Sunday, December 5, 2021

Acid Hydro. (এসিড হাইড্রো)
Acid Hydro,এসিড হাইড্রো


চরিত্রগত লক্ষণ:
  • হৃদপীড়া, শুষ্ক কাশি, তড়কা ও টঙ্কারে- এসিড হাইড্রোয় শ্বাস পড়ে জোরে জোরে। শ্বাসকষ্টে নিশ্বাস ফেলতে কষ্ট হয় কিন্তু সহজেই নিতে পারে।
  • মৃগী, ধনুষ্টঙ্কার, আপেক্ষিক শ্বাস প্রশ্বাস, বিশেষতঃ হুপিং কফে এবং কলেরাতে হৃদস্পন্দন, উদ্বেগ, মৃদুনাড়ী এবং অচেতন হওয়ার উপক্রম, বুকে পিঠে খিল ধরা, জিহ্বার ক্যান্সার এবং কলেরার আকস্মিক হিমাঙ্গ হওয়া প্রভৃতি হঠাৎ সাংঘাতিক অবস্থা প্রাপ্ত সকল রোগে ইহা ব্যবহৃত হয়।
  • যখন কলেরা বা অন্য কোন সাংঘাতিক রোগে রোগীর জীবনী শক্তির ক্রিয়া শেষ হইয়া আসে, রোগী গাঢ় মোহাচ্ছন্ন হয়, শ্বাস প্রশ্বাস অতি ধীরে ধীরে বহে এবং মাঝে মাঝে দীর্ঘ নিঃশ্বাস পড়ে। এমনকি অনেক সময় রোগী মরিয়া গিয়াছে বলিয়া মনে হয়। বাহ্য প্রস্রাব বন্ধ হইয়া যায়। তখন এই ঔষধ অমৃতের ন্যায় কাজ করে। -ডাঃ মহেন্দ্র সরকার
  • এই ঔষধ প্রয়োগে কৃতকার্য হইতে হইলে দুইটি বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি রাখা কর্তব্য। প্রথমত সদ্য প্রস্তুতকৃত ঔষধ ব্যবহার করা উচিত। কারণ বেশী পুরাতন হইলে ইহার গুণ নষ্ঠ হইয়া যায়। দ্বিতীয়ত প্রথম বা দ্বিতীয় মাত্রা প্রয়োগ করিবার পর সামান্য উপকার দেখিলেও যতক্ষণ না সমস্ত লক্ষণগুলি দূর না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত ঔষধ প্রয়োগ করিতে হয়।
  • বৃদ্ধি: পূর্ণিমা, ঝড় বৃষ্টি, উদ্ভেদ লোপ।
  • ক্রিয়ানাশক: ক্যাম্ফর, কফি, ইপিকাক, নাক্সভম, ভিরেট্রাম।
   Baptisia Tinc (ব্যাপটিসিয়া টিংটোরিয়া) গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকসহ

