Friday, July 2, 2021

পুরুষের অন্ডকোষ ঝুলে যাওয়ার কারণ ও এর সমাধান



এই ব্যাপারটা যখন আমি প্রথম জানতে পারি তখন খুবই আশ্চর্য হয়ে যাই স্রষ্টা আমাদেরকে কত যত্ন করে বানিয়েছেন কি সুন্দর তার সৃষ্টি!!


চিত্র গুগল। ১

আমরা তো সবাই জানি মানুষের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হল ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে আমরা জ্বর হয়েছে বলে ধরে নিই আবার স্বাভাবিক চেয়ে কম হলে আমাদের দেহে ঠান্ডা (শীত) লাগে। এই প্রক্রিয়াটি আমাদের দেহের স্বাভাবিক ঘটনা।


এখন যদি আপনার দেহের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক ভাবে বেরে যায় তাহলে কি হবে সেটা জানেন? যেটা হবে সেটা হলো অর্গান ডেমেজ হয়ে যাবে এবং বিভিন্ন ধরনের রোগ বাসা বাঁধবে শরীরে।


আবার যদি অস্বাভাবিক ভাবে কমে যায় তাহলে দেহে রক্ত জমাট বেঁধে মানুষ মারা যাবে।


এতো কথা বলার একটি কারণ আছে সেটা হল, আপনি কি জানেন অন্ডকোষ বা টেস্টিস এ আমাদের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা চেয়ে ৩ ডিগ্রি কম থাকে? অন্ডকোষ বা টেস্টিস ঝুলে থাকার কারন হল তাপমাত্রা। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে ওখানে তাপমাত্রা কম কেন থাকে। কারণ হল অন্ডকোষবা টেস্টিস এ শুক্রাণু তৈরি হয় আর শুক্রাণু হল একটি প্রোটিন আর এটি যদি তাপের সংস্পর্শে আসে তাহলে জমাট বেঁধে এর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।


চিত্র গুগল। ২


গরমের সময় আমাদের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা একটু বেশী থাকে তাই অন্ডকোষ বা টেস্টিস নিচের দিকে ঝুলে যায় যাতে কনস্ট্যান্ট (নির্দিষ্ট 35°F) তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারে।


আবার শীতের সময় যখন বাহিরে (পরিবেশের) তাপমাত্রা কম থাকে কিন্তু আমাদের শরীরে তাপমাত্রা বেশি থাকে তাই টেস্টিস বা অণ্ডকোষ উপরের দিকে উঠে শরীরের সাথে লেগে থাকে যাতে তার নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারে।


শুক্রাণু বা স্পার্ম উৎপাদনের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা হচ্ছে ৩৫০ ফারেনহাইট। তাই টেস্টিস বা অণ্ডকোষ ঝুলে যাওয়া কোনো রোগ নয় এটা একটি স্বাভাবিক ঘটনা।

Wednesday, June 16, 2021

জেনে নিন সেক্স করার সময় আমরা কি কি ভুল করি

 


সেক্সের সময় ভুলঃ

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের দেশের ছেলেরা সেক্সের সময় মেয়েদের আনন্দ দেওয়ার চেয়ে তাদেরকে লোভনীয় খাদ্যের মত গপাগপ গিলতেই বেশি পছন্দ করে। তাই এদেশের বহু মেয়ের কাছে (সবাইনয়) চরম যৌন সুখ পাওয়া যেন এক বহু আরাধ্য বস্তু। ছেলেদের এই রাক্ষুসে মনোভাবের কারনেই অনেক সময় দেখা যায় যে তারা তাদের Relationship টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়। এমনকি এর ফলে বিয়ের মত অনেক বন্ধনও ধ্বংসের মুখে পড়ে যাচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের সূত্রপাত ঘটছে। এর মূল কারনই হল সেক্স ও মেয়েদের যৌন ইচ্ছা-আকাঙ্খা সম্পর্কে ছেলেদের স্বচ্ছ ধারনার অভাব। বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন নেই বললেই চলে। তাই কিছু বিদেশি বইয়ের সাহায্য নিয়ে ও নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সেক্সের সময় ছেলেদের যে সকল ভুলের কারনে তাদের সঙ্গিনীর বিরাগভাজন হতে হয় তার কয়েকটি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরলাম। সময়ের অভাবে আপাতত এসকল ভুলের প্রতিকার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জানার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে পারলাম না। তবে লেখা সবার ভালো লাগলে ভবিষ্যতে সম্পুর্ন বাংলায় একটা সারগর্ভ সেক্স গাইড লেখার কথা চিন্তা করব।


প্রথমে চুমু না খাওয়াঃ

সেক্সের শুরুতেই সঙ্গিনীকে আদরের সাথে চুমু না খেয়ে তার যৌনকাতর স্থানগুলোতে (স্তন, যোনি, নিতম্ব, নাভী ইত্যাদি) চলে গেলে তার ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে দ্রুত সেই টাকা উসুল করার চেষ্টা করছেন। গভীরভাবে ভালোবাসার সাথে সঙ্গিনীকে চুমু খাওয়া দুজনের জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরন যৌনানন্দময় সেক্সের সূচনা করে।


দাড়ি না কামানোঃ

অনেকেই দাড়ি না কামিয়ে সেক্স করেন, এই মনে করেযে আসল কাজ তো আমার হাত আর লিঙ্গের! কিন্তু যখন আপনার সঙ্গিনীকে চুমু খাবেন, তার স্তন চুষবেন, তার সারা দেহে জিহবা বুলাবেন তখন আপনার ধারালো খোচা খোচা দাড়ি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার সঙ্গিনীকে আনন্দ নয় বরং অসস্তি ও ব্যথা দেবে। তাই সেক্সের আগে ভালোমত দাড়ি কামিয়ে নেয়া উচিত। (তবে মনে রাখবেন যারা দাঁড়ি রখছেন তারা ব্যাতিত)।


প্রথম থেকেই জোরে জোরে স্তন টিপাঃ

বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় ছেলেরা মেয়েটির স্তন হাতের কাছে পাওয়া মাত্রই এমনভাবে টিপা শুরু করে যেন ময়দা মাখাচ্ছে। কিছু Extreme মেয়ে এরকমটা পছন্দ করলেও বেশীরভাগ মেয়েই চূড়ান্ত উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম করাতে বেশ ব্যথা পায়। তাই প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু দাবিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে আদরের সাথে ওর স্তনে হাত বুলিয়ে বুলিয়ে টিপা শুরু করতে হবে। তবে মেয়েই যদি জোরে টিপতে বলে তবে সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই।


স্তনের বোটায় কামড় দেয়াঃ

কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় কোন মেয়েই সরাসরি তাদের স্তনের বোটায় কামড় খেতে পছন্দ করে না। ছেলেরা মনে করে এখানে কামড় দিলে তাকে বেশি বেশি উত্তেজিত করে তোলা যায়। হ্যা কথাটা আংশিক সত্যি। তবে এর সবচেয়ে ভালো উপায় হল। প্রথমে মুখের ভিতরে যতটুক পারা যায় স্তনটা পুরো বা আংশিক ভরে নিতে হবে তারপর হাল্কা করে দাত বুলানোর মত করে মুখ থেকে স্তনটা বের করতে করতে নিপলে আলতো ভাবে দুই দাঁতের ছোয়া লাগাতে হবে।


আঙ্গুল দিয়ে স্তনের বোটা মোড়ানোঃ

অনেক ছেলে এমনভাবে সঙ্গিনীর বোটা আঙ্গুল দিয়ে মোড়ায় যেন তারা রেডিও টিউন করছে। এটা ঠিক নয়। হতে পারে বোটা মেয়েদের স্তনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান, কিন্তু শুধুই বোটায় এরকম করলে সেটা আনন্দদায়ক নয়, বরং কিছুটা যন্ত্রনাদায়ক (Teasing)। তাই একহাতের আঙ্গুলে বোটা নিয়ে খেলার সময় অন্য হাত দিয়ে সম্পুর্ন স্তনের উপরও নজর রাখতে হবে।


