার, এসি-ফ্লো, লাইকো, সিপিয়া ভাল খাটে।
১৯। বৃদ্ধি: ঠান্ডায়, ঋতুকালে, অমাবস্যায়, দেহের ঢাকা খুলে ফেললে, শুয়ে থাকলে। উপশম: গরমে, মাথা ঢেকে রাখলে, পাকাশয়ের লক্ষণ বাদে অন্য সব উপসর্গ ঠান্ডা খাদ্যে উপশমিত হয় (লাইকো)।

Cuprum Met (কুপ্রাম মেটালিকাম) গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুব্রিক



  • সমনামঃ কপার বা তামা, কুপ্রাম, মেটালিক কপার ।
  • মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক, টিউবারকুলার।
  • সাইডঃ বাম পাশ।
  • কাতরতাঃ শীতকাতর।
  • উপযোগিতাঃ সুন্দর চুলওয়ালা লোকদের জন্য প্রযোজ্য এবং যাদের ধাতু গঠন কার্বো-নাইট্রোজেন। সে সব স্ত্রীলোকদের অনেক সন্তান হয়েছে (প্রসবান্তিক ব্যথা)। এ ওষুধ বলের মতো ও ক্ষণিক খিঁচুনি টঙ্কার এবং মৃগী রোগের আক্রমণে উপযোগী।
  • ক্রিয়াস্থলঃ স্নায়ু, পরিপাকতন্ত্র, লিভার, কিডনি, সেরিব্রো স্পাইন্যাল সিস্টেম, নিউমোগ্যাস্টিক নার্ভ, সঞ্চালনকারী, মাংসপেশি, রক্ত, উদর।
  • বৈশিষ্ট্যঃ এর ক্রিয়া মানবশরীরের স্নায়ুকেন্দ্রের ওপরই অধিকতর লক্ষিত হয়ে থাকে। আক্ষেপ লক্ষণ আনয়ন করাই এর প্রধান কাজ। একজন্য সাধারণ খেঁচুনি, অপস্মার (Epiledy), হুপিংকাশি, কলেরা ইত্যাদি আক্ষেপজাতীয় রোগে প্রায়ই সূচিত হয়ে থাকে ।
  • গার্নেস বলেন যে, “জিহ্বায় একটি পিচ্ছিল ধাতব স্বাদ ” হলো কুপ্রামের একটি বিশেষ লক্ষণ। রাস. এমন আর একটি ওষুধ যার এ ধরনের একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ রয়েছে। “খিলধরা অথবা আক্ষেপ হাতে ও পায়ে শুরু হয়, পেট পর্যন্ত বিস্তৃত হয় ” এ লক্ষণ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছিলেন জে. সি. ম্যাকলারেন ।