Baptisia Tinc,ব্যাপটিসিয়া টিংটোরিয়া


  • সমনামঃ ইন্ডিগো উইড, ওয়াইল্ড ইন্ডিগো।
  • মায়াজমঃ সোরিক।
  • কাতরতাঃ শীতকাতর।
  • উপযোগিতাঃ রসপ্রধান ধাতুর লোকদের পক্ষে
  • উপযোগী। এটি তরুণ রোগে ব্যবহার্য।
  • ক্রিয়াস্থলঃ মন, মুখ, গলমধ্য, অন্ত্র, রক্ত, স্নায়ুমন্ডলী, শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি, পরিপাক তন্ত্র, হজমপথের মিউকাস মেমব্রেন।
  • বৈশিষ্ট্যঃ দুর্বলতা, সামান্য জ্বর, রক্তের দূষিত অবস্হা, প্রচন্ড দুর্বলতার সাথে মানসিক অস্হিরতা ও আচছন্নতা।
  • ফিজিওলজিক্যাল কাজঃ ব্যাপটিসিয়ার যে জ্বর উৎপন্ন হয় তা টাইফয়েড জ্বরের প্রথমাবস্থার সম্পূর্ণ অনুরুপ। যাই হোক এটি নিশ্চিত যে, ব্যাপটিসিয়া নিচের পেটে টাটানি এবং উদরাময়সহ অন্ত্রের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে রক্তাধিক্য এবং শেষ্মা উৎপন্ন করার যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে।
  •  সারসংক্ষেপঃ রসপ্রধান ধাতুর লোকদের দ্রুতগামী রোগাক্রমণ, রক্তদূষণ ও সংজ্ঞাশূন্যতা। দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব। শয্যা কঠিন মনে হওয়ার অনুভূতি। ব্যথাযুক্ত পাশে শুলে, চাপে, ঠান্ডা বাতাসে বাড়ে। নড়াচড়ায়, পাশ পরিবর্তনে ও উত্তাপে উপশম। মনের বিশৃঙ্খলা ; প্রলাপ বা স্বল্পবাক। অলসভাব, উদাসীন, শারীরিক ও মানসিক কাজে এবং স্ত্রীলোকের প্রতি বিতৃষ্ণা। কুকুর কুন্ডলীবৎ হয়ে থাকা। সংবেদনশীলতা বা যন্ত্রণাবিহীন উপসর্গ (মিলিফো)। প্রচন্ড দুর্বলতা সাথে মানসিক অস্হিরতা।
  • অনুভূতিঃ ১) মাথার মাঝে অদ্ভূত অনুভূতি যা জ্বর ছাড়া কখনো অনুভব করা যায় না।  ২) মাথা বড়ো হওয়ার অনুভূতি। ২) ঘ্রাণে একটি ভ্রান্ত ধারণা ‘যেনো পালক পুড়ছে ‘। ৩) শয্যা কঠিন মনে হওয়ার অনুভূতি।
  • ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) প্রচন্ড দুর্বলতার সাথে মানসিক অস্হিরতা। ২) টাইফাস জ্বর সে সাথে জিব সাদা বা হলদেটে সাদা ভারী প্রলেপযুক্ত।
  • ৩) ইনফ্লুয়েঞ্জা সে সাথে থ্যাঁতলানো ব্যথা।
  • ইচ্ছাঃ দুধ।
  • অনিচ্ছাঃ খাদ্য।
  •  বৃদ্ধিঃ আর্দ্রতাযুক্ত গরমে, কুয়াশায়, শুয়ে থাকলে, ব্যথাযুক্ত পাশে শুলে, ঘরের ভেতরে, ঘুম ভাঙ্গার পর, চলার সময়, ঠান্ডা বাতাসে, মদপানে, গরম আবহাওয়ায়, শরৎকালে, রাত ২টার পরে, চাপপ্রয়োগে প্রকোপ বাড়ে, হাঁটলে।
  •  হ্রাসঃ খোলা বাতাসে, নাড়াচড়ায়, পাশ পরিবর্তনে, ঘামলে, আর্দ্র, উত্তাপ, ব্যথাশূন্য পাশে শুলে।
  • কারণঃ অ্যান্টিটাইফয়েড সিরাম ইনজেকশনের কুফল। খারাপ খবরের শক। মানসিক অবসাদে। ফাস্টিং, আবেগ চাপা পড়লে, পায়ের পাতার ঘাম চাপা পড়লে।
  • ক্রিয়ানাশকঃ আর্স, নাক্স-ভ, ফাইটো, স্যাঙ্গুই।
  • প্রয়োগঃ টাইফয়েড জ্বরে ব্যাপটিসিয়া সকল ওষুধের রাজা।—- ডা. ডাব্লুও এইচ বার্ড।
  • উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা ব্যাপটিসিয়া প্রয়োগ করতে পারবো।
গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুব্রিকঃ
১) শয্যার ( Bed) প্রতি বিতৃষ্ণা ( তা ত্যাগ করে) – A- অ্যাকোন, সিড্রন। C- আর্স, ব্যাপটি, ক্যাল্ক, ক্যাম্ফ, ক্যানা-স্যাট, ক্যান্থা, কস্টি, কুপ্রা, ক্যালি-আর্স, ল্যাকে, লাইকো, মার্ক, ন্যাট্র-কা, ইস্কু।
২) মনের বিশৃঙ্খল অবস্হা ( Confusion) : যেনো মাতালের মতো অবস্হা – ব্যাপটি, কার্বো-সাল। অ্যাকোন, কার্বো-অ্যাসি, কার্বো-ভে, ডিজি, গ্লোন, নাক্স-ভ, সাইলি।
৩.১) প্রলাপ ( Delirium) : রাতে- A- অ্যাকোন, আর্স, ব্যাপটি।
৩.২) প্রলাপ : ব্যস্তভাব – B- ব্রায়ো, হায়োস, স্ট্র্যামো,। C- ব্যাপটি, বেল, ক্যাম্ফ, রাস, সালফ।