সঙ্গিনীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের দিকে মনোযোগ না দেয়াঃ

সেক্সের সময় ছেলেদের একটা কথা সবসময় মনে রাখতে হবে যে মেয়েদের স্তন, যোনি আর নিতম্ব এই তিনটিই তাদের একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়। ছেলেদের মূল যৌন কাতর অঙ্গ তাদের দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও মেয়েদের প্রায় পুরো দেহই স্পর্শকাতর (মেয়েদের দেহের কোন কোন অংশ গুলো বেশি যৌনকাতর তা আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রচনায় আর ব্যাখ্যা করছি না।)।তাই তার দেহের এমন একটি স্থানও যেন না থাকে যেখানে ছেলেটির ঠোটের বা হাতের স্পর্শ যায়নি। 


ছেলের হাত আটকে যাওয়াঃ

সঙ্গিনী যদি আক্রমনাত্নক (Aggressive) সেক্স পছন্দ করে অথবা ছেলে নিজেই চরম উত্তেজিত হয়ে মেয়ের যোনি, স্তন ইত্যাদি স্পর্শ করার জন্য পাগলের মত হাতরাতে থাকে তবে মেয়েটির প্যান্টি বা ব্রা তে তার হাত আটকে যেতে পারে। ফলে বাধ্য হয়ে থেমে সেটা ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে যে রোমান্টিক যৌনতার একটা আবেশ (Mood) তৈরী হয়েছিল তা নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বেশি Aggressive সেক্স শুরুর আগেই ব্রা-প্যন্টি খুলে নেওয়া ভালো।


ভগাঙ্কুরে আক্রমনঃ

অনেক ছেলেইমেয়ের যোনিতে আঙ্গুল ঘষা দিতে গিয়ে তার ভগাঙ্কুরে (clitoris) জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষে বলতে গেলে আক্রমনই করে বসে। যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি ভগাঙ্কুর হলো মেয়েদের সবচেয়ে যৌনকাতর স্থানগুলোর একটি। এর অবস্থান হল যোনির ফুটোর আশেপাশে যে পাতলা চামড়ার মত অংশ (labia) আছে তার উপরের দিকে, মেয়েদের প্রস্রাবের রাস্তার নিচে। মেয়েরা যৌনত্তেজিত হলে এই স্থানটি শক্ত হয়ে একটু ফুলে যায় ফলে তা সহজেই দেখা যায়। এই স্থানটি চরম স্পর্শকাতর হলেও এতে জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষা মেয়েদের জন্য পীড়াদায়ক। তাই প্রথম দিকে এতে একটু ধীরে ধীরে আঙ্গুল ঘষতে হবে।


একটু থেমে বিশ্রাম নেওয়াঃ

ছেলেরা যেমন চরম উত্তেজনার পথে সামান্য সময়ের জন্য থেমে গেলেও আবার সেই স্থান থেকেই শুরু করতে পারে, মেয়েদের পক্ষে এটা সম্ভব হয়না। তাদের উত্তেজিত হতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। চরম উত্তেজিত হবার পথে হঠাৎ থেমে গেলে তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়, ফলে আবার নতুন করে তাদের উত্তেজিত করে তুলতে হয়। তাই যত কষ্টই হোক মেয়েটির চরম উত্তেজনা না আসা পর্যন্ত তাকে আদর করা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্ট করতে হবে।

Sunday, June 13, 2021

যৌন/সেক্স সমস্যা সমাধানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

 


 

বর্তমানে যৌন সমস্যা একটি মারাত্মক সমস্যা। দিন দিন এই রোগীর হার বেড়ে যাচ্ছে। এই সমস্ত রুগীদের চিকিৎসা নিয়ে আছে অনেক জটিলতা। দেশের আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন চমকপ্রদ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। অনেকেই এসব রঙ-বেরঙ্গের প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসা নিয়ে হচ্ছে প্রতারিত। আমার কাছে অনেক রুগীরা আসে। তাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে অনেকেই এ রোগ নিয়ে মহাটেনশনে আছেন। অনেকেই এ সমস্যা নিয়ে বিচলিত। কোথায় গেলে ভাল চিকিৎসা পাবে তা কেউ বুঝতে পারছেন না।

আসলে যৌন সমস্যা কোন সমস্যাই নয়। একটু বুঝে চললে আর জীবনটাকে নিয়মের ভিতর আনলে এ রোগ কোন রোগই নয়। তবে জীবন চলার পথে কিছু সমস্যা থাকে। আমরা নিজেরাই কিছু সমস্যা নিজেদের শরীরে সৃষ্টি করি। যার ফলে আমরা হতাশায় ভুগি আর ভাবি হয়ত এ রোগের কোন চিকিৎসা নাই। কিন্তু এখনও যদি আমরা জীবনটাকে সুন্দর করে সাজাতে পারি আর সমস্যার কারনে ভাল ও অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হই আল্লাহর রহমাতে আমরা একটি সুন্দর সুখী নীড় তৈরী করতে পারব। আজকাল রাস্তাঘাটে চলাফেরা করলে দেখি বাহারি রঙের বাহারি সব চিকিৎসার পোস্টার বা সাইনবোর্ড।

বিশেষ করে যৌন সমস্যা নিয়ে। অনেক পোস্টার দেখা যায় যে তারা সাত দিনের ভিতর সব ঠিক করে দিবে। চ্যালেঞ্জ, গ্যারান্টি, বিফলে মূল্য ফেরত, জীবনের শেষ চিকিৎসা বিবিধ।

আসলে মুল কথা হল আমাদের দেশে বেশীর ভাগই পুরুষরা এ সমস্যাই ভুগছে। মেয়েদের ভিতর এ সমস্যা আছে তবে খুব কম। আমরা চিকিৎসা করার সময় দেখি মেয়েদের সংখ্যা অনেক কম। এক হিসেবে সেক্স সমস্যাটা কিছুই না। তবে বিশেষ কিছু কারনে সমস্যা হয়ে থাকে। মুলতঃ যে সব কারনে সমস্যা হয়ে থাকে সেগুলো হচ্ছে-

১- মানসিক দুঃচিন্তা, মানসিক হতাশা, মানসিক ভীতি।
২- অতিরিক্ত হস্তমৈথুন
৩- সময়মত বিবাহ না করা।
৪- যৌনশক্তি বাড়ানোর নামে অনটাইম মেডিসিন সেবন করা।
৫- অতিরিক্ত ধূমপান করা।
৬- নেশার জিনিষ সেবন করা।
৭- স্বামী-স্ত্রী মাঝে বহুদিন সম্পর্ক ছিন্ন থাকা।
৮- দীর্ঘদিন যাবত কঠিন আমাশয় ও গ্যাস্ট্রিক রোগে ভোগা।
৯- সঙ্গ দোষ। অর্থাৎ খারাপ বন্ধুদের কারনে খারাপ কাজে সম্পৃক্ত হওয়া, পর্ণ মুভি দেখা, এ জাতীয় চিন্তা করা।
১০- অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়া।
১১- ডায়াবেটিস হবার কারনে।
১২- মোটা হবার কারনে।
১৩- যারা কায়িক পরিশ্রম কম করে, মানে অলস যারা।
১৪- প্রেম করে বিয়ের আগেই অবাধ মেলামেশা করা।
১৫- পরিবারের উদাসীনতা।
১৬- ধর্মীয় অনুশাসন না মেনে চলা।

মূলতঃ এসব কর্মকাণ্ড-ই আরও সমস্যা আছে। তবে এ সমস্যাগুলো আমরা চিকিৎসা করার সময় রোগীদের মাঝে দেখি। যে সমস্যা থেকেই Impotence হোকনা কেন হোমিওপ্যাথিই পারে এর সমাধান। চিকিৎসা আমরা রোগের নয় রোগীর করে থাকি। সেদিক থেকে অনেক মেডিসিন আসে যেমন

1-Acid Phos.
2-Agnus Cast.
3-Ashwagandha.
4-Caladium Segu.
5-Damiapalant.
6-Ginseng.
7-Muira Puama. 
8- Nupher Luteum.
9-Salis Nig.
10-Selenium.
11-Trriubulas Terri.
12-Titanium.
13-Yohimbinum.