  • সারসংক্ষেপঃ কার্বো-নাইট্রোজেন ধাতু বিশিষ্ট সুন্দর চুলওয়ালা লোক। “জিহ্বায় একটি পিচ্ছিল ধাতব স্বাদ ” আক্ষেপ নিম্নাঙ্গে সূত্রপাত। শীতার্ততা ও পরিবর্তনশীলতা । মানসিক পরিশ্রমে, ঠাণ্ডা বাতাসে, স্পর্শে, বমিতে ও রজঃস্রাবের আগে বাড়ে। একপাশে চেপে শুলে, শীতল পানীয়ে, ঘাম হলে, চুম্বক শক্তিতে ও ভেদ নির্গমনে উপশম। অস্হির, কলহপ্রিয়, বাতিক, পাগলামি, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা, ধ্বংস প্রবৃত্তি, প্রলাপ, ভ্রান্ত বিশ্বাস। বাধাপ্রাপ্ত উদ্ভেদ বা অবরুদ্ধ স্রাব হেতু মানসিক স্তম্ভিত ভাব বা হতবিহ্বলকর অবস্হা। নির্দিষ্ট সময়ে রোগাক্রমণ হয়ে আধা ঘণ্টা হতে ৪ ঘণ্টা স্হায়ী হয়।
  • অনুভূতিঃ (১) যেনো মাথার মাঝে শূন্য। ব্যথা যেনো মস্তিষ্কের থেঁতলানো আঘাত থেকে এবং চোখের কুটরে, চোখ ঘোরানো ফলে। (২) রোগাক্রণের অনুভূতি ।
  • ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ (১) খেঁচুনি বা আক্ষেপের আগে কুকুরের মতো চিৎকার করে, গো গো শব্দ করে। (২) উন্মাদনার ক্ষেত্রে মূত্রনালিতে অনুভূতি শূন্যতার সাথে অসাড় মূত্রক্রিয়া হয়ে । (৩) নির্দিষ্ট সময়ে রোগাক্রমণ হয়ে আধা ঘণ্টা হতে ৪ ঘণ্টা স্হায়ী হয়।
  • < বৃদ্ধিঃ পূর্বাহ্নে, রাতে, মধ্য রাতের আগে ও পরে, দেহের কোনো অংশে ঠাণ্ডা লাগালে, পদদ্বয়ে ঠাণ্ডা লাগালে, খাদ্য: সীম বা মটরে, বাঁধা কপিতে, খাদ্য: বায়ু উৎপন্ন করে এরূপ খাদ্যে, ভারি খাদ্যে, মাংসে বাড়ে, দুধে, কাঁচা সবজিতে, গরম খাদ্যে, চিৎ হয়ে শুলে, ঘর্ষণে, দৌড়ালে, স্পর্শে, বমিতে । অমাবস্যায়, ঠাণ্ডা বাতাসে, রাতে, পায়ের ঘাম অবরুদ্ধে, বমির পর, উদ্ভেদ বসে গেলে, রজঃস্রাবের আগে, মানসিক পরিশ্রমে, বসতে ।
>>>>হ্রাসঃ একপাশে চেপে শুলে, ঘামে, খাদ্য: শীতল পানীয়ে, ঠাণ্ডা পানি গিললে, শক্ত করে বাঁধলে, স্হির হয়ে থাকলে, ঘাম হলে, চুম্বক শক্তিতে, ভেদ নির্গমনে।
  1. কারণঃ ভয় পাওয়া, আতঙ্ক, উদ্ভেদ বসে যাওয়া।
  2. শত্রুভাবাপন্নঃ অরাম, কুক্কাস, ডালকা, মার্ক-স, ওপি।
  3. ক্রিয়ানাশকঃ অরাম-মেট, বেল, চায়না, ককো, ইপি, মার্ক-স, ক্যাম্ফ, হিপার, কোনি, পালস, সালফ, ক্যামো, নাক্স-ভ, ভিরেট্রাম।

উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা কুপ্রাম মেটালিকাম প্রয়োগ করতে পারবো।


গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুব্রিকঃ

১.১) প্রলাপ: অদ্ভূদ অঙ্গভঙ্গি করে, খেলা করে- A= হায়োস। B= বেল, কুপ্রা, ল্যাক্টো, ওপি, ফস, প্লাম্বা, স্ট্যামো।
১.২) প্রলাপ: অন্ধকারের মাঝে- C= ক্যাল্ক-আর্স, কার্বো-ভে, কুপ্রা, স্ট্যামো।
১.৩) প্রলাপ: কোনো বিশেষ বস্তুর প্রতি একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে- B= ইগ্নে। C=আর্টিমি, বোভি, ক্যাম্ফ, ক্যান্থা, কুপ্রা, স্ট্যামো, র্যানান-বা।
২.১) ভ্রান্ত বিশ্বাস: পুলিশ- B=কুপ্রা, হায়োস, ক্যালি-ব্রো। C= মেলিলো, ফস, প্লাম্বা, জিঙ্ক।
২.২ ) ভ্রান্ত বিশ্বাস: ভাবে সে একজন উচ্চপদস্হ ব্যক্তি- C= কুপ্রা, ফস, ভিরেট।
২.২) ভ্রান্ত বিশ্বাস : ছায়ামূর্তি, ভূত, প্রেত দেখে- A= বেল। B= ক্যাম্ফ, কুপ্রা, হায়োস, ন্যাট্র-মি, ন্যাট্র-কা, স্ট্র্যামো, সালফ।
৩) ধ্বংস প্রবৃত্তি (Destructiveness)- B= বেল, ক্যাম্ফ, কুপ্রা, হায়োস, স্ট্র্যামো, ট্যারেন্টু, টিউবার, ভিরেট।
৪) মানসিক অবসাদ (Prostration of mind)/মানসিক শ্রম, সহ্য করতে পারে না (Mental effort, inability to sustain)- A- আর্জ-মে, অরাম, কোনি, কুপ্রা, ফেরা-পিক্রি, ক্যালি-ফস, ল্যাকে, লাইকো, ন্যাট্র-কা, ন্যাট্র-ফস, নাই-অ্যাসি, নাক্স-ভ, ফস-এসিড, ফস, পিক্রি-অ্যাসি, সিপি, সাইলি, সালফ।
৫) অস্হিরতা, স্নায়বিকতা (Restlessness, nervousness)/অস্হির (Fidgety) – অ্যাকোন, অ্যানাকা,আর্জ-নাই,আর্স,আর্স-আই,ব্যাপটি,বেল,ক্যাল্ক,ক্যাল্ক -ফস,ক্যাম্ফ,সিমিসি,সাইকু, কলো, কুপ্রা, কুপ্রা-আর্স,ফেরাম, ফেরা-আর্স, হায়োস, লাইকো, মার্ক, প্লাম্বা, পালস, রাস, সিকেলি,সিফি, সাইলি,স্ট্যাফি, স্ট্র্যামো, সালফ,ট্যারেন্টু,জিঙ্ক ।
৬) অস্হিরতা : বিছানায় এপাশ ওপাশ করে- A= আর্স, কুপ্রা, ফেরাম, রাস, ট্যারেন্টু।
৭.১) উচ্চ চিৎকার করে (Shrieking)/চিৎকার (Exclamation)- A= অ্যাপিস, ক্যাম্ফ, সাইকু, কুপ্রা, ক্যালি-কা, লাইকো, প্লাটি, স্ট্র্যামো, ভিরেট
৭.২) উচ্চ চিৎকার করে : আক্ষেপের আগে- A= সাইকু, কুপ্রা।
৮) কাঁদেঃ ঘামের সময়- A= বেল, কুপ্রা, লাইকো, ওপি। B= ক্যাল্ক, ক্যাম্ফ, ক্যামো, পেট্রো, পালস, স্পঞ্জি, স্ট্র্যামো।
৯) বাহ্য অঙ্গের কৃষ্ণবর্ণতা (Blackness)- A= আর্স, কুপ্রা, মার্ক, ওপি, সিকেলি, ভিরেট।
১০.১) আক্ষেপ/ খিচুঁনি (Convulsions)- A= আর্স, আর্টি-ভাল, অ্যাট্রো, বেল, বিউফো, কস্টি, ক্যামো, সাইকু, সিনা,কুপ্রা, হায়োস, লোবে, নাক্স-ম, নাক্স-ভ, ওপি, প্লাটি, স্ট্র্যামো, স্ট্রিকনি।
১০.২) আক্ষেপ : ক্ষণিক- A= অ্যাগারি, বেল, বিউফো, ক্যান্থা, ক্যামো, সাইকু, কুপ্রা, হায়োস, লাইসি, ওপি, প্লাম্বা, সিপি, স্ট্র্যামো।