৩.৩) প্রলাপ : চোখ বুজলে- B- বেল, ব্রায়ো, ল্যাকে। C- ব্যাপটি, ক্যাল্ক, গ্রাফা, লিডাম, পাইরো, সালফ।
৩.৪) প্রলাপ : অবিরত – B- ল্যাকে। C- ব্যাপটি, কোনি।
৩.৫) প্রলাপ : বিড়বিড় করে- A- ব্রায়ো, হায়োস, ফস,
স্ট্র্যামো। B- এইল্যান্থ, অ্যাপিস, আর্নি, ব্যাপটি, বেল, কলচি, ক্রোটেল, হিপার, ল্যাকে, লাইকো, মার্ক, মিউ-অ্যাসি, ওপি, রাস, সিকেলি, ট্যাবে, ট্যারাক্সি, ট্যারিবি, ভিরেট।
৪.১) ভ্রান্ত বিশ্বাস ( Delusions) : যেনো তার সাথে কেউ বিছানায় ছিলো- B- ব্যাপটি, পালস। C- অ্যানাকা, অ্যাপিস, কার্বো-ভে, নাক্স-ভ, ওপি, পেট্রো, রাস, সিকেলি, স্ট্র্যামো, ভ্যালের।
৪.২) ভ্রান্ত বিশ্বাস : দেহ বিছনার ওপর ছিন্ন ভিন্ন হয়ে রয়েছে, এপাশ ওপাশ করে খন্ডগুলো একত্রিত করতে চায় – B- ব্যাপটি, ফস। C- পেট্রো।
৪.৩) ভ্রান্ত বিশ্বাস : দুটি ভাবে নিজেকে – B- অ্যানাকা, ব্যাপটি, নাক্স-ম, পেট্রো, স্ট্র্যামো।
৫) ভয়, হৃদরোগের- B- অরাম, লিলি-টি, স্পঞ্জি। C- ব্যাপটি, ক্যাক্টা, ক্যাল্ক, ল্যাক-ক্যান, ল্যাকে।
৬) অস্হিরতা, স্নায়বিকতা (Restlessness, nervousness) /অস্হির (Fidgety) – অ্যাকোন, অ্যানাকা,আর্জ-নাই,আর্স,আর্স-আই,ব্যাপটি,বেল, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক -ফস,ক্যাম্ফ,সিমিসি,সাইকু, কলো, কুপ্রা, কুপ্রা-আর্স,ফেরাম, ফেরা-আর্স, হায়োস, লাইকো, মার্ক, প্লাম্বা, পালস, রাস, সিকেলি,সিফি, সাইলি,স্ট্যাফি, স্ট্র্যামো, সালফ,ট্যারেন্টু,জিঙ্ক।
৭) স্তম্ভিতভাব ( Stupefaction) – A- অ্যাপিস, ব্যাপটি, বেল, ব্রায়ো, ককুল, হেলি, হায়োস, নাক্স-ভ, ওপি, ফস-এসিড, ফস, রাস, স্ট্র্যামো, ভিরেট।
৮) স্ত্রীলোকের প্রতি, বিতৃষ্ণা ( Women, aversion to) – B- ডায়োস্কো, ল্যাকে, পালস। C- অ্যামন-কা, ব্যাপটি, ন্যাট্র-মি, সালফ।
৯) কাজ, মানসিক কাজে বিতৃষ্ণা ( Work, aversion to mental) – A- অ্যালোজ, ব্যাপটি, চেলিডো, চায়না, ল্যাসি, নাক্স-ভ, ফস।
১০) শয্যা কঠিন মনে হওয়ার অনুভূতি ( Hard bet sensation of) – A- আর্নি, সাইলি। B- আর্স, ব্যাপটি, ফেরাম, ফেরা-ফস, পাইরো, রাস, রুটা।
১১.১) ব্যথা : ক্ষতের মতো মোচড়ানো : বাহ্যিকভাবে – A- আর্জ-মে, আর্নি, ব্যাপটি, বেল, ক্যাম্ফ, চায়না, সাইকু, ককুল, ইউপে-পার, পাইরো, রেনান-বা, রাস, রুটা, সাইলি, সালফ, ভিরেট।
১১.২) ব্যথা : ক্ষতের মতো মোচড়ানো : অভ্যন্তরীণভাবে- A- ব্যাপটি, ক্যাম্ফ, চায়না, ইউফর্বি, ইউফ্রে, ফেরাম, জেলস, ইগ্নে, মার্ক-কর, পালস, পাইরো, রেনান-বা, স্ট্যানা।
১১.৩) ব্যথা : ক্ষতের মতো মোচড়ানো : আক্রান্ত পাশে শুলে- A- আর্নি, পাইরো, রুটা। B- ব্যাপটি,হিপার, মস্কাস, নাক্স-ম, সিপি। C- থুজা।
১২) বার্ধক্যজনিত পক্ষাঘাত / অসাড়তা : ব্যথাহীন – A- কোনি, জেলস, লাইকো, ওলিয়ে, রাস। B- অ্যানাকা, আর্জ-নাই, আর্স, অরাম, ব্যাপটি, ব্যারা-কা, বিউফো, ক্যানা-ই, কার্বো-সাল, কস্টি, কুপ্রা, কিউরে, হায়োস, ওপি, পালস, সিকেলি, ভিরেট।
১৩) ডান দিকে ( Right) : A- আর্জ-মে, আর্স, অরাম, ব্যাপটি, বেল, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, ক্যান্থা, চেলিডো,
কলো, কোনি, ক্রোট-কা, ক্রোট-হ,লাইকো, নাক্স-ভ, পালস, স্যাঙ্গুই,সার্সা, সিকেলি।
১৪.১) দুর্বলতা/ক্লান্তি :জ্বরের সময়- A- আর্স, কার্বো-ভে, ফস। B- ব্যাপটি, ব্রায়ো, মিউ-অ্যাসি, ন্যাট্র-মি, পালস, রাস ।
১৪.২) দুর্বলতা/ক্লান্তি : কম্পমান – A- আর্জ-নাই, কোনি, স্ট্যানা। B- অ্যাগারি, অ্যালু, অ্যানাকা, অ্যাপিস, আর্স, ব্যাপটি, ককুল, ক্রোট-হ, জেলস, ক্যালমি, নাই-অ্যাসি, ফস, প্ল্যাট,পালস, সিপি।