অসংখ্য মেডিসিন আছে হোমিওপ্যাথিতে। লক্ষনের সাথে মিল রেখে হোমিও নিয়মনীতি অনুযায়ী চিকিৎসা করলে আল্লাহর রহমতে পুরো সুস্থতা সম্ভব। তবে এ সমস্যা হতে মুক্তি পাবার আগে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে তা হল অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড প্রাপ্ত অভিজ্ঞ ডাঃ কাছে যেতে হবে, যে মেডিসিন খাবেন তা অরিজিনাল হতে হবে, (এখন জার্মান ওইলমার শোয়েব কোম্পানির মেডিসিন নিঃসন্দেহে খুব ভালো)। একজন ভাল ডাঃ আপনার সমস্ত কথা শুনে মেডিসিন লিখে দিল কিন্তু আপনি ওরিজিনাল মেডিসিন পেলেননা লাভ কিছুই হলনা। সেই জন্য সব দিক খেয়াল রেখে চিকিৎসা নিন ভালো থাকবেন। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা কখনই অস্থায়ী নয়। এ চিকিৎসার পুরো কোর্স কমপ্লিট করলে স্থায়ী সমাধান অবশ্যই সম্ভব।

সবশেষে একটি কথা না বললেই নয়, যে সমস্ত ভাইয়েরা বাজারে প্রচলিত যেসব অনটাইম সেক্সুয়াল মেডিসিন পাওয়া যায় সেগুলো স্বাস্থ্যর জন্য খুবই ক্ষতিকর। এ বিষয়ে অনেকেই অনেক কথা বলতে পারে কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এসব মেডিসিন ক্ষতি ছাড়া কোন উপকার হয়না। তাই আমরা সচেতন থাকব। হোমিও চিকিৎসা নিন সুস্থ ও সজীব থাকুন।

 

Wednesday, June 9, 2021

শক্তিশালী ৮টি খাবার এর নাম যা পুরুষের জন্য অনেক প্রয়োজনীয় খাবার

 


বেশীরভাগ পুরুষেরা তাদের খাদ্য সম্পর্কে সচেতন নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নারী ও পুরুষ উভয়েরই নিজেদের খাদ্য তালিকার প্রতি সচেতন হওয়া জরুরী। উভয়ের খাদ্য তালিকায় পরিবর্তনও রয়েছে বটে। আসুন জেনে নেয়া যাক, পুরুষের জন্য প্রয়োজনীয় খাবার সমূহের নাম


১. টমেটো : টমেটো, এর বিভিন্ন সুবিধার কারনে অনেক বেশী সুপরিচিত। টমেটোর অসাধারণ পুষ্টিগুণের কারনে এটি “সুপারফুড” নামে পরিচিত। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমানিত, টমেটোতে রয়েছে “লিকোফিন” যা কলোরেক্টাল ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সার, হৃদরোগ ও কোলেস্টেরল কমাতে অনেক উপকারী।


২. ঝিনুক বা শুক্তিসমূহ: ঝিনুক বা শুক্তিসমূহে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক রয়েছে। যা, পুরুষদের প্রজনন ও যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। জিঙ্ক শরীরের টেসটোসটের মাত্রা বজায় রাখে যা সুস্থ শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য অন্যতম। এটি চুলের জন্য অনেক ভালো।


৩. গোটা শস্য : সব ধরণের শস্যতে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং ফাইবার রয়েছে। ওট এবং বাদামী চালে (ব্রাউন রাইস) ভালো পরিমাণে ভিটামিন বি রয়েছে। যা বিষণ্ণতা উপশম করতে সাহায্য করে। গবেষণায় আরও পাওয়া গেছে, বায়টিন চুলের ক্ষতিকে বাধাপ্রাপ্ত করে এবং ফলেট শুক্রাণু সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। যা শস্যতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।


৪. রসুন : আমরা সকলেই জানি, রসুন আমাদের হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। যারা প্রতিদিন রসুন খাওয়ার অভ্যাস করছেন, তাদের কোলেস্টেরল এর মাত্রা অনেক কমে যাবে। তাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধিত হবে।


৫. স্যামন : স্যামন হল বিভিন্ন তৈলাক্ত মাছ। স্যামন শুধু প্রোটিনের একটি ভালো উৎসই নয়। সাথে সাথে এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বিদ্যামান। যা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, স্যামন কলোরেক্টাল ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সার, হৃদরোগ ও বিষণ্ণতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।


৬. ব্লুবেরি : বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লুবেরিতে রয়েছে “প্রয়েনথোছাইনিডিন” নামক এক প্রকার উপাদান। যা প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও ব্লুবেরি বিভিন্ন ধরণের হৃদরোগের সমস্যা দূর করে। টাইপ-২ ডায়াবেটিক ও বয়স-সম্পর্কিত মেমোরি লসের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।


৭. ব্রোকলি : ব্রোকলি হল বাঁধাকপি এবং স্প্রাউট জাতীয় খাবার। যাতে সালফরাফেন নামক এক প্রকার শক্তিশালী পদার্থ রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। এর ফলে পুরুষদের প্রস্টেট ক্যান্সার, মূত্রাশয় ক্যান্সার এবং কলোরেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমে যায়।


৮. ডিম : চুল পড়া রোগে ভুগছেন? তাহলে আপনার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই ডিমের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করুন। ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে, যা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এছাড়াও ডিমের কুসুম জিঙ্কের একটি ভালো উৎস। সকলেরই খাবারের প্রতি সচেতন হওয়া জরুরী। পুরুষেরা তাদের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই উপরোক্ত খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করবেন।

ব্রায়োনিয়া এ্যালব এর প্রধান প্রধান লক্ষণ গুলো জেনে নিন - Bryonia Alba


 

ব্রায়োনিয়ার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো রোগীর ঠোট জিহ্বা-গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে থাকে প্রচুর পানি পিপাসা থাকে, রোগী অনেকক্ষণ পরপর একসাথে প্রচুর ঠান্ডা পানি পান করে, নড়াচড়া করলে রোগীর কষ্ট বৃদ্ধি পায়, রোগীর মেজাজ খুবই বিগড়ে থাকে, কোষ্টকাঠিন্য দেখা দেয় অর্থাৎ পায়খানা শক্ত হয়ে যায়, প্রলাপ বকার সময় তারা সারাদিনের পেশাগত কাজের কথা বলতে থাকে অথবা বিছানা থেকে নেমে বাড়ি যাওয়ার কথা বলে, শিশুদের কোলে নিলে তারা বিরক্ত হয়, মুখে সবকিছু তিতা লাগে। যে-কোন রোগই হউক না কেন, যদি উপরের লক্ষণগুলোর অন্তত দু-তিনটি লক্ষণও রোগীর মধ্যে পাওয়া যায়, তবে ব্রায়োনিয়া সেই রোগ সারিয়ে দিবে। ব্রায়োনিয়া ঔষধটি নিউমোনিয়ার জন্য আল্লাহর একটি বিরাট রহমত স্বরূপ। সাধারণত নিম্নশক্তিতে খাওয়ালে ঘনঘন খাওয়াতে হয় কয়েকদিন কিন্তু (১০,০০০ বা ৫০,০০০ ইত্যাদি) উচ্চশক্তিতে খাওয়ালে দুয়েক ডোজই যথেষ্ট।

একোনাইট ন্যাপ এর প্রধান লক্ষের ছোট্ট একটি বিবরণ -Aconitum Napellus

 