১০.৩) আক্ষেপ : মৃগীরোগ সংক্রান্ত- A= আর্জ-মে, আর্জ-নাই, ব্যারা-কা, বিউফো, ক্যাল্ক-আর্স, কস্টি, কুপ্রা, হায়োস, ওনান, প্লাম্বা, সাইলি, সালফ, ভিস্কা।
১০.৪) আক্ষেপ : মৃগীরোগ সদৃশ- উদ্বেগ প্রকাশিত না হওয়ার ফলে- A= কুপ্রা। B= অ্যান্টি-ক্রু।
১০.৫) আক্ষেপ : মৃগীরোগ সদৃশ- পড়ে যাওয়াসহ- A= বেল, ক্যামো, কুপ্রা, হায়োস, ওন্যান।
১০.৬) আক্ষেপ : ক্রোধ মিশ্রিত বিরক্তির ফলে- A= কুপ্রা। B= ক্যাম্ফ, ইগ্নে, ইপি।
১১) নীলকৃষ্ণ রোগ (Cyanosis)- A= ক্যাম্ফ, কার্বো-ভে, কুপ্রা, ডিজি, ল্যাকে, লরো,ওপি, ভিরেট।
১২) আলস্য (Lissitude) : A= অ্যালু, অ্যামন-কা, অ্যাপিস, অ্যারেনি, ক্যালাডি, ক্যাল্ক, কার্বো-সাল, কোনি, ক্রোটেল -ক্যাস্ক, কুপ্রা, ফেরাম, জেলস, গ্র্যাফ, ল্যাকে, ফস-অ্যাসি, পিক্রি-অ্যাসি, রুটা, স্যাঙ্গুই, সাইলি, সাল-অ্যাসি, ট্যারেন্টু।
১৩) চুম্বক শক্তিতে উপশম (Magnetism amel) – A= কুপ্রা, ফস।
১৪) ঋতুস্রাবের আগে (Menses, before) – A= বোভি, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফস, কুপ্রা, ল্যাকে, লাইকো, ন্যাট্র-মি, পালস, সিপি, সালফ, ভিরেট, জিঙ্ক।
১৫) ব্যথা : চাপ দেয়ার মতো বাথা অভ্যন্তরীণভাবে- আর্জ-নাই, আর্নি, আর্স, অ্যাসাফ, বেল, ব্রোমি, ক্যাল্ক, চায়না, ক্যান্থা, কার্বো-ভে, কলো, কুপ্রা, হ্যামামে, ল্যাকে, লিলি-টি, লাইকো, নাক্স-ভ, পেট্রো, ফস, পালস, রাস, রুটা, স্যাঙ্গুই, স্যাঙ্গু-নাই, সিকেলি, সেনেগা, সিপি, সাইলি, স্পাইজে, স্পঞ্জি, স্ট্যানা, সালফ, ভ্যালের, ভিরেট।
১৬.১) নাড়ির গতি অস্বাভাবিক (Pulse abnormal) – A= অ্যাকোন, আর্স, আর্স-আই, বেল, কুপ্রা, ডিজি, হায়োস, আই, ক্রিয়ো, ল্যাকে, ওপি, ফস-এসিড, ফস, প্লাটি, প্লাম্বা, রাস, সাইলি, স্ট্র্যামো, স্ট্রনসি, ভিরেট।
১৬.২) নাড়ীর গতি অস্বাভাবিক : অনুভব করা যায়না এমন (Imperceptible)- A= অ্যাকোন, কার্বো-ভে, কলচি, কুপ্রা, সাইলি, ভিরেট।
১৬.৩) নাড়ির গতি অস্বাভাবিক: কোমল গতি (soft)-A= অ্যান্টি-টা, কার্বো-ভে, কুপ্রা, ডিজি, ল্যাকে, মিউ-অ্যাসি, ওপি, স্ট্র্যামো, টেরিবি, ভিরেট ।
১৭) সাধারণ ফোলাঃ স্ফীত বা ফোলা (puffy) – A= অ্যান্টি-ক্রু, অ্যাপিস, আর্স, ক্যাল্ক, ক্যাপসি, কুপ্রা, ডিজি, ফেরাম, গ্রাফ, হেলি, ওলিয়ে, স্কুই।
১৮) স্পর্শে প্রকোপ বাড়ে (Touch agg) – A= অ্যাগারি, অ্যাপিস, আর্জ-নাই, অ্যাসাফ, বেল, ক্যামো, ককুল, কফি, কলচি, ক্রোট-কা, কুপা, হিপার, হায়োস, ক্যালি-আর, ক্যালি-কা, লাইকো, নাই-অ্যাসি, রডো, সাইলি, স্ট্যাফি, সালফ।
১৯) বমন, বমিতে প্রকোপ বাড়ে (Vomiting agg.)- A= আর্স, ককুল, কুপ্রা, পালস, সালফ।
২০.১) দুর্বলতা/ক্লান্তিঃ অনিদ্রায়- A= ককুল। B=কুপ্রা।
২০.২) দুর্বলতা/ক্লান্তিঃ মানসিক পরিশ্রমে- A= ক্যাল্ক, কুপ্রা, ইগ্নে, সোরিন, স্যালে।