Bufo Rana (বিউফো রানা)

Bufo Rana ,বিউফো রানা


পরিচায়ক লক্ষণ:

বুদ্ধিবৃত্তির খর্বতা, সর্বদা নির্জনতা ভালবাসে, হস্তমৈথুনের অদম্য ইচ্ছা।
গরমকাতর এবং ক্রোধী, নির্দিষ্ট সময়ে রোগাক্রমন, পদদ্বয়ে ঘাম।
শীতকাতর হইলেও মাথা ব্যথা এবং মৃগী গরমেই বৃদ্ধি পায়।
মৃগী রাত্রে বৃদ্ধি, নিদ্রায় বৃদ্ধি, গরমে বৃদ্ধি।
জ্বালা, ক্যান্সারের স্রাব অত্যন্ত দূর্গন্ধযুক্ত।
দু-চার গ্রাস খাইলে পেটটি পরিপূর্ণ হয়, চিনির শরবতে অদম্য ইচ্ছা।

চরিত্রগত লক্ষণ:
  • হস্তমৈথুনের অদম্য ইচ্ছা। হস্তমৈথুনের জন্য নিরালা স্থান খোঁজে।
  • বুদ্ধি বৃত্তির খর্বতা। মনটি একেবারে লজ্জাহীন, নীচতায় ও কাপুরুষতায় পরিপূর্ণ।
  • সর্বদা নির্জনতা ভালবাসে কিন্তু একা থাকতে ভয় পায় ও দূর্বল চিত্ত, অতিশয় ক্রোধী কিন্তু ক্রোধান্বিত হইলে মুর্ছা দেখা দেয়।
  • গান বাজনা অসহ্য এবং প্রতিটি সামান্য শব্দেই রোগী যাতনা বোধ করে। অপরিচিত ব্যক্তি এবং জন্তুর প্রতি ভয়।
  • বিষন্নতা।জড়বুদ্ধিভাবই বেশী।মনটি যেমন সর্বসময়ের জন্য কামচিন্তায় নিমগ্ন, হাত দুইটিও তেমন সর্ব সময়ের জন্য লিঙ্গস্থানে লাগিয়াই থাকে।
  • মাদক দ্রব্যের আকাঙ্খা। চিনির সরবৎ ও মিষ্ট পানীয় খাইবার জন্য ইহার অদম্য স্পৃহা।
  • পদদ্বয়ে ঘাম।ঐ ঘামে দূর্গন্ধ না থাকিলেও সামান্য দূর্গন্ধ ইহার প্রায় সকল প্রকার স্বাভাবিক স্রাবেই বর্তমান থাকে।
  • শীতকাতর। আঘাত লাগলে, আক্রান্ত স্থান পেকে উঠে।জ্বালা, প্রদহান্বিত স্থানটিতে অতিশয় জ্বালা।
  • সময়ে সময়ে জননেন্দ্রিয় উত্তেজিত অবস্থায় থাকে কিন্তু রোগীর হীনপ্রবৃত্তি থাকে, সর্বদাই তার জননেন্দ্রিয়ে হাত দেবার ঝোঁক থাকে। অনিচ্ছা সত্বেও শুμস্রাব দ্রুত সংঘটিত হয়,সঙ্গমকালে আক্ষেপ।
  • গরম ঘরে, চুল্লীর কাছে থাকলে, ঘুম ভাঙ্গিলে, সংগীতে, নিদ্রার মধ্যে, অতি সামান্য প্রকারের শব্দে, নির্দিষ্ট সময়ে, প্রতি পূর্ণিমায় ও আমাবশ্যায় বৃদ্ধি।
  • সড়বানে,ঠান্ডা গৃহে, রক্তস্রাবে, শীতল বাতাসে, গরম পানিতে পা ডুবাইয়া রাখিলে উপশম।
  • শীতকাতর হলেও মাথা ব্যথা এবং মৃগী গরমে বৃদ্ধি পায়।
  • দুই এক গ্রাস খাইবার পরই পেট ভরিয়া যায়।
  • হাতের তালুতে পায়ের তলায় ফোস্কার ন্যায় উদ্ভেদ।
  • আক্ষেপকালে সর্বাঙ্গ গরমে সিক্ত হইয়া যায়।
  • দুর্গন্ধ ক্ষত, গ্লান্ডের বিবৃদ্ধি, বাগী।
  • মৃগী রাত্রে বৃদ্ধি, নিদ্রায় বৃদ্ধি, গরমে বৃদ্ধি।
  • স্তনে ক্যান্সারের মত ক্ষত। স্তনদুগ্ধ রক্ত মেশান।
  • ঋতু স্রাব খুব শীঘ্র শীঘ্র হয়, জলের মত তরল প্রদর স্রাব, ঋতুস্রাব কালে ও সঙ্গমের সময় মৃগীর মত ফিট। ঋতুকালে মৃগীরোগ।ঋতু লুপ্ত।ঋতু শির:পীড়ার সাথে অতি সত্বর । জরায়ু ও যোনিপথে জ্বালা। ঋতুর সময় আক্রমণ বৃদ্ধি পায়।ঋতুকালে যকৃতে সঙ্কোচনবৎ বেদনা।
  • স্রাব অত্যন্ত দূর্গন্ধ যুক্ত। রক্তময় দূর্গন্ধ প্রদর স্রাব। হরিদ্রাবর্ণ তরল প্রদর স্রাব।
  • সর্বপ্রকার রোগেই বক্ষের মধ্যে জ্বালা থাকে।
  • এই ধাতুর লোক সম্ভবত বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত বাঁচবে না, সম্ভবত চল্লিশ বৎসর বয়সেই ভেঙ্গে পড়বে।
  • ২০০ শক্তির নিম্নশক্তি মনোস্তরটি স্পর্শ করিতে পারে না।
  • সাইকোটিক দোষের প্রাধান্য হেতু ইহার মনটি যৌনের প্রারম্ভ হইতেই ঐ প্রকার অবস্থা প্রাপ্ত হয় এবং ঐ ভাবটি চলিতে চলিতে যৌবনের শেষে রোগী টিউবারকুলার অবস্থা প্রাপ্ত হইয়া শীর্ণতা ও শুষ্ক জাতীয় ক্ষয় পীড়ায় মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
  • স্ত্রী জননেন্দ্রিয়ে জ্বালাই সর্বপ্রধান লক্ষণ,ডিম্বকোষে ও জরায়ুতে জ্বালা। কোন বাধক রোগিনীর বাধক দেখা দেবার পূর্বেও ঋতুকালে ডিম্বকোষে ও বস্তি প্রদেশে জ্বালা থাকলে চিকিৎসার পক্ষে কষ্ঠসাধ্য লক্ষণ হবে। জননযন্ত্রে, ডিম্বকোষে জ্বালা ও বিদীর্ণকর ,ছিনড়বকর বেদনা -তা উরু দিয়ে নেমে আসে।
  • হস্তমৈথুন, প্রদরস্রাব, স্তনে শক্ত গ্লান্ড, শিরাস্ফীতি, মৃগী, চর্মপীড়া, হাঁপানি, স্ত্রী পীড়া, দুর্গন্ধ ক্ষত, যক্ষা, ভগন্দর, ক্যান্সার, কার্বাংকল, আঙ্গুলহাড়া, কৃমি, খোঁসপাঁচড়া, শোথ, অর্শ, ধজ্বভঙ্গ, স্তনে ক্যান্সার।

Thursday, November 25, 2021

Female ভার্জিনিটি vs bleeding

 


জানা খুব দরকার আপনার নিজের প্রয়োজনে!


একটা রিসার্চ ফার্মে কাজ করতে গিয়ে ৫০ জন মহিলার সাথে প্রায়ই আমার দেখা হতো, সাভারের একটা গ্রামে তারা থাকেন, একটা ছোটো সংগঠনে তারা কাজ করেন!'


তাদের কেউ মানুষের বাসায় কাজ করেন, 

কেউ গার্মেন্টস এ কাজ করেন,

কারো চায়ের টং দোকানে বসেন,

কেউ কেউ কৃষি কাজ করেন!'


একদিন দেখলাম একজন মহিলা খুব কান্নাকাটি করছেন

এবং উনার হাসবেন্ড উনাকে অনেক মা/রধ/র করেছে এবং ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছে!'🙂


আমি জিজ্ঞেস করলাম কেনো ডিভোর্স

দিয়েছে, তখন ওই আন্টি বললেন তার হাসবেন্ড ১ বছর ধরে তাকে কথায় কথায় গালা/গালি করে, মারধর করে এবং তার চরিত্র নিয়ে কথা বলে

কারন প্রথমবার intercourse এর সময় ওই মহিলার ব্লিডিং হয়নি!'


এবং এর পরে কখনই না এরপর বাকিরা একে একে মুখ খুললো,

আমি তাদের মেয়ের বয়সী, তারা খুব লজ্জা পাচ্ছিলেন, আমি অনেক কস্টে তাদের easy করলাম!'


তারপর যা শুনলাম সেটা পাব্লিকলি বলার মতো না, এটা আমাদের ভদ্র সমাজের খুব পরিচিত একটা

কুসংস্কার, ব্লিডিং না হলে মনে করা হয় মেয়েটা ভার্জিন না, চরিত্র ভালোনা!'🙂


Well,

একটু যদি scientifically চিন্তা করি তাহলে কিন্তু সব পানির মত পরিস্কার!'🖤


১. ব্লিডিং হবে কি হবে না এটা নির্ভর করে HYMEN নামক একটা membrane এর উপর!'