যে-কোন রোগই হউক না কেন (জ্বর-কাশি-ডায়েরিয়া অমাশয়-নিউমোনিয়া-পেটব্যথা-হাঁপানি-মাথাব্যথা বুকেব্যথা-শ্বাসকষ্ট-বার্ড ফ্লু-বুক ধড়ফড়ানি প্রভৃতি), যদি হঠাৎ শুরু হয় এবং শুরু থেকেই মারাত্মকরূপে দেখা দেয় অথৰ দুয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটি মারাত্মক আকার ধারণ করে, তবে একোনাইট ঔষধটি হলো তার এক নাম্বার ঔষধ। একোনাইটকে তুলনা করা যায় ঝড় তুফান-টর্নেডোর সাথে প্রচণ্ড কিন্তু ক্ষণস্থায়ী। একোনাইটের রোগী রোগের যন্ত্রণায় একেবারে অস্থির হয়ে পড়ে। রোগের উৎপাত এত বেশী হয় যে, তাতে রোগী মৃত্যুর ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে। রোগী ভাবে সে এখনই মরে যাবে।

Tuesday, June 8, 2021

কান পেকে গেলে দ্রুত কিভাবে চিকিৎসা করবেন জেনে নিন

 



বর্ণনা ঠান্ডা, সর্দি, জ্বর, হাম, বসন্তের পর আরো নানাবিধ কারণে কান পাকা রোগ দেখা দেয়। কানের ভিতর ফোড়া হইলেও কান থেকে পুঁজ পড়ে। এই রোগ অধিক দিন স্থায়ী হইলে বধিরতা আনয়ন করে।


১। যেখানে দেখিবেন পুরাতন কান পাকা হলুদ বর্ণের পুঁজ, গন্ধ নাই আছে মাথা বেদনা তথায় 'ক্যাপসিকাম 200 বা 1m শক্তি সকাল বিকাল দুই মাত্রা দিবেন উপকার হইবে। পুরাতন রোগে 10m বা আরো উচ্চ শক্তি।


২। যেখানে শুনিবেন কান হতে রক্ত মিশ্রিত গাঢ়, দূর্গন্ধ যুক্ত পুঁজ পড়ে তথায় ''মার্ক সল' 200 বা 1m শক্তি সকাল বিকাল দুই মাত্রা দিবেন উপকার হইবে। পুরাতন পীড়ায় আরো উচ্চ শক্তি।

 

৩। যেখানে জানিবেন প্রায়ই রোগীর সর্দি, ঠান্ডা লাগে তাদের দূর্গন্ধ যুক্ত কান পাকায় 'টিউবারকুলিনাম' 200 বা 1m শক্তি সকালে খালি পেটে এক মাত্রা দিবেন উপকার হইবে। না হইলে 10m বা আরো উচ্চ শক্তি এক মাত্রা।


৪। যেখানে শুনিবেন কান পাকার পুঁজে ভীষণ দূর্গ, পুঁজ যখন ে ঠ, চুলকায় ইহাতে 'টেলুরিয়াম' 30 বা 200 শক্তি সকাল বিকাল। দিনে দুই বার সেবনে উপকার হইবে।


৫। যেখানে দেখিবেন কান পাকায় কানের ভিতরে ৗেজ, পুঁজে ভয়ানক দুরগন্ধ হলে থুজা ''200 বা 1m শক্তি সকাল, বিকাল দুই মাত্রা সেবন করিতে দিবেন। উপকার হইবে। পুরাতন পীড়ায় আরো উচ্চ শক্তি।


৬। যেখানে শুনিবেন কান পাকায় মাংস ধোয়া জলের মত পুঁজ, পুঁজে ভীষ দুর্গন্ধ তথায় 'সাইলেশিয়া' অব্যর্থ 30 বা 200 শক্তি দিনে দুই বার সেবন করিতে দিবেন। পুরাতন রোগে Im, 10m বা আরো উচ্চ শক্তি দুই এক মাত্রা।


৭। যেখানে জানিবেন নিম্ন গতিতে ভয় শিশুর কান পাকা, সাদা রন্ধ্রের গন্ধবিহীন পুঁজ তথায় ‘বোরাক্স' 6 বা 30 শক্তি দিনে তিন বার সেবন করিতে দিবেন কান পাকা আরোগ্য হইবে। প্রয়োজনে 200 শক্তি দুই এক মাত্রা।


৮। যেখানে শুনিবেন ঠান্ডা, সর্দি লাগিলেই শিশুর কান থেকে পুঁজ নির্গত হইতে থাকে তথায় ‘ওসিমম স্যাঙ্ক' 6 বা 30 শক্তি দিনে তিন বার সেবন করিতে দিবেন কান পাকা আরোগ্য হইবে।


৯। যেখানে দেখিবেন কানের পুঁজে ভীষণ দূর্গন্ধ, লোেক কাছে বসিতে পারে না। সোরিনাম' 200 সকাল বিকাল দুই মাত্রা সেবন করিতে দিবেন উপকার হইবে। পুরাতন কান পাকায় 1m, 10m বা আরো উচ্চ শক্তি। 

১০। যেখানে শুনিবেন কান পাকায় হলদে রঙের পুঁজে সামান্য দূর্গন্ধ তথায় পালসেটিলা 200 শক্তি সকাল বিকাল দুই মাত্রা সেবন করিতে দিবেন উপকার হইবে। পুরাতন কান পাকায় আরো উচ্চ শক্তি।

 ১১। যেখানে জানিবেন নতুন বা পুরাতন কান পাকায় হলুদ বর্ণের পুঁজ, কোন রূপ গন্ধ নাই তথায় 'ক্যালকেরিয়া সালফ' 200 সকাল বিকাল দুই মাত্রা সেবন করিতে দিবেন উপকার হইবে। পুরাতন কান পাকায় 1m, 10m


১২। যেখানে শুনিবেন কানের ভিতর পুঁজ, কানে তীব্র বেদনা থাকিলে 'ভায়োলা অডো' 30 শক্তি দিনে তিন বার সেবন করিতে দিবেন উপকার হইবে।  না হইলে 200 শক্তি দিনে দুই বার।

Saturday, June 5, 2021

এ টি এস ইনজেকশন কেন করতে হই তা জেনে নিন

 


কাটা-ছেড়া , পোঁড়া , অপারেশন ইত্যাদি যে সব ক্ষেত্রে ধনুষ্টংকার প্রতিরােধের জন্য এলােপ্যাথিতে এ,টি,এস, ইনজেকশন দেওয়া হয়, তার পরিবর্তে Arsenicum Album কিংবা Ledum Palustre (শক্তি ৬,১২,৩০,২০০) তিনবেলা করে দুদিন খান। তবে আর এ,টি,এস, ইনজেকশন নিতে হবে না। শরীরের সপর্শকাতর স্থানে আঘাতের কারণে যদি প্রচণ্ড ব্যথা সেখান থেকে চারদিকে ছড়াতে থাকে বা খিঁচুনি দেখা দেয় বা শরীর ধনুকের ন্যায় বাঁকা হয়ে যায় (ধনুষ্টঙ্কার), তবে Hypericum (শক্তি ৩০,২০০) আধা ঘণ্টা পরপর খাওয়াতে থাকুন।

ঘন ঘন ফোড়া উঠার কারন


 

ফোঁড়াঃ ফোঁড়া হচ্ছে একধরণের প্রদাহ যা চুলের ফলিকল এবং কাছাকাছি ত্বকের কোষকে সংক্রমণ করে।

এসম্পর্কিত অবস্থার মধ্যে রয়েছে:

* কার্বাঙ্কোলসিস (Carbunculosis)
* ফলিকুলাইটিস (Folliculitis)

কারণসমূহঃ

ফোঁড়া খুবই সাধারণ। তারা প্রায়শই ব্যাকটেরিয়া স্টেফাইলোকক্কাস অরিয়াস (Staphylococcus aureus) দ্বারা সৃষ্ট। এরা চামড়ার পৃষ্ঠতলে অন্যান্য ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। এরা চুল গুটিকা (hair follicle) সংক্রমণ এটিকে নষ্ট করে এবং অধীনস্ত ফলিকল ও টিস্যুর গভীরে আক্রান্ত করে।