Friday, December 10, 2021

Rhus tox 200 ব্যবহার করে



  • বর্ষায় বৃদ্ধি ও বিশ্রামে বৃদ্ধি।
  • অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে কামড়ানি ও অস্থিরতা।
  • অস্থিরতায় উপশম, উত্তাপে উপশম।
  • জিহ্বার অগ্রভাগ ত্রিকোণ লাল বর্ণ ও জ্বরের শীত অবস্থায় কাশি।

  • ছিঁড়ে ফেলার মত বা মচকে যাওয়ার মত ব্যথা, স্থিরভাবে শুয়ে বা বসে থাকলে ব্যথা বৃদ্ধি, কিছুক্ষণ নড়াচড়া করলে উপশম।
  •  অত্যন্ত অস্থিরতা, বিছানায় একভাবে শুয়ে থাকতে পারে না, এপাশ ওপাশ করে, কারণ নড়াচড়াতে কিছুটা উপশম হয়।
  • জিহ্বা শুষ্ক, ফাটা ফাটা, জিহ্বার অগ্রভাগ লাল ত্রিকোণাকার বা ত্রিভুজের মত।
  •  পরিশ্রম করা, নৌকা চালানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি বিষয়ে স্বপ্ন দেখে।
  •  জ্বর আসার পূর্বে ও শীত অবস্থায় শুষ্ক কাশি।
  •  গায়ে রসযুক্ত ফুস্কুড়ি বা ফোস্কা উঠে।
  • উপযোগিতাঃ
  •  বাতের অসুখে ভোগে, পানিতে ভিজে বিশেষতঃ দেহ অত্যাধিক গরম হয়ে তারপর ঠান্ডা পানিতে ভিজে তার কুফলে অসুখ হলে উপযোগী। বিশেষতঃ ফাইব্রাস তন্তু আক্রান্ত হয় (রডো), (সিরাস তন্তু আক্রান্ত হলে- ব্রায়ো), বামদিক হতে ডানদিক বেশী আক্রান্ত হয়।
  • দেহের কোন এক অঙ্গে পেশী বা পেশী বন্ধনী মচকে গিয়ে বা মুচড়ে গিয়ে (ক্যাল্কে.কা, নাক্সভম), ভারী দ্রব্য তুলে বা উপরে রাখা কোন কিছু হাত বাড়িয়ে ধরতে গিয়ে, ভিজের স্যাৎস্যাতে মাটিতে শুয়ে, গরমের দিনে খালে বা নদীর পানিতে অনেকক্ষণ ধরে গোছল করে- তা থেকে রোগ হলে উপযোগী।
  • ব্যথাযন্ত্রণা: মচকে যাওয়ার মত, পেশী বা পেশী বন্ধনী যেন সন্ধিস্থান হতে ছিঁড়ে গেছে এমন মনে হয়, যেন হাড়গুলোকে ছুরি দিয়ে চেঁচে ফেলা হচ্ছে, মাঝরাতে পরে, ভেজা, বর্ষার দিনে যন্ত্রণা বাড়ে, আক্রান্ত অঙ্গ ছোঁয়া যায় না- টাটানি ব্যথা।
  •  বিশ্রামের পর প্রথম সঞ্চালনে বা সালে ঘুম থেকে উঠে খোড়াতে থাকে, হাত-পা আড়ষ্ট হয়ে থাকে ও যন্ত্রণা হয়, হাঁটা-চলায় বা অবিরত নড়াচড়ায় ঐ ভাব কমে যায় (এক নাগাড়ে নড়াচড়ায় আবার ব্যথা বেড়ে যায়, ক্লান্ত হয়ে পড়ে)
  • অত্যন্ত অস্থিরতা, উদ্বেগ, ভীতিভাব (একোন, আর্স), বিছানায় একভাবে শুয়ে থাকতে পারে না, যন্ত্রণা হতে উপশমের জন্য অবিরত স্থান পরিবর্তনে বাধ্য হয় (মানসিক উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা থেকে উপশমের জন্য ঐরকম করে-আর্স)। অস্থির- এক জায়গায় স্থির হয়ে থাকতে পারে না।
  • পিঠ: কিছু গিলতে গেলে দু’কাঁধের মাঝের ব্যথা করে। কোমরের দু’পাশে ছোট গর্তমত স্থানে যন্ত্রনা ও আড়ষ্টতা, বসলে বা শুলে ঐ ব্যথা বাড়ে, নড়াচড়ায় বা শক্ত জিনিষের উপর শুলে কমে যায়। পেশীবাত ও সায়েটিকা বামদিকে হয় (কলোসিন্থ), হৃদরোগের সাথে বামহাতে কনকনানি ব্যথা।
  • রাতে অত্যন্ত ভয়, ভয়ভাব, কেউ তাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলবে এই ভয় হয়- বিছানায় শুয়ে থাকতে পারে না। কঠোর পরিশ্রমের স্বপ্ন দেখে যেমন-দাঁড়টানা, সাঁতার কাটা, দৈনন্দিন কার্যে কঠের পরিশ্রমের কাজ করা ইত্যাদি (ব্রায়ো)।