২.এই membrane টা vaginal opening কে cover করে রাখে!'

৩.কিন্তু কতটুকু cover করে রাখবে এটা নির্ভর করে এক্টা female person এর বয়স, উচ্চতা, ওজন এবং শরীরের অনেক ফিচারের উপর!'


৪.Hymen যদি thin হয়, ব্লিডিং না হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি,আর thick হলে ব্লিডিং হতে পারে!'


৫. অনেক female এর জন্মগত ভাবেই hymen থাকে না, so bleeding না হওয়াটাই স্বাভাবিক!'


৬. যেসব মেয়েরা cycling করে, exercise করে, জিমে যায়, অথবা skipping করে, jumping করে তাদের ওই

Hymen নামক পর্দা ভেঙে যায়, so bleeding হওয়ার পসিবিলিটি নাই!'


৭.British Medical Journal এর একটা রিসার্চে বললা হয়েছে " worldwide ৬৩% মেয়েদের first time se/xu/al relation এ bleeding হয়না, এবং the one &

only reason is HYMEN মেম্বড়াণে


৮.আরো একটা রিসার্চে বলা হয়েছে, বয়স যত বাড়বে, যাদের মেমব্রেন আছে, সেটা আরো thin হতে থাকে এবং একটা সময় পর্দাটা ফেটে

যাবে, তাহলে কিভাবে ব্লিডিং হবে যদি membrane এ

না থাকে? frown emoticon


৯.তার মানে দাঁড়ায় একটা ১৫-১৬ বছরের মেয়ের

ফার্স্ট টাইম intercourse এর সময় ব্লিডিং হওয়ার সম্ভাবনা

যত বেশি, একটা ২৫-২৬ বছরের মেয়ের ব্লিডিং হওয়ার সমম্ভাবনা ততটাই কম!'


যতই বলি আমরা এগিয়ে যাচ্ছি,আমাদের মেন্টালিটি কিন্তু এখনো অনেক নিচে!'🙂


আর দোষ দিবো কাকে?

আমাদের education system টাই অনেক বেশি ত্রুটি পুর্ন!


s/ex education নিয়ে কোথাও পড়ানো হয় না, সিলেবাসে এইসব টপিক তো নাই ই,

বরং যে এক দুইটা চ্যাপ্টার আছে menstruation and

adolescence নিয়ে, ওইগুলো ও ঠিক মতো পড়ানো হয় না!


আমি জানি এই পোস্ট টা আপডেট করার পর কিছু মানুষ যা ইচ্ছা

Comment এ লিখবে কিন্তু আমার কিছু আসে যায় না!


শুধু গ্রামের মানুষ এরকম না, অনেক শিক্ষিত মানুষ ও এমন, তাদের কাছে ভার্জিনিটি মানেই bleeding!


বুঝাবার মতো কেউ নেই, বলার মত কিছু নেই, কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে আসুন!'


সুখী থাকুন!'

Sunday, November 7, 2021

Insulinum (ইনসুলিনাম)