ফোড়া শরীরের যেকোন স্থানের চুলের ফলিকল (follicles) মধ্যে ঘটতে পারে। এরা মুখ, ঘাড়, বগল, নিতম্ব , এবং উরুতে সচরাচর ঘটে থাকে। একই সাথে এক অথবা একাধিক ফোড়া হতে পারেন।

লক্ষণঃ

* ফোঁড়া স্পর্শকাতর, গোলাপী - গোলাপী লাল, চামড়ায় ফোলা, দৃঢ় এলাকা হিসাবে বিবেচনা করতে পারেন। সময়ের সাথে সাথে, এটি একটি পানি ভরা বেলুন বা আমের মত মনে হবে।

* এতে পূঁজ এবং মৃত টিস্যু সঙ্গে মিলিত হয়ে ব্যথা প্রকাশ পায়। ফোঁড়া থেকে পুঁজ নির্গমন হলে ব্যথা কমে যায়।

একটা ফোঁড়ার প্রধান লক্ষণ হল:

* একটি মটর দানা পরিমাণ বা আচমকা একটি গলফ বলের মত বড় হতে পারে যার কেন্দ্র সাদা বা হলুদ ( pustules )।
* অন্যান্য ত্বকের এলাকায় ছড়ানো বা অন্যান্য এলাকা ফোঁড়ার সঙ্গে যোগদান
* দ্রুত বৃদ্ধি
* ক্ষরণ অথবা শক্ত

অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে থাকতে পারে :

* ক্লান্তি
* জ্বর
* সাধারণ অসুস্থ্য অনুভূতি
* ফোঁড়া বিকাশের আগে চুলকানি
* ফোঁড়ার চারপাশের চামড়া লালভাব

পরীক্ষা নিরীক্ষাঃ

স্বাস্থ্যের যত্ন প্রদানকারী চোখের দেখাতেই এটা ফোঁড়া নির্ণয় করতে পারেন। ফোঁড়া থেকে কোষের একটি নমুনা Staphylococcus বা অন্যান্য ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান করার জন্য ল্যাব পাঠানো হতে পারে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ

Belladonna : বেলেডোনা ঔষধটি ফোড়ার প্রথম দিকে (Early stage of boils) ব্যবহার করতে হবে যখন ফোড়া মাত্র উঠেছে, আক্রান্ত স্থানটি গরম হয়ে আছে (Hot) এবং লাল (Red) হয়ে ব্যথা (Pain) করছে। বেলেডোনা ফোড়াতে পুঁজ হওয়া বন্ধ করে তাকে পাকতে দিবে না এবং তাকে বিসমিল্লাতেই খতম করে দিবে।

Hepar sulphur : হিপার সালফার হলো ফোড়া সবচেয়ে বিখ্যাত হোমিও ঔষধ। যে-সব ফোড়ায় সাংঘাতিক ব্যথা থাকে; ব্যথার কারণে স্পর্শ করা যায় না, তাতে হিপার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। ফোড়া পাকাতে চাইলে নিম্নশক্তিতে (0৩, 0৬) খান আর ফোড়া না পাকিয়ে সারাতে চাইলে উচ্চশক্তিতে (২০০) খান।

Arnica montana : যে-কোন ঘা কিংবা ফোড়ায় আর্নিকার প্রধান লক্ষণ হলো মাত্রাতিরিক্ত ব্যথা। তাতে স্পর্শ করলে এমনই প্রচণ্ড ব্যথা হয় যে, রোগী তার দিকে কাউকে আসতে (Someone comes ) দেখলেই ভয় পেয়ে যায় এবং সাবধানতা অবলম্বন করে যাতে ফোড়া-ঘায়ে কোন ধাক্কা না লাগে। যাদের শরীরে ছোট ছোট ফোড়া একটার পর একটা উঠতেই থাকে এবং সেগুলোতে প্রচণ্ড ব্যথা থাকে, তারা আর্নিকা খেতে ভুলবেন না। কোন স্থানে আঘাত লেগে যদি ঘা হয় বা ফোড়া হয়, তবে আর্নিকা সেবন করা উচিত। আর্নিকা কেবল ব্যথার ঔষধ নয় বরং এটি একই সাথে ঘা/পুঁজ ও সারিয়ে দেয় অর্থাৎ এন্টিবায়োটিকের কাজও করে থাকে।

Silicea : যেই ফোড়া পেকে অনেকদিন থেকে পুঁজ পড়তেছে কিন্তু সারতেছে না অথবা খুবই ধীরে ধীরে সারতেছে, এমন অবস্থায় সিলিশিয়া ঔষধটি প্রযোজ্য। সিলিশিয়ার পুঁজ থাকে পানির মতো পাতলা।

Mercurius solubilis : যে ফোড়া বা ঘায়ে পুঁজ হয়ে গেছে, তাতে মার্ক সল প্রযোজ্য। মার্ক সলের ব্যথা রাতের বেলা বৃদ্ধি পায়। দাঁতের মাড়িতে ঘা বা ফোড়া হলে মার্ক সলের কথা এক নাম্বারে চিন্তা করতে হবে। মার্ক সল নিম্নশক্তিতে খেলে সেটি ফোড়াকে পাকিয়ে সারাবে আর উচ্চশক্তিতে খেলে না পাকিয়ে সারিয়ে থাকে।

Lachesis : ফোড়ার রঙ যদি একটু নীলচে-লাল (Blueish - red) হয়, তবে ল্যাকেসিস হলো তার সবচেয়ে উপযুক্ত ঔষধ।

Echinacea angustifolia : ইচিনেশিয়া’কে বলা হয় হোমিওপ্যাথিক এন্টিবায়োটিক। যে-কোন ফোড়া বিশেষ করে মারাত্মক ধরণের ফোড়ায় নিশ্চিনে- এই ঔষধটি ব্যবহার করতে পারেন।

Nitric acid : অতীতে যাদের সিফিলিস (syphilis) হয়েছিল অথবা সিফিলিস আক্রান্ত পিতা-মাতার সন্তানদের ফোড়া-ঘা ইত্যাদিতে নাইট্রিক এসিড ঔষধটি অসাধারণ।

Pyrogenium : যখন কোন ফোড়া বা ঘা দীর্ঘদিনেও সারতে চায় না কিংবা যাদের শরীরে সারা বছরই ফোড়া উঠতে থাকে, তারা পাইরোজেন ঔষধটি কয়েক সপ্তাহ খান। এটি আপনার পুরো শারীরিক সিষ্টেমকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দিবে। ফলে দু’দিন পরপর ফোড়া উঠার সমস্যা চলে যাবে।

স্মরণ শক্তি কমে যাওয়াতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা


 বর্ণনাঃ স্মরণ শক্তি কম ইহা এক বিরক্তিকর ব্যাধি। স্কুলের ছেলে, মেয়েদের মাঝে মাঝে এই রোগ দেখা দেয়। তবে বৃদ্ধ বয়সেই এই রোগ অধিক হয়।


১। যেখানে দেখিবেন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের স্মরণ শক্তি কম তথায় 'এনাকার্ডিয়াম' দিবেন উপকার হইবে। 30 প্রত্যহ সকালে এক মাত্রা। কিছু অধিক দিন সেবন করার উপকার অধিক হয়।


 ২। যেখানে শুনিবেন বয়স্কদের স্মরণ শক্তি হ্রাস, এই মাত্র বলিয়া দিন পরক্ষণে ভুলিয়া যায় তথায় ব্রাইটা কাৰ্ব 30 দিনে দুই বার সেবন করিতে দিবেন উপকার হইবে। উপকার না হইলে 200 সকালে খালি পেটে এক মাত্রা