  • মাথাঘোরা: উঠে দাঁড়ালে বা হাঁটলে মাথাঘোরে। শুয়ে থাকলে মাথাঘোরা আরো বেড়ে যায় (শুলে কমে- এপিস)। শোয়া অবস্থা থেকে উঠলে বা মাথা ঝুঁকালে মাথাঘোরা বাড়ে (ব্রায়ো)।
  • মাথাযন্ত্রণা: পা ফেললে বা মাথা ঝাঁকালে মনে হয় যেন মস্তিষ্ক আল্গা হয়ে গেছে, মস্তিষ্কে পানির ছলাৎ ছলাৎ শব্দের অনুভূতি, বোকার মত ভাব হয়। বসে থাকলে, ঠান্ডার মধ্যে শুয়ে থাকলে বাড়ে, গরমে ও নড়চড়ায় মাথাযন্ত্রণার উপশম হয়।
  • মুখ-গলা শুষ্ক, অত্যন্ত তৃষ্ণা। জিহ্বা শুষ্ক, ঘায়ের মত ব্যথা, লাল কাটাকাটা, জিহ্বার ডগায় ক্রিকোণ লাল ছাপ ও দাঁতের ছাপ পড়ে (চেলিডো, পডো) মুখে ঠোঁটের কোন ঘা হয়, মুখে ও গালে জ্বর ঠোসা বের হয় (নেট-মি)। ১১। সবিরাম জ্বর ও কাশি: শীতাবস্থার আগে ও সময়ে শুষ্ক বিরক্তিকর কাশি, শ্লেষ্মাতে রক্তেরমত স্বাদ, খোলা বাতাস সহ্য হয় না- বিচানার চাদর থেকে হাত বের করলে কাশি শুরু হয় (ব্যারাইটা, হিপার)। তরুণ রোগ টাইফয়েডের আকার ধারণ করলে উপযোগী।
  • উদরাময়: টাইফয়েডের শুরুতে অসাড়ে উদরাময়, ঐ সাথে অত্যন্ত ক্লান্তিভাব, মলত্যাগের সময় দুপায়ের পিছন দিকে ছিঁড়ে ফেলার মত যন্ত্রণা হতে থাকে।
  • পক্ষাঘাত: আক্রান্ত অঙ্গ পানিতে ভিজে বা স্যাৎস্যাতে মাটিতে শুয়ে থেকে, পরিশ্রমের পরে, প্রসবের পর, অতিরক্তি যৌন সম্ভোগের পরে, শরীর ও হাত-পায়ে ব্যথাযুক্ত কম্পন জ্বর বা টাইফয়েডের পর অঙ্গ প্রত্যঙ্গের আংশিক পক্ষাঘাত ও চোখের পাতা ঝুলে পড়ে এসব লক্ষণে উপযোগী।
  • চর্মে ইরিসিপেলাস বা বিসর্পরোগ, বামদিক হতে যান দিকে যায়, ফোস্কার মত হয়, হলদে ফোস্কা, ফুলে যায়, অনেক বেশী প্রদাহ হয়, জ্বালা করে, চুলকায়, হুল ফোটার মত যন্ত্রণা হয়। জননেন্দ্রিয়ের বাহিরের দিকে প্রদাহ, ইরিসিপেলাসের মত হয়, ফুলে যায়।
  • অনুপূরক- ব্রায়োনিয়া। তুলনীয়- আর্নিকা, ব্রায়োনিয়া, রডো, নেট-সা, সালফার। অনিষ্টকারক- এপিসের সাথে শত্রু সম্বন্ধ, এপিসের আগে বা পরে কখনই ব্যবহার করা চলবে না। রোগের ক্রনিক অবস্থায় উচ্চশক্তি সবচেয়ে বেশী সাফল্য পাওয়া গেছে-হেরিং।
  • বৃদ্ধি: ঝড়ের আগে, ঠান্ডা, ভেজা বর্ষার দিনে, রাতে বিশেষতঃ মধ্য রাতের পরে, ঘাম বের হবার সময় ভিজে বা গোছল করে, বিশ্রামের সময়।
  • উপশম: গরম, শুষ্ক দিনে, গায়ে ঢাকা দিলে, গরম বা মৃদু গরম দ্রব্যে, নড়াচড়ায়, অবস্থান পরিবর্তনে, আক্রান্ত অঙ্গ নাড়ালে।
  • কয়েকটি ক্ষেত্রে বাদে সব উপসর্গ বিশ্রামে শুরু হয় বা বেড়ে যায় ও নড়াচড়ায় কমে যায়। রাসটক্স বিষাক্ততায় জ্বালা ও চুলকানি সিপিয়া প্রায়ই তাড়াতাড়ি কমিয়ে দেয়, কয়েকদিনের মধ্যেই ফুস্কুড়িগুলো শুকিয়ে ফেলে। রাসটক্স বিষাক্ততায় কুফলে শক্তিকৃত রাসের উচ্চশক্তি দ্বারা সেরে যায়, ঐ থেকে উৎপন্ন চর্মরোগ কখনই বাহ্য প্রয়োগের ঔষধ (মলম) দিয়ে চিকিৎসা করতে নেই, এতে রোগ চাপা পড়ে মাত্র কখনই আরোগ্য হয় না।