উত্স: এটি প্রাণীর প্যানক্রিয়াতে ল্যাঙ্গারহানসের আইলেটগুলিতে পাওয়া যায় তাই এটি একটি সারকয়েড।
প্রস্তুতি: ট্রান্সুরেশনগুলি ইনসুলিন থেকে প্রস্তুত করা হয়।
ডোজ: 30 থেকে 200c ।প্রতিকারের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা না পাওয়া পর্যন্ত কেবলমাত্র কয়েকটি ডোজ দেওয়া উচিত, প্রতিদিন একটি ডোজ।
কার্যকালীন সময়: নির্দিষ্ট নয়।
এটি নিম্নলিখিত অবস্থার একটি বিশেষ প্রতিকার:
১. পরিপূরক অবস্থার সাথে বর্ধিত লিভার যেমন উদরাময় , বর্ধিত লিভারের সাথে দীর্ঘস্থায়ী পরিপূরক টিউবারকুলার গ্রন্থি।
২. দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়াসহ লিভারকে বড় করা।
৩. দীর্ঘস্থায়ী একজিমা সহ লিভারকে বড় করা।
৪. কোমলতা ছাড়াই শিশু যকৃত।
৫. ভালভাবে নির্বাচিত প্রতিকারগুলি কমে যাওয়ার পরে ইমামেশন, ডিবেলিটি, প্রসারিত যকৃতের অসুস্থতাগুলি।
তুলনা বা সাদৃশ্য:
বর্ধিত লিভার: ক্যালক আরস, কার্ড এম, চেল, চিন আরস, চিয়ানোথ, সিনচ, ডিগ, কালমেঘ, মেড, মরগান কো, আয়োড, ল্যাচ, লেপ, লিক, ম্যাগ এম, মার্ক, নাট এস, ফস, সেল, তারাক্স, ভিআইপি
বর্ধিত বেদনাদায়ক যকৃত: ক্যালক আরস, কালমেঘ, নাট এস।
মার্সমিক বাচ্চাদের দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া: থাইরয়েড।
ডায়রিয়া; শিশুদের তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্ষেত্রে লিভারের সমস্যায় উত্তেজক: মরগান কো।
শিশু লিভার হজমে গোলযোগ সহ: মেডোর্রিনাম।
বর্ধিত লিভারের সাথে পিত্তথলির রোগ; ট্রান্সভার্স দিক বৃদ্ধি: কার্ডুয়াস এম।
কোমলতার সাথে লিভারের সংঘবদ্ধতাকে বাধা দিন; জন্ডিস; পিত্তথলি; ক্যান্সার লিভার; লিভার ডিজঅর্ডারের কারণে অনিদ্রা: কোলেস্ট্রিনাম।
জন্ডিস এবং পিত্তের বমি সঙ্গে হেপাটাইটিস; তীব্র সেলাই ব্যথা সঙ্গে স্পর্শ লিভার ঘা; কোমরের চারপাশে আঁটসাঁট পোশাকের প্রতি হাইপার সংবেদনশীল; খারাপ বাম দিকে শুয়ে; তিক্ত স্বাদ, অ্যাসিড dyspepsia, হার্ট বার্ন এবং পেট ফাঁপা; হাইড্রোজোনয়েড কোষ্ঠকাঠিন্য: নাট সল্ফ।
লিভার ডিজঅর্ডার; লিভারে ব্যথা হওয়া, পূর্ণতা; ঘুম, হতাশা, হালকা ভারী মাথা ব্যাথা সকালে আরও খারাপ, ছাই রঙের মল, ধীর স্পন্দন, জন্ডিস লিভার ডিসঅর্ডারের লক্ষণগুলির সাথে ঘন অনুনাসিক এবং পরবর্তী অনুনাসিক শ্বাসনাল শ্লেষ্মা টি টি বিচ্ছিন্ন থাকে। জন্ডিস সহ ক্যান্সার লিভার (বার্নেট): মাইরিকা।
শিশুর লিভার, স্পর্শে বেদনাদায়ক, ক্ষুধা হ্রাস, আলগা পিত্তল মল বা কোষ্ঠকাঠিন্য; জন্ডিস; মাঝে মাঝে জ্বর। ম্যালেরিয়া ও কালা-আজারের পরে লিভার বৃদ্ধি: কেলমেঘ।
যখন ব্যাসিলিনাম বা ওলজ, এসেলি ব্যর্থ হয়ে যায় তখন ইনসুলিনের উন্নতি হলে স্ক্রোফুলাস আলসার এবং সাইনাস।
কারণ এবং রোগ:
ক্রনিক সেপসিস সহ বড় হওয়া লিভার।
টাইফয়েডের পরে; বা নিউমোনিয়া।
লিভারের ক্রিয়ামূলক ক্রিয়াকলাপের অবসন্নতা।
লিভার বৃদ্ধি সহ দীর্ঘস্থায়ী পরিপূরক ওটিটিস।
বর্ধিত যকৃত এবং দুর্বলতা সহ শিশুদের দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া।
জন্ডিসের বাইরে শিশুর লিভার
পেটেরোগের আক্রমণে দীর্ঘায়িত সবুজ ডায়রিয়া অব্যাহত থাকে।
ডায়রিয়া এবং বৃহত লিভারের সাথে দীর্ঘস্থায়ী অন্ত্রের সমস্যাগুলি।
দীর্ঘস্থায়ী ডিস্পেপটিক্স শিথিল গতিযুক্ত এমেটিন প্রতিরোধী।
বড় হওয়া লিভারের সাথে আলসার এবং পরিপূরক ব্যাধি il
লিভারের কোমলতা; জ্বরযুক্ত লিভারের সিরোসিস; যকৃতের বৃদ্ধি সহ গাদা এবং ভেরোকোজ আলসার; সংক্রামক হেপাটাইটিস।
ডিসপেস্পিয়া, ডায়রিয়ার সাথে বর্ধিত লিভার; দীর্ঘস্থায়ী আলসার; বিছানার ঘা; দীর্ঘস্থায়ী অটোরিয়া; mastoiditis; অবরুদ্ধ একজিমা; অ্যালার্জি একজিমা; পরিপূরক স্ক্রোফুলাস গ্রন্থি।
ব্রণ, চুলকানি একজিমা সহ এরিথেমা।
দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া এবং লিভারের সমস্যায় তীব্র ডার্মাটাইটিস।
পরিসীমা; লিভার, টিস্যু, মিউকাস মেমব্রেনস, ত্বক, কান।
অভিযোগ এবং বৈশিষ্ট্য:
লিভারটি বড় করা হলেও বেদনাদায়ক নয়।
জিভ লেপ সাদা
মাঝে মাঝে জ্বর হয়।
মুখ থেকে বাজে শ্বাস।
ডিওডোনাল আলসার রোগীদের ক্ষুধা ব্যথা।

সাধারণ লক্ষণ:
রোগী দুর্বল হয়।
অ্যাসথেনিয়া
সংক্রামক বা সরবরাহকারী রোগ থেকে ভেঙে দেওয়া সংবিধান।
রোগীদের মিষ্টির জন্য অভিলাষ রয়েছে।
আলগা অন্ত্র দিয়ে শিষ্টাচার।
Kali bromatum (কেলি ব্রোমেটাম)


Kali bromatum,কেলি ব্রোমেটাম লক্ষণ,কেলি ব্রোমেটাম 30,200,


১। স্মৃতিশক্তিহীনতা, রজনীভীতি, অদম্য রোদনের আবেশ।

২। সহজে ভুলে যায়, কপালে ভারবোধসহ বধিরতা।
৩। যৌবনে অনেকের মুখে একপ্রকার ব্রণ বা স্ফোটক বের হয়।
৪। তোৎলা কথা বলে এবং অতি ধীরে কথা বলে, স্নায়ুপ্রধান এবং অস্থির।

Kali bromatum (কেলি ব্রোমেটাম) লক্ষণ:
১. স্নায়ুবিক অস্থিরতা ও দূর্বলতা, স্মৃতিহীন, ভীতিজনক স্বপ্ন দেখে, একা থাকতে ভয়, বিষন্ন, অত্যন্ত খিটখিটে। বিষয় সম্পত্তি, মান মর্যাদা, ব্যবসা ইত্যাদি নষ্ট হইবার কিংবা দুঃখ নিবন্ধন অস্থিরতা, অনিদ্রা ও ভয়।
২. সর্বদা কামচিন্তা করে এবং রাত্রে কামোদ্দীপক স্বপ্ন দেখিয়া রেত:পাত হয়। অত্যন্ত অস্থিরতা, কিছুতেই একস্থানে থাকিতে পারে না, কোন কাজে সর্বদা নিযুক্ত থাকা চাই। উন্মত্ততা।
৩. সর্বদাই ঘুমাইতে চাহে, দিবাভাগে ও জাগিয়া থাকিতে পারে না। অধিক নিদ্রালুতা। দুশ্চিন্তা, শোক এবং অধিক কাম চরিতার্থ করিবার জন্য নিদ্রাহীনতা। রাতে ভয়। ঘুমালে দাঁত কড়মড় করা। দু:স্বপ্ন। ঘুমের ঘোরে বেড়ান।
৪. দূর্দমনীয় কামভাব ও তজ্জন্য উন্মাদভাব, মৃগী।
৫. ঋতুকালে কামভাব অত্যধিক বৃদ্ধি পায়।
৬. লম্বা, চওড়া চেহারা ও মোটা ব্যক্তি, স্নায়ু প্রধান।
৭. শিশুরা ঘুমাইতে ঘুমাইতে ভূতের ভয় দেখিয়া চিৎকার করিয়া উঠে, দাঁত কড়মড় করে।
৮. নিদ্রাহীনতা, স্নায়ুবিকতার জন্য অনিদ্রা।
৯. আহারের চেষ্টা করিলে পাকস্থলীতে তীব্র চাপবোধ।
১০. সমস্ত শরীরে যেন কিছু ফোটাইতেছে এমন অনুভব।
১১. আহারে অনিচ্ছা, খাওয়া শেষে তীব্র পিপাসা।
১২. গরমকাতর।
১৩. গরম ঘরে শীত করে।
১৪. হাত সর্বদাই নাড়ে।
১৫. সব রকম পটাশ লবনের মত ইহা হৃৎপিন্ডকে দূর্বল করে দেয় এবং গাত্রতাপ কমিয়ে দেয়। এ ঔষধ
খেতে খেতে ব্রোমিনের বিষক্রিয়া দেহে প্রকাশ পায়।
১৬. মনে হয় যেন অন্ত্রগুলি বিবাদমান। শিশুদের কলেরা, সাথে রোগশক্তি স্থানান্তরিত হয়ে মাথার উপদাহ সৃষ্টি করে, সংগে প্রত্যাঙ্গাদির উল্লফন এবং পেশীর স্পন্দন। সবুজ জলবৎ মল, সাথে প্রবল পিপাসা, বমি, চোখের কোটরাগত অবস্থা। অবসন্নতা। তলপেটের ভিতরে শীতলতা বোধ। অত্যধিক রক্তের সাথে উদরাময়। তলপেটের ভিতর দিকে আকর্ষণ।
১৭. মূত্রনালীর অনুভূতি হ্রাস। প্রস্রাব পরিমাণে অধিক, সাথে পিপাসা।
১৮. গরমে, রাত্রে, নিদ্রাকালে, অমাবশ্যায়, টাইফয়েডের পর, গর্ভাবস্থায়, প্রসবের পর, দাঁত উঠিবার
সময়, জলে, বিশ্রামে, রাত্রি ২/৩টার পর হতে প্রাত:কাল পর্যন্ত, সঙ্গম কার্যের পর, গ্রীষ্মকালে, গরমের
দিনে, প্রত্যেক রাত্রি ৫টায় শিশুদের অ¤শূল, শয়নান্তে কাশি ও মস্তক অবনত করিলে মাথাঘোরা- বৃদ্ধি।
১৯. কার্যে অন্যমনষ্ক থাকিলে, শীতল বায়ুতে- উপশম।
২০. হাত ও হাতের আঙ্গুল সর্বদা নাড়তে থাকে, হাত দুটো যেন অস্থির ।
২১. পিতৃপুরুষাগত উপদংশ সম্ভূত টিউবারকুলার পীড়া, ঋতুর ২/১দিন পূর্বে শুক্লপক্ষে মৃগীরোগ। ঋতুকালে কামভাব অত্যধিক বৃদ্ধি পায়।
২২. ভয়, রাগ অথবা অত্যধিক আনন্দ বশত: এবং প্রসবকালীন, দন্তোদগম কালীন ও হুপিং কাশি
ইত্যাদিতে আক্ষেপ।
২৩. তোৎলা কথা, ধীরে ধীরে অতি কষ্টে কথা কহে।
২৪. গর্ভাবস্থায় ভয়ঙ্কর অবিরাম শুষ্ক কাশি, তাহাতে যেন গর্ভস্রাবের উপক্রম হয়।
২৫. ইহা অতি সহজে নষ্ট হয়ে যায়- মনে রাখবে। খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে লবণ না দিলে এ ঔষধ বেশী
কার্যকরী।
২৬. প্রত্যেক কেলিজাতীয় ঔষধে, রাত্রি ২/৩টা হইতে ভোরের দিকে বৃদ্ধি, বিশেষত: রাত্রি
২টায়। গ্রীষ্মকালে ও গরমের দিনে প্রায়ই বৃদ্ধি থাকে। সঙ্গমকার্যের পর বৃদ্ধি – প্রত্যেক কেলিতেই নির্দিষ্ট।
২৭. রোগী কেবল সঙ্গম চিন্তা করিয়া ও শুক্র নানা উপায়ে ক্ষয় করিয়া, শেষে স্নায়ুবিক লক্ষণযুক্ত অর্থাৎ
দূর্বল ও অস্থির হইয়া পড়ে।
২৮. শারীরিক ও মানসিক অবস্থার সংগে সর্বদাই একটি স্নায়ুবিক অস্থিরতা থাকে, হাতের অঙ্গুলিগুলি স্থির রাখিতে পারে না সেগুলি সঞ্চারিত হইতে থাকে, পদগুলিও স্থির থাকে না Ñসর্বদাই সঞ্চারণ না করিয়া রোগী যেন অস্বস্থি অনুভব করে। রোগী যতই বিষন্ন ভাবাপন্ন হউক না কেন, তাহার ঐ স্নায়ুবিক অস্থিরতাটি থাকেই থাকে।
২৯. বাতুলতা (অনিদ্রা), মন্তিষ্কের দূর্বলতা, কলেরা, হাইড্রোকেফালস, মস্তিষ্কের রক্তশূন্যতা, স্বপ্নদোষ ও ধাতু দৌর্বল্য, স্নায়ুদৌর্বল্য, ব্রেন ফ্যাগ, একজিমা ও ব্রন, স্ত্রী-ব্যাধি, নিদ্রায় ভয় পাওয়া, মৃগী, কাশি,
হিক্কা, প্রস্রাবের পীড়া, সীসকদোষ দূর করে।

Wednesday, October 27, 2021

হোমিও ক্যালসিয়াম ঔষধ

 

 




বেশীরভাগ পুরুষেরা তাদের খাদ্য সম্পর্কে সচেতন নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নারী ও পুরুষ উভয়েরই নিজেদের খাদ্য তালিকার প্রতি সচেতন হওয়া জরুরী। উভয়ের খাদ্য তালিকায় পরিবর্তনও রয়েছে বটে। আসুন জেনে নেয়া যাক, পুরুষের জন্য প্রয়োজনীয় খাবার সমূহের নাম


১. টমেটো : টমেটো, এর বিভিন্ন সুবিধার কারনে অনেক বেশী সুপরিচিত। টমেটোর অসাধারণ পুষ্টিগুণের কারনে এটি “সুপারফুড” নামে পরিচিত। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমানিত, টমেটোতে রয়েছে “লিকোফিন” যা কলোরেক্টাল ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সার, হৃদরোগ ও কোলেস্টেরল কমাতে অনেক উপকারী।


২. ঝিনুক বা শুক্তিসমূহ: ঝিনুক বা শুক্তিসমূহে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক রয়েছে। যা, পুরুষদের প্রজনন ও যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। জিঙ্ক শরীরের টেসটোসটের মাত্রা বজায় রাখে যা সুস্থ শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য অন্যতম। এটি চুলের জন্য অনেক ভালো।


৩. গোটা শস্য : সব ধরণের শস্যতে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং ফাইবার রয়েছে। ওট এবং বাদামী চালে (ব্রাউন রাইস) ভালো পরিমাণে ভিটামিন বি রয়েছে। যা বিষণ্ণতা উপশম করতে সাহায্য করে। গবেষণায় আরও পাওয়া গেছে, বায়টিন চুলের ক্ষতিকে বাধাপ্রাপ্ত করে এবং ফলেট শুক্রাণু সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। যা শস্যতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।


৪. রসুন : আমরা সকলেই জানি, রসুন আমাদের হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। যারা প্রতিদিন রসুন খাওয়ার অভ্যাস করছেন, তাদের কোলেস্টেরল এর মাত্রা অনেক কমে যাবে। তাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধিত হবে।


৫. স্যামন : স্যামন হল বিভিন্ন তৈলাক্ত মাছ। স্যামন শুধু প্রোটিনের একটি ভালো উৎসই নয়। সাথে সাথে এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বিদ্যামান। যা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, স্যামন কলোরেক্টাল ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সার, হৃদরোগ ও বিষণ্ণতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।


৬. ব্লুবেরি : বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লুবেরিতে রয়েছে “প্রয়েনথোছাইনিডিন” নামক এক প্রকার উপাদান। যা প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও ব্লুবেরি বিভিন্ন ধরণের হৃদরোগের সমস্যা দূর করে। টাইপ-২ ডায়াবেটিক ও বয়স-সম্পর্কিত মেমোরি লসের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।


৭. ব্রোকলি : ব্রোকলি হল বাঁধাকপি এবং স্প্রাউট জাতীয় খাবার। যাতে সালফরাফেন নামক এক প্রকার শক্তিশালী পদার্থ রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। এর ফলে পুরুষদের প্রস্টেট ক্যান্সার, মূত্রাশয় ক্যান্সার এবং কলোরেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমে যায়।


৮. ডিম : চুল পড়া রোগে ভুগছেন? তাহলে আপনার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই ডিমের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করুন। ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে, যা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এছাড়াও ডিমের কুসুম জিঙ্কের একটি ভালো উৎস। সকলেরই খাবারের প্রতি সচেতন হওয়া জরুরী। পুরুষেরা তাদের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই উপরোক্ত খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করবেন।

Wednesday, October 20, 2021

বায়োকেমিক ফাইভ ফস


 

ফসফরিকাম বা ফসফেটের ক্রিয়া ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও সোডিয়াম এর ক্রিয়ার চেয়ে উৎকৃষ্টতর। এগুলোর সুষম মিশ্রণ সব বয়সের মানুষের স্নায়ুর কার্যপ্রণালীকে সবল ও সুস্থ রাখে। দীর্ঘ সময় রোগভোগের পর শারীরিক ও স্নায়বিক শক্তি পেতে সহায়তা করে। ফাইভফস ৩x প্রধানত শারীরিক স্তরে, ফাইভ ফস ৬x আংশিক শারীরিক ও আংশিক স্নায়বিক স্তরে এবং ফাইভ ফস ১২x প্রধানত স্নায়বিক স্তরে ক্রিয়াশীল হয়।


প্রয়োগ লক্ষণ :


শারীরিক/মানসিক অবসাদ ক্লান্তি ও দৌর্বল্য, খিটখিটে মেজাজ, মাইগ্রেন / মাথাব্যথা, স্নায়বিক বেদনা, টেনশন, ব্যর্থতা, উত্তেজনা, স্মরণশক্তি হ্রাস, আলস্য, শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির ঘাটতি, আবেগিক অস্থিরতা, বিষাদগ্রস্ততা, লিধরা/খিঁচুনী/ব্যথা, পরিপাক প্রক্রিয়ায় বৈকল্য, পরিপোষণ ক্ষমতার অভাব, স্নায়ুতন্ত্রের ক্রিয়াদৌর্বল্য, অনিদ্রা, জীবনীশক্তির ঘাটতি, শারীরিক / মানসিক অবক্ষয়, কম্পন, শক্তিহীনতা, মস্তিষ্কের দুর্বলতা, রোগারোগোর পরবর্তী দুর্বলতা, মানুষের সাথে মেলামেশায় সংকোচবোধ ইত্যাদি।


মাত্রা দৈনিক ৩/৪ বার, প্রতিবার ৪/৫ ট্যাবলেট অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। শিশুদের জন্য অর্ধমাত্রা।


কর্তব্য: উষ্ণ জলের সাথে সেবন।


পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ফাইত ফস ট্যাবলেটের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়নি। বিপরীত লক্ষণ : ফাইভ ফস ট্যাবলেটের কোনো বিপরীত লক্ষণ সম্পর্কে জানা যায়নি।


পারস্পরিক ক্রিয়া : অন্যান্য হোমিওপ্যাথিক / বায়োকেমিক/ মাদারটিংচার / পেটেন্ট ঔষধের সাথে ফাইভ ফসের কোনোরূপ পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়নি।


সাবধানতা: উচ্চ রক্তচাপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে ফাইভ ফস ১২x এবং নিম্ন রক্তচাপযুক্ত রোগী ক্ষেত্রে ফাইত ফস


৩x প্রয়োগ করা অনুচিত।