৩। যেখানে জানিবেন বৃদ্ধ বয়সে স্মরণ শক্তি হ্রাস হইরাছে তথায় 'মেডোরিনাম' 200 শক্তি দুই এক মাত্রা সেবনেই উপকার হইবে। উপকার না হইলে 1m বা 10m সকালে খালি পেটে এক মাত্রা। ৪। যেখানে শুনিবেন আশ্চর্য রকমের স্মৃতি শক্তি লোপ, ছেলে মেয়ে এমনকি নিজের নাম পর্যন্ত মনে রাখিতে পারে না তথায় 'ক্লোরাল' 30 সকাল বিকাল দুই মাত্রা সেবন করিতে দিবেন উপকার হইবে।


৫। যেখানে দেখিবেন বোকা, বুদ্ধিহীন বালক বালিকাদের স্মৃতি শক্তি লোপ তাদের স্মৃতি শক্তি বর্ধনে 'থাইরয়ডিনাম' এক অদ্বিতীয় মহৌষধ 3x বা6 দিনে তিন বার সেবন করিতে হয়।


৬। যেখানে দেখিবেন স্মৃতি শক্তি লোপ, রোগী নিজের বাড়ি ঘরই নিজে চিনতে পারে না, খাওয়ার পরক্ষণই কি খাইয়ছে বলতে পারে না, ইহাতে সিফিলিসাম 200, 1m বা আরো উচ্চ শক্তি দুই এক মাত্রা সেবনেই উপকার হয়।


উপরোল্লিখিত লক্ষণ অনুযায়ী যে কোন একটি হোমিও ঔষধের সহিত বাইওকেমিক 'কেলি ফস 6x বা 12x গরম পানির সহিত পর্যায়ক্রমে সেবনে


পধ্যাপথ্যঃ টাটকা শাক সবজি, দুগ্ধ, মাখন, এই রোগে সৃষ্টিকর খাদ্যের প্রয়োজন। মদ্যপান বা কোন নেশা জাতীয় দ্রব্য পান এই রোগীর জন্য ভীষন ক্ষতিকর। 

Tuesday, May 25, 2021

পুরুষের শারীরিক অক্ষমতায় হোমিও

 



যৌনশক্তি বৃদ্ধির জন্য Origanum, Acidum picricum, kali Bromatum, Nux Vomica, Calcarea Carbonica, Lycopodium অথবা Diamina (শক্তি Q,৩,৬) প্রতিদিন দশ ফোটা করে দুইবার হিসাবে কয়েক মাস খেতে পারেন (মাঝে মাঝে দুয়েক সপ্তাহ গ্যাপ দিয়ে নিবেন)।


যা যৌনমিলনে কোন আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পর বীর্য নির্গত হয় না, তারা Caladium, calcarea Carbonica অথবা selenium (শক্তি কিউ, ৩,৬,১২,৩০) খান প্রতিদিন তিনবেলা করে এক সপ্তাহ।


পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য Staphisagria (অতীতে যৌন অনাচার), Lycopodium (যাদের পেটে গ্যাস হয়) অথবা Argentum Nitricum (মিষ্টি খাবার বেশী পছন্দ করে) [শক্তি ২০০] সপ্তাহে একমাত্রা করে কয়েক মাস খান।


মহিলাদের মাত্রাতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platina, baryta Muriaticum অথবা Salix Nigra (শক্তি কিউ, ৩,৬,১২,৩০) প্রতিদিন দশ ফোটা করে দুই বেলা করে পনের দিন খান।


পুরুষদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Salix Nigra অথবা baryta Muriaticum (শক্তি ২০০) দুই বেলা করে পনের দিন খান।


অবিবাহিত মেয়েদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platina (শক্তি ৩০, ২০০) দুই বেলা করে কিছুদিন খেয়ে পরে শক্তি বাড়িয়ে খেতে পারেন।


যৌনকর্ম আর ব্যায়াম একই ফল দিয়ে থাকে। যারা বিয়ে করতে পারছেন না অথবা স্বামী-স্ত্রীর কাছ দূরে আছেন, তারা ব্যায়াম করুন। এতে যৌন উত্তেজনার হাত থেকে রেহাই পেয়ে যাবেন। হ্যা, এমনভাবে ব্যায়াম করুন যাতে আধা লিটার ঘাম বের হয়।


• মহিলাদের যৌন মিলনে বিতৃষ্ণা দূর করতে Ignatia করে দুইবেলা করে পনের দিন খান। অথবা Lycopodium (শক্তি কিউ, ৩,৬, ১২,৩০) পাঁচ ফোটা


যে-সব নারীরা পুরুষদের আলিঙ্গন করলেই বীর্যপাত হয়ে যায় (সহবাস ছাড়াই) অর্থাৎ অল্পতেই তাদের তৃপ্তি ঘটে যায় এবং পরে আর সঙ্গমে আগ্রহ থাকে না, তাদের জন্য উৎকৃষ্ট ঔষধ হলো Natrum Carbonicum . এই কারণে যদি তাদের সন্তানাদি না হয় (অর্থাৎ বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়), তবে নেট্রাম কার্বে সেই বন্ধ্যাত্বও সেরে যাবে।


বিয়ের প্রথম কিছুদিনে মেয়েদের প্রস্রাব সম্পর্কিত অথবা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে Staphisagria নামক ঔষধটি খেতে পারেন। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত রোগে এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কার্যকর।

Monday, May 3, 2021

জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা - Emergency

 



যে-কোন ধরণের ঔষধের বা বিষাক্ত পদার্থের বিষক্রিয়া নিরাময়ের জন্য Nux vomica (শক্তি কিউ, ৩,৬, ১২,৩০,২০০) ঘনঘন খেতে থাকুন।


প্রচন্ড গরমের সময় ঠান্ডা লেগে কোন রোগ হলে Urtica Urens (শক্তি ৬,১২,৩০, ২০০) তিনবেলা করে খেতে থাকুন।


অতিরিক্ত মানসিক শ্রমের ফলে কোন রোগ হলে Acidum Picricum রোজ একবেলা করে খান।


অতিরিক্ত রৌদ্রে কিংবা গরমে থাকার পর কোন সমস্যা হলে Glonoinum Glonoine ঘণ্টায় ঘণ্টায় খেতে থাকুন।


শরীরের কোথাও আঘাত পাওয়ার দীর্ঘদিন পরে সেখানে কোন সমস্যা দেখা দিলে Arnica Montana ক্রমান্বয়ে শক্তি বৃদ্ধি করে খান।


স্ত্রী যৌনাঙ্গের সপর্শকাতরতায় Staphisagria ঘনঘন খেতে থাকুন।


যাদের চোখে বা শরীরের অন্য কোথাও প্রায় সারা বৎসরই পুঁজ হতে থাকে, তার Medorrhinum মাসে একমাত্রা করে অন্তত তিনমাস খান।


অপমানিত হওয়ার ফলে বা ঝগড়ার করার জন্য বা চেপে রাখা অসন্তোষের কারণে কিংবা শিশুদেরকে মারধর করার কারণে কোন সমস্যা দেখা দিলে staphisagria ঘনঘন খেতে থাকুন।


তেল-চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়ার পরে কোন সমস্যা দেখা দিলে Pulsatilla Pratensis খেতে থাকুন।


বজ্রপাত অথবা ইলেকট্রিক শকের পর Phosphorus ঘনঘন খেতে থাকুন।


পচঁা ডিম অথবা বাসি খাবার খেয়ে কোনো সমস্যা হলে Carbo Vegetabilis (শক্তি কিউ, ৩,৬,১২,৩০,২০০) ঘনঘন খেয়ে যান।


প্রেমে ব্যর্থ হলে বা আপনজনের মৃত্যু বা বিরহজনিত শোকের কারণে কোন রোগ দেখা দিলে প্রথমে ইগ্নেশিয়া এবং পরে নেট্রাম মিউর (শক্তি কিউ, ৩,৬,১২,৩০, ২০০) খেয়ে যান।


অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রমের ফলে কোন সমস্যা হলে Nux vomica অথবা Cocculus Indicus (শক্তি কিউ, ৩,৬,১২,৩০,২০০) তিনবেলা করে খেতে থাকুন।


চোখের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে কোন সমস্যা হলে Ruta graveolens (শক্তি কিউ, ৩,৬,১২,৩০,২০০) ঘণ্টায় ঘণ্টায় খেয়ে যান।

Tuesday, April 20, 2021

মানবদেহ সম্পর্কে অজানা তথ্য



1. একজন মানুষের শরীরে দেহের ওজনের ৭ শতাংশ পরিমান রক্ত থাকে।


2. রক্তের সার্বজনীন দাতা গ্রুপ কি ০

0- (সব মানুষকে দেওয়া যায়)।

0+ (O-,A-,B-,AB-, দিতে পারে না)।


3. রক্তের সার্বজনীন গ্রহীতা গ্রুপ AB

AB ( O+, A+, B+, AB+, গ্রহণ করতে পারে না)

AB+( সবার থেকে গ্রহণ করতে পারেন)।


4. ¤ একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহে কোষের সংখ্যা ছয় লক্ষ কোটি থেকে দশ লক্ষ কোটি।

5. অস্থির আবরনীর নাম- পেরিঅস্টিয়াম।

6. হৃদপিন্ডের আবরনীর নাম- পেরিকার্ডিয়াম।

7. কিডনীর আবরনীর নাম ক্যাপসুল। ৪. যকৃতের আবরনী নাম- পেরিটোনিয়াম।

9. i ফুসফুসের আবরনীর নাম- প্লুরা।

10. লালাগ্রন্থীর আবরনীর নাম এপিথেলিয়াম

11. A মস্তিষ্কের আবরনীর নাম- মেনিনজেস

12. শুক্রাশয়ের আবরনীর নাম মেসোরকিয়াম 13. ডিম্বাশয়ের আবরনীর নাম- মেসোভেরিয়াম

14. পুংজনন গ্রন্থিতে পাওয়া যায় টেস্টোসটেরন

15. স্ত্রীজনন গ্রন্থিতে পাওয়া যায় ইস্ট্রোজেন।

16. রক্ত সংবহন তন্ত্র আবিস্কার করেন – ইবনে নাফিক।

17. রক্তের গ্রুপ আবিস্কার করেন - ল্যান্ড স্টীনার।

18. M মানুষের রেচন অঙ্গগুলি হলো – ত্বক, ফুসফুস, যকৃত ও বৃক্ক।

19. প্রধান রেচন অঙ্গ বৃক্ক প্রায় ৭৫% নিষ্কাষন করে। 20. বৃক্ক দেখতে অনেকটা সীমের বীজের মতো

21. শব্দ দূষনের ফলে সৃষ্টি হয় উচ্চ রক্তচাপ।

22. মানুষের মস্তিস্কের ওজন ১.৫০ কেজি।

23. নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় ধমণীর মধ্য দিয়ে।

24. রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে রক্ত শুন্যতা সৃষ্টি হয়।

25. ডায়াবেটিস রোগ হয় ইনসুলিনের অভাবে।

26. ডায়াবেটিস রোগির রক্তে বৃদ্ধি পায় - গ্লুকোজ। 27. মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ ও রক্ত বাঁধাকে বলে – স্ট্রোক

28. হিমোসাইটোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে রক্তকণিকার সংখ্যা নির্ণয় করা যায়।

29. হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রিত হয় দেহের হাইপোথ্যালামাস অংশ দ্বারা।

30. একটি বৃক্কে নেফ্রনের সংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষ 31. ক্ষুদ্রান্ত্রের দৈর্ঘ্য ৬ মিটার

32. মানবদেহে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে হাইপোথ্যালামাস

33. মানুষের লালায় টায়ালিন এনজাইম থাকে।

34. স্নায়ুতন্ত্রের গাঠনিক একক নিউরন।

35. রেচনতন্ত্রের গাঠনিক একক নেফ্রন। 36. কংকালতন্ত্রের গাঠনিক একক অস্থি।

37. যকৃতের গাঠনিক একক হেপাটোসাইট। 38. হৃৎপিন্ড মানবদেহের প্রাণ।

39. যকৃত -জীবন-সমুদ্রের কর্মমুখর পোতাশ্রয়।

40. অস্থিরক্ত কনিকা তৈরীর কারখানা 41. জল-ফ্লুইড অফ লাইফ

42. ক্রোমোজোম বংশগতির ভৌত ভিত্তি

43. হরমোন দেহের রাসায়নিক বার্তা বাহক।

44. যকৃত- মানবদেহের ল্যাবরেটরী

45. বৃক্ক মানবদেহের ছাঁকনযন্ত্র 46. হিমোগ্লোবিন-রবিন হুড অনু

47. শ্বেতরক্তকনিকা -মানব দেহের আনুবীক্ষনিক সৈনিক।

48. রাইবোসোম প্রোটিন তৈরীর কারখানা

49. অ্যামাইনো অ্যাসিড প্রোটিন তৈরীর কঁাচামাল

50. RNA প্রোটিন তৈরীর ব্লু-প্রি

51. জিনোম মাস্টার ব্লুপ্রিন্ট

52. DNA-মাস্টার মলিকিউল

53. কোন রোগ শরীরের কোন অংশে হয়

একজিমা: ত্বকে।

ক্যাটরাকট(চক্ষুর ছানি):- চক্ষু।

আরথ্রাইটিস (গেঁটেবাত):- গ্রন্থিসমূহে।

জন্ডিস:- লিভার, চক্ষু,শরীর।

টিউবারকিউলোসিস (যক্ষা):- ফুসফুসে।

ট্রাকোমা:- চক্ষু।

ডায়াবেটিস:- অগ্নাশয়৷

ডিপথেরিয়া: গলা।

নিউমোনিয়া:- ফুসফুস।

পাইওনিরয়া:- দাঁতের মাড়ি।

পাইলস: নিম্নমনালীর শিরায়।

মেনিনজাইটিস:- স্পাইনাল কর্ড ও মস্তিষ্ক।

রিউমাটিজম(বাতরোগ) :- গ্রন্থি।

স্নায়ুতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রের অবস্থান : মস্তিষ্ক।

মানব মস্তিষ্কের ওজন: 1200-1400 গ্রাম।

↑ মানব মস্তিষ্কের আয়তন 1450 ঘনসেমি।

ও স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক : নিউরন। 6 মানব শরীরের সবচেয়ে বড় কোশ- স্নায়ুকোশ।

↑ স্নায়ুকোশ বিভাজিত না হবার কারণ : সেন্ট্রিওলের অনুপস্থিতি।

↑ নিউরোন কী কী অংশ দ্বারা গঠিত :- কোশদেহ ও প্রলম্বিত অংশ। প্রলম্বিত অংশ কী কী দ্বারা গঠিত : অ্যাক্সন ও ডেনড্রন।

● নিউরোনে অবস্থিত দীর্ঘ শাখাবিহীন প্রলম্বিত অংশ অ্যাক্সন 54. মানুষের করোটি স্নায়ু 12 জোড়া

প্রথম: অলফ্যাক্টরি স্নায়ু

দ্বিতীয়: অপটিক স্নায়ু

তৃতীয়: অকিউলোমোটর স্নায়ু

চতুর্থ: ট্রকলিয়ার স্নায়ু

পঞ্চম: ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু

যষ্ঠ: অ্যাবডুসেন্স স্নায়ু

সপ্তম: ফেসিয়াল স্নায়ু

 অষ্টম: অডিটরি স্নায়ু

নবম: গ্লসোফ্যারিঞ্জিয়াল স্নায়ু

 দশম: ভেগাস স্নায়ু

 একাদশ: স্পাইনাল অ্যাকসেসরি স্নায়ু

★ দ্বাদশ: হাইপোগ্লসাল স্নায়ু

পোস্টঃ ভুল ত্রুটি ক্ষমাপ্রার্থী।

ভালো লাগলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন

পরবর্তী_পোষ্ট_পেতে_ফলো_দিয়ে_সাথেই থাকুন।

Sunday, April 18, 2021

ফাইভ ফস ট্যাবলেট (Five Phos-Tablet) হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