Sunday, December 5, 2021

Acid Hydro. (এসিড হাইড্রো)

Acid Hydro,এসিড হাইড্রো


চরিত্রগত লক্ষণ:
  • হৃদপীড়া, শুষ্ক কাশি, তড়কা ও টঙ্কারে- এসিড হাইড্রোয় শ্বাস পড়ে জোরে জোরে। শ্বাসকষ্টে নিশ্বাস ফেলতে কষ্ট হয় কিন্তু সহজেই নিতে পারে।
  • মৃগী, ধনুষ্টঙ্কার, আপেক্ষিক শ্বাস প্রশ্বাস, বিশেষতঃ হুপিং কফে এবং কলেরাতে হৃদস্পন্দন, উদ্বেগ, মৃদুনাড়ী এবং অচেতন হওয়ার উপক্রম, বুকে পিঠে খিল ধরা, জিহ্বার ক্যান্সার এবং কলেরার আকস্মিক হিমাঙ্গ হওয়া প্রভৃতি হঠাৎ সাংঘাতিক অবস্থা প্রাপ্ত সকল রোগে ইহা ব্যবহৃত হয়।
  • যখন কলেরা বা অন্য কোন সাংঘাতিক রোগে রোগীর জীবনী শক্তির ক্রিয়া শেষ হইয়া আসে, রোগী গাঢ় মোহাচ্ছন্ন হয়, শ্বাস প্রশ্বাস অতি ধীরে ধীরে বহে এবং মাঝে মাঝে দীর্ঘ নিঃশ্বাস পড়ে। এমনকি অনেক সময় রোগী মরিয়া গিয়াছে বলিয়া মনে হয়। বাহ্য প্রস্রাব বন্ধ হইয়া যায়। তখন এই ঔষধ অমৃতের ন্যায় কাজ করে। -ডাঃ মহেন্দ্র সরকার
  • এই ঔষধ প্রয়োগে কৃতকার্য হইতে হইলে দুইটি বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি রাখা কর্তব্য। প্রথমত সদ্য প্রস্তুতকৃত ঔষধ ব্যবহার করা উচিত। কারণ বেশী পুরাতন হইলে ইহার গুণ নষ্ঠ হইয়া যায়। দ্বিতীয়ত প্রথম বা দ্বিতীয় মাত্রা প্রয়োগ করিবার পর সামান্য উপকার দেখিলেও যতক্ষণ না সমস্ত লক্ষণগুলি দূর না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত ঔষধ প্রয়োগ করিতে হয়।
  • বৃদ্ধি: পূর্ণিমা, ঝড় বৃষ্টি, উদ্ভেদ লোপ।
  • ক্রিয়ানাশক: ক্যাম্ফর, কফি, ইপিকাক, নাক্সভম, ভিরেট্রাম।