 




ফসফরিকাম বা ফসফেটের ক্রিয়া ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও সোডিয়াম এর ক্রিয়ার চেয়ে উৎকৃষ্টতর। এগুলোর সুষম মিশ্রণ সব বয়সের মানুষের স্নায়ুর কার্যপ্রণালীকে সবল ও সুস্থ রাখে। দীর্ঘ সময় রোগভোগের পর শারীরিক ও স্নায়বিক শক্তি পেতে সহায়তা করে। ফাইভফস ৩x প্রধানত শারীরিক স্তরে, ফাইভ ফস ৬x আংশিক শারীরিক ও আংশিক স্নায়বিক স্তরে এবং ফাইভ ফস ১২x প্রধানত স্নায়বিক স্তরে ক্রিয়াশীল হয়।


প্রয়োগ লক্ষণ :


শারীরিক/মানসিক অবসাদ ক্লান্তি ও দৌর্বল্য, খিটখিটে মেজাজ, মাইগ্রেন / মাথাব্যথা, স্নায়বিক বেদনা, টেনশন, ব্যর্থতা, উত্তেজনা, স্মরণশক্তি হ্রাস, আলস্য, শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির ঘাটতি, আবেগিক অস্থিরতা, বিষাদগ্রস্ততা, লিধরা/খিঁচুনী/ব্যথা, পরিপাক প্রক্রিয়ায় বৈকল্য, পরিপোষণ ক্ষমতার অভাব, স্নায়ুতন্ত্রের ক্রিয়াদৌর্বল্য, অনিদ্রা, জীবনীশক্তির ঘাটতি, শারীরিক / মানসিক অবক্ষয়, কম্পন, শক্তিহীনতা, মস্তিষ্কের দুর্বলতা, রোগারোগোর পরবর্তী দুর্বলতা, মানুষের সাথে মেলামেশায় সংকোচবোধ ইত্যাদি।


মাত্রা দৈনিক ৩/৪ বার, প্রতিবার ৪/৫ ট্যাবলেট অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। শিশুদের জন্য অর্ধমাত্রা।


কর্তব্য: উষ্ণ জলের সাথে সেবন।


পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ফাইত ফস ট্যাবলেটের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়নি। বিপরীত লক্ষণ : ফাইভ ফস ট্যাবলেটের কোনো বিপরীত লক্ষণ সম্পর্কে জানা যায়নি।


পারস্পরিক ক্রিয়া : অন্যান্য হোমিওপ্যাথিক / বায়োকেমিক/ মাদারটিংচার / পেটেন্ট ঔষধের সাথে ফাইভ ফসের কোনোরূপ পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়নি।


সাবধানতা: উচ্চ রক্তচাপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে ফাইভ ফস ১২x এবং নিম্ন রক্তচাপযুক্ত রোগী ক্ষেত্রে ফাইত ফস


৩x প্রয়োগ করা অনুচিত।


উপস্থাপনা ২০ গ্রাম ও ১০০০ গ্রামের প্যাক। প্রতিটি ২৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট।

ক্যালসিয়াম সালফিউরিকাম হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

 



সুলভ শক্তিসমূহ : ৩X, ৬X, ১২x, ৩০x, 200X, 

সাইজ: ২০ গ্রাম ও ১০০০ গ্রাম ট্যাবলেট



এই লবণটি পরিষ্কৃতকরণ/বিশোধন প্রক্রিয়ার জন্য।

 ক্যালসিয়াম সালফিউরিকাম প্রদাহবিরোধী ভূমিকা রাখে এবং কোষ গঠনে সাহায্য করে। ফোড়া, ফুসকুড়ি, পুঁজবটি এবং পুঁজস্রাবী প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে এই লবণ নির্দেশিত হয়।

সাইলিসিয়া হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

 



সুলভ শক্তিসমূহ : ৩X, ৬X, ১২x, ৩০X ২০০X

সাইজ: ২০ গ্রাম ও ১০০০ গ্রাম ট্যাবলেট



এই লবণটি চুল, নখ ও চর্মের জন্য। 

সাইলিশিয়া চুল ও নখের নমনীয়তা ও দৃঢ়তা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ভঙ্গুর চুল ও নখ, চুল পড়া, নখের অনিয়মিত বৃদ্ধি ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই লবণ নির্দেশিত হয়। নমনীয়তার উন্নতি সাধনের মাধমে সাইলিশিয়া চর্ম ও সংযোজক কলাসমূহকে শক্তিশালী করে।

নেট্রিয়াম সালফিউরিকাম হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

 



সুলভ শক্তিসমূহ : ৩X, ৬x, ১২x, ৩০X, ২০০X 

সাইজ: ২০ গ্রাম ও ১০০০ গ্রাম ট্যাবলেট



এই লবণটি বর্জ্য নিঃসরণের জন্য।

নেট্রিয়াম সালফিউরিকাম সাধারণভাবে নির্বিষকরণ প্রক্রিয়া এবং তরল বর্জ্য নিষ্ক্রমণে সহায়তা করে। কোষকলার অতিরিক্ত তরল পদার্থ নিষ্কাষণে এবং যকৃতের ক্রিয়ায় এই লবণ সাহায্য করে।

নেট্রিয়াম ফসফরিকাম হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

 



সুলভ শক্তিসমূহ : ৩X, ৬x, ১২x, ৩০X, ২০০X 

সাইজ: ২০ গ্রাম ও ১০০০ গ্রাম ট্যাবলেট



এই লবণটি অম্ল-ভিত্তির ভারসাম্যের জন্য।

নেট্রিয়াম ফসফরিকাম শরীরের অম্ল-ভিত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে। পাকস্থলীতে অম্লাধিক্যের চিকিৎসায় এই লবণ সহায়ক। এই লবণ সাধারণভাবে বিপাক প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে এবং বিশেষত অজীর্ণ, পেটে বায়ু জমা, চর্বি সমৃদ্ধ খাদ্য হজমে বিকলতা, পাকস্থলীতে ব্যথা এবং অম্ল উদগীরন ইত্যাদি ক্ষেত্রে নির্দেশিত হয়।

নেট্রিয়াম মিউরেটিকাম হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

 



সুলভ শক্তিসমূহ : ৩X, ৬X, ১২X, ৩০X, 200X 

সাইজ: ২০ গ্রাম ও ১০০০ গ্রাম ট্যাবলেট



এই লবণটি তরল পদার্থের ভারসাম্যের জন্য।

নেট্রাম মিউরেটিকাম শরীরের তরল পদার্থের ভারসাম্যকে সুনিয়ন্ত্রিত করে। উদরাময়, বমির মতো পাকান্ত্রিক সমস্যায় এই লবণ নির্দেশিত হয়।

ম্যগনেশিয়াম ফসফরিকাম হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

 



সুলভ শক্তিসমূহ : ৩X, ৬×, ১২X, ৩০X, ২০০X 

সাইজ: ২০ গ্রাম ও ১০০০ গ্রাম ট্যাবলেট



এই লবণটি খিলধরা/আক্ষেপ ও ব্যথার জন্য।

ম্যগনেসিয়াম ফসরিকাম মাংসপেশির আক্ষেপ, সংকোচন ও খিলধরার চিকিৎসায় কার্যকর। মাংসপেশির ব্যথা, মাসিক ঋতুস্রাবজনিত বেদনা, হাড়ে ও কাঁধে খিচে ধরা বা টানভাব এবং পাকান্ত্রপ্রণালীর ব্যথাযুক্ত খিঁচুনি বা আক্ষেপে এই ঔষধটি নির্দেশিত হয